শিরোনাম
◈ রাজধানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে অসামাজিক কর্মকাণ্ড, নারীসহ গ্রেপ্তার ৫৪ ◈ এলএনজি কার্গো সংকটে মহেশখালীর এফএসআরইউ বন্ধ, গ্যাস সরবরাহে নতুন চাপ ◈ দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান থেকে স্মার্ট গ্রিড—জ্বালানি খাতে সরকারের ১০ বছরের রূপরেখা ◈ বারবার কাঁদলেন মির্জা ফখরুল, চার থেকে পাঁচবার আবেগে ভেঙে পড়েন, চাইলেন ক্ষমা  (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশকে জ্বালানি সহযোগিতার আশ্বাস কাতারের প্রধানমন্ত্রীর ◈ বৃহস্পতিবার টানা ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দেশের যেসব এলাকায় ◈ হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ভাইরাল অডিও কল নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন হুম্মাম কাদের চৌধুরী(ভিডিও) ◈ রাজধানীতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি করতেন ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া!(ভিডিও) ◈ নিজের গ্যাস মাটির নিচে রেখে এলএনজি আমদানির মাফিয়াতন্ত্র: জ্বালানি খাতের অন্ধকার চিত্র(ভিডিও) ◈ তারেক রহমান ব্রিকসও এড়িয়ে যেতে পারেন

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০১:২৯ দুপুর
আপডেট : ১৭ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৩৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিদেশি শক্তিগুলো রোহিঙ্গা সমস্যায় বাংলাদেশের সমালোচনা ছাড়া তেমন কিছুই করেনি: দ্য ডিপ্লোম্যাটের প্রতিবেদন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২]বিগত ৫০ বছরে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শরণার্থী স্রোত সামাল দেওয়া বাংলাদেশ মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেও, পায়নি নূন্যতম ধন্যবাদও।

[৩] রজার বার্গম্যান তার বেস্ট সেলিং ‘হিউম্যানকাইন্ড: অ্যা হোপফুল হিস্টোরি’ বইতে মানবতার যে সজ্ঞা দিয়েছিলেন, বাংলাদেশ যেনো তার খাপে খাপে মিলে যায়। দেশটির ৫০তম বার্ষিকিতে পন্ডিতরা বাংলাদেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক, খাদ্য নিরাপত্তা খাতে অসাধারণ পারফর্ম্যান্সের জন্য প্রশংসার বন্যা বইয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু ২০১৭ সাল থেকে বাংলাদেশ যে ১৩ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তার গুরুত্ব অনুধাবন করতে রীতিমতো ব্যর্থ বিশ্ব।

[৪] ২০১৭ সালে গণহত্যা থেকে পালিয়ে আসা ৭ লাখ রোহিঙ্গাকে বুকে টেনে নেয় বাংলাদেশ। ২০১৫ সালে ইউরোপের শরণার্থী সঙ্কটের সময়েও প্রায় একই পরিমাণ মানুষকে আশ্রয় দেয় পুরো ইউরোপ মহাদেশ মিলে। এই ঘটনা ভেঙে দিচ্ছিলো ব্লকটিকে।

[৫] গণহত্যা দেখেও বিশ^ যখন চুপ ছিলো বাংলাদেশ সীমান্ত খুলে দেয়। স্থানীয় সরকার, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ব্যবহার করে রীতিমতো শৃঙ্খলা নিয়ে আসে। বিপুল পরিমাণ শরণার্থীকে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রেশন করায়। ইউরোপ পারেনি এই শৃঙ্খলা দেখাতে। অথচ বাংলাদেশের কপালে জোটেনি কোনও প্রশংসা।

[৬] প্রতিবছর এই শরণার্থীদের পেছনে বাংলাদেশ ১২০ কোটি ডলার ব্যয় করছে। আর পরিবেশের ক্ষতি তো হিসেবযোগ্যই নয়। প্রায় ৪ হাজার ৩০০ একর এলাকার পাহাড় ও বন হারিয়ে গেছে। প্রতি মাসে রোহিঙ্গারা ৬ হাজার ৮০০ টন কাঠ পোড়ান। পুরো পাহাড়ি এলাকাটি তার ভৌগলিক গঠন হারিয়েছে। হাজার হাজার টিউবওয়েল পানির স্থরকে গায়েব করে দিচ্ছে।

[৭] এসব সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নেয়। মজার ব্যাপার হলো বিশ^ এই সমস্যাগুলোর সমাধানে কোনও চেষ্টা না করলেও বাংলাদেশের সমালোচনায় দেরি করেনি। বলা হচ্ছিলো এই দ্বীপ ঘূর্ণিঝড়প্রবণ। অথচ বাংলাদেশের উপক’লীয় এলাকার লাখ লাখ মানুষকেই তা মোকাবেলা করতে হয়!

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়