শিরোনাম
◈ আমেরিকা তাঁকে ১৫ মিনিট দিয়েছিল সিদ্ধান্ত নিতে – কথামতো চলো, নয়তো মরবে: ভিডিও ফাঁস ◈ যুক্তরাষ্ট্র-চীনের কূটনৈতিক লড়াই বাংলাদেশে কতটা প্রভাব ফেলবে? ◈ বিদেশে কর্মসংস্থান ও শিক্ষায় বাধায় বিপর্যস্ত প্রবাসী বাংলাদেশি ◈ দিল্লি থেকে অডিও বার্তায় বাংলাদেশ রাজনীতি নিয়ে বিস্ফোরক বক্তব্য শেখ হাসিনার ◈ হাসিনা আপার কর্মী-সমর্থকদের বিপদে ফেলে রেখে গেছেন, আমরা তাদের পাশে আছি : মির্জা ফখরুল ◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ ◈ আইসিজেতে রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের দাবি নাকচ বাংলাদেশের ◈ বিসিবির আপিল বাতিল, কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছেন জয় শাহ ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণে নির্দেশনা জারি ইসির ◈ চট্টগ্রাম রয়্যালস‌কে হা‌রি‌য়ে বি‌পিএ‌লে নতুন চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী   

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৯ দুপুর
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৫৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] করোনা মহামারী নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সমালোচনামূলক পোস্ট মুছতে টুইটারকে আইনী নোটিশ পাঠালো ভারত সরকার

লিহান লিমা: [২] করোনার নতুন ধরনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। হাসপাতালগুলো অক্সিজেন শূন্য হয়ে পড়েছে, দাহ করার লোক নেই, সর্বত্র মুমূর্ষু রোগীর আকুতি, লাশের সারি আর গণচিতার দৃশ্য। রয়টার্স

[৩]এই প্রেক্ষাপটে ভারত সরকারের কোভিড-১৯ মহামারী প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গৃহীত কর্মসূচীর সমালোচনা করছেন নাগরিকরা, যার মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় আইনপ্রণেতারাও। সামাজিক মাধ্যমে এই সমালোচনা রুখতে ভারত সরকার টুইটার কর্তৃপক্ষকে সমালোচনামূলক পোস্টগুলো মুছে ফেলতে আহ্বান জানিয়েছে।

[৪]হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের লুমেন ডাটাবেজ প্রকল্পে টুইটার জানায়, নাগরিকদের টুইটের ওপর সেন্সর আরোপ করতে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে ভারত সরকার। আমরা ২৩ এপ্রিল ভারত সরকারের কাছ থেকে সরাসরি নির্দেশনা পেয়েছি। এর মধ্যে ২১টি নির্দিষ্ট টুইট মুছে ফেলতে আইনী নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে লোকসভার আইনপ্রণেতা রভনাথ রেড্ডি, পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী মলয় ঘটক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা অভিনাশ দাসের টুইট।

[৫]২০০০ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইনের ধারায় টুইটারকে এই অনুরোধ করেছে ভারত সরকার। টুইটারের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা যখন কোনো আইনী অনুরোধ পাই তখন টুইটারের অভ্যন্তরীণ নীতিমালা এবং স্থানীয় আইন পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। যদি টুইটারের নীতির লঙ্ঘন করা হয় তবে ওই কনটেন্ট মুছে ফেলা হয়, আর যদি এটি স্থানীয় কোনো আইনের লঙ্ঘন হয়, তবে টুইটারের নীতিমারার লঙ্ঘন না হয় তবে শুধুমাত্র ওই ভৌগোলিক স্থানের জন্য টুইটটি হাইড রাখা হয়।’

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়