শিরোনাম
◈ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সমমর্যাদার উপদেষ্টা নিযুক্ত হলেন মিঠুন চক্রবর্তী ◈ এআই ও স্বয়ংক্রিয় বট ব্যবহার করে গান বানিয়ে ৮০ লাখ ডলারের স্ট্রিমিং জালিয়াতি! ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত: রণধীর জয়সওয়াল ◈ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার সমান অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ১০ উড়োজাহাজ কিনতে এয়ারবাসের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশের চুক্তি সই ◈ ফ্রান্সের শিক্ষার্থী বিক্ষোভে স্পষ্ট ঋণ ও বাজেট সংকট, যা ছড়িয়ে পড়তে পারে পুরো ইউরোপে ◈ ব্যাংকক সম্মেলনে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরবে সরকার ◈ চীন-ভারতের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেশি স্থিতিশীল, সামনে বড় সুযোগ ◈ শ্রমিকদের বিরোধিতার মধ্যেই ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ১৫ বছরের এনসিটি ইজারা দিচ্ছে বাংলাদেশ ◈ ইউরোপীয় পার্লামেন্টে নগ্ন সোনালি ট্রাম্পের ভাস্কর্য, নাম ‘অরেঞ্জ প্লেগ’

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৩:৩৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তিনদিনে কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা ভারতে ১০ লাখ ছাড়ালো, হাসপাতালের বাইরে পড়ে আছে মৃতদেহ (ভিডিও)

রাশিদুল ইসলাম : [২] ভারতে যেনো কোভিডের সুনামি বইছে। শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে, মারা যাচ্ছে গর্ভবতী নারীরাও। নতুন ভ্যারিয়েন্ট সামাল দিতে না পারায় বিশ্বের সবচেয়ে কোভিড ঝুঁকিপূর্ণ দেশে পরিণতা হয়েছে ভারত। ডেইলি মেইল

[৩] সবচেয়ে আক্রান্ত প্রবণ এলাকা হচ্ছে নতুন দিল্লি, মুম্বাই, মহারাষ্ট্র এবং এসব প্রদেশে হাসপাতালের বেড পাওয়া যাচ্ছে না, মিলছে না জীবন রক্ষাকারী অক্সিজেন।

[৪] ভারতের কেউ এখন নিরাপদ নয়। সংক্রমণ এত গভীর ও ভয়ংকর হয়ে দাঁড়িয়েছে তা এড়ানো অসম্ভব। দাবানলের মতই কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছে পরিবারের সবাই।

[৫] ভারত সরকার অক্সিজেন সরবরাহে সামরিক বিমান মোতায়েন করেছে। অক্সিজেন সরবরাহে গড়িমসির জন্যে মৃত্যুদন্ডের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

[৬] ভারতে করোনার প্রথম ধাক্কায় তরুণরা আক্রান্ত হলেও এবার ৪০ বছরের কমবয়সীরাও আক্রান্ত হচ্ছে। এমনকি দুই মাসের শিশুও নিস্তার পায়নি। হাসপাতালগুলো আর রোগী নিতে পারছে না এবং এ্যাম্বুলেন্সগুলো অনবরত রোগী নিয়ে ছুটছে।

[৭] নতুন দিল্লির গুরু তেজ বাহাদুর হাসপাতালে একটি বেডে ৩ থেকে ৪ জন রোগীকে নির্ভর করতে হচ্ছে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডরের ওপর। করিডোরে উপচে পড়েছে রোগীকে নিয়ে স্ট্রেচার। হাসপাতালে রোগির স্বজনদের নিজেদের খরচে অক্সিজেন, ওষুধ ও খাবারের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে।

[৮] মৃতদেহ দাহ হচ্ছে সারিবদ্ধভাবে। অজস্র টাকা খরচ করেও হাসপাতালের বেড বা অক্সিজেনের নিশ্চয়তা না পাওয়া প্রিয়জনকে হারাতে হচ্ছে চিরতরে। অনেক হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ বলে দিচ্ছে তাদের পক্ষে আর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়, রোগীকে বাড়ি নিয়ে যেতে বলা হচ্ছে।

https://videos.dailymail.co.uk/video/mol/2021/04/24/1809110220563763134/640x360_MP4_1809110220563763134.mp4

https://videos.dailymail.co.uk/video/mol/2021/04/24/3053336938695603734/640x360_MP4_3053336938695603734.mp4

  • সর্বশেষ