শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত ◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায় ◈ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সরকারের নির্দেশনা ◈ শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বড় বাজেট বাস্তবায়ন করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী ◈ জিন্নাহর গোপন রোগের তথ্য ফাঁস, ৭৯ বছর পর পুরস্কৃত দুই চিকিৎসক ◈ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি ◈ ইতালি রোমের আলোচিত ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে যা বললেন নগরবাউল জেমস! ◈ ডলারের দাম অপরিবর্তিত, সপ্তাহজুড়ে ওঠানামা পাউন্ড-ইউরোসহ অন্যান্য মুদ্রায় ◈ বিলের পানিতে হাঁস পালন করে বদলাচ্ছে নড়াইলের তরুণদের ভাগ্য, ডিমের বাজার ২২ কোটি টাকা! ◈ ‘ভুয়া’ খবর বিষয়ক সতর্কবার্তা দিল ভারতীয় হাইকমিশন

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৫৫ সকাল
আপডেট : ১৩ এপ্রিল, ২০২১, ০৫:৫৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পলাশ রহমান: মামুনুল হক ফাইন্যাল

পলাশ রহমান: হেফাজতে ভর করে মামুনুল হক আর কোমর সোজা করতে পারবেন না। হেফাজতে তিনি মোটা দাগে প্রশ্নবিদ্ধ। ভেতরে ভেতরে প্রায় সবাই তার বিরুদ্ধে। সবাই তার শাস্তি চায়। কেউই মেনে নিতে পারেনি, আজিজুল হক সাহেবের ছেলের এমন অধপতন। তা ছাড়া দেশের কওমি আলেম, শিক্ষার্থীরা শরিয়তের মৌলিক কিছু বিষয় আছে যেগুলোর সঙ্গে কখনো আপস করে না। ছাড় দেয় না। কারণ এর সঙ্গে তাদের অস্তিত্ব, শিক্ষা, সনদ অনেক কিছু জড়িত। মামুনুল হক বহু কারণে হেফাজতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আজিজুল হক সাহেবের ছেলে। ভালো আলেম। বলিষ্ঠকন্ঠের অধিকারী। সাহসী। তার কথায় ইসলামপন্থী যুবকরা উজ্জিবিত হয়। আরো অনেক কারণ আছে। যেমন, নূর হোসাইন সাহেবের মৃত্যুর পর হেফাজত মানে মামুনুল হক, মামুনুল হক মানে হেফাজত এমন একটা ইমেজ তৈরি হয়ে গিয়েছে।

যে কারণে হেফাজত ইচ্ছা করলেই মামুনকে ছুড়ে ফেলে দিতে বা তাকে বিপদে রেখে পিটটান করতে পারে না। হেফাজত মনে করে, এই মুহুর্তে মামুনকে ছেড়ে দেওয়া মানে সরকার বা হেফাজত বিরোধীদের পালে হাওয়া দেওয়া। সুতরাং এমন সিদ্ধান্ত না নিয়ে হেফাজতও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে। অন্তত মামুনের মতো হঠোকারীতা দেখায়নি। তবে হেফাজত এখন মামুনের বিকল্প কাউকে খুঁজছে। যাকে সামনে এনে হেফাজত এই গ্যাঁড়াকল থেকে বেরিয়ে আসতে পারে। হারানো ইমেজ উদ্ধার করতে পারে। দলের নেতাকর্মীদের মনোবল ফিরিয়ে আনতে পারে। যে কারণে ওলামাদের সম্মেলন ডাকা হয়েছে। যতোটুকু জানতে পেরেছি, সার্চ কমিটির হাতে মামুনের বিকল্প হিসাবে যাদের নামের তালিকা রয়েছে তার শীর্ষে আছেন ইসলামি আন্দোলনের নেতা সৈয়দ ফয়জুল করিম। কিন্তু ফয়জুল করিম কী হেফাজতের ডাকে সাড়া দেবেন? আমি মনে করি কোনো অবস্থাতেই হেফাজতের ডাকে সাড়া দেওয়া বা কোনো প্রকারের অনুরোধের ঢেকি গেলা ফয়জুল করিমের ঠিক হবে না।

হেফাজতেরও উচিত হবে না কোনো রাজনৈতিক নেতাকে মামুনুলের বিকল্প হিসেবে দাঁড় করানো। তাতে একই ভুল করবে হেফাজত। ব্যক্তি কেন্দ্রীক হয়ে পড়বে সংগঠনের কার্যক্রম। যা সংগঠনের জন্য ভবিষ্যতে আত্মঘাতি হবে। যেমন হয়েছে মামুনের বেলায়। সুতরাং ইসলামপন্থী সবার এক সঙ্গে আওয়াজ তোলা উচিৎ হেফাজত থেকে সব রাজনৈতিক আলেমদের বের করে দেওয়া হোক। হেফাজতে কোনো মামুনুল হক, ফয়জুল করিমদের দরকার নেই। হেফাজত বিপ্লবীদের সংগঠন নয়। হেফাজত দেশের ধর্মীয় আধ্যাতিক, দার্শনিক, সুশীলদের সংগঠন। এটাকে চিল্লাপাল্লা করে জনপ্রিয় করার কিছু নেই। হেফাজতের জন্য বাবুনগরি, নূরুল ইসলাম সাহেবরাই ঠিক আছেন। তাদের মতো আলেমদের হাতেই হেফাজতকে ছেড়ে দেওয়া উচিত। হেফাজতকে রাজনৈতিক আলেম মুক্ত করা উচিত। ফেসবুক থেকে শাহিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়