প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অগ্নুৎপাতের ফলে ক্যারিবিয়ার দ্বীপ সেন্ট ভিনসেন্টে ছাইয়ের বৃষ্টি, কড়া সতর্কতা জারি

সুমাইয়া ঐশী: [২] ঠিক যেন হাজার বছর আগে ভিসুভিয়াস পর্বতের অগ্নুৎপাতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া রোমান শহর পম্পেইর দৃশ্য। শহরটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আগে যেমন আকাশে ছাইয়ের ঘন স্তরে ঢেকে গিয়েছিলো, তেমনই অন্ধকার হয়ে এসেছে ক্যারিবীয় দ্বীপ সেন্ট ভিনসেন্টের আকাশ, হচ্ছে ছাইয়ের বৃষ্টি। প্রায় ১২ ইঞ্চি ছাইয়ের নিচে ঢাকা পড়েছে দ্বীপের রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি। বিবিসি

[৩] ১৯৭৯ সাল থেকেই সুপ্তাবস্থায় ছিলো সেন্ট ভিনসেন্টের লা সুফ্রিয়ার আগ্নেয়গিরি। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে হঠাৎ জেগে ওঠে এটি। প্রথম থেকে অল্প অল্প ছাই উদগীরণ করলেও গত বৃহস্পতিবার বিশাল বিস্ফোরণ ঘটে আগ্নেয়গিরিতে, উত্তপ্ত ছাই কুণ্ডলি পাকিয়ে উঠে যায় কয়েক ফুট উপরে। এরপরই শুক্রবার থেকে এই ছাই ও আগ্নেয় শিলার বৃষ্টি হতে শুরু করে গোটা দ্বীপজুড়ে। দ্য হিল

[৫] এই ছাই সেন্ট ভিনসেন্টের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে ১০০ মাইলেরও বেশি দূরে। ভিনসেন্ট থেকে ৪৭ মাইল উত্তরের দ্বীপ সেন্ট লুসিয়ায়ও ছাইয়ের বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সেখানে খোলা আকাশের নিচে থাকা যানবাহন, রাস্তাঘাট সবকিছুই ছেয়ে গেছে ছাইয়ে। রয়টার্স

[৬] এসব অঞ্চলের অধিবাসীদের ঘরে থাকার অনুরোধ করছেন সংশ্লিষ্টরা। ১ লাখ ১০ হাজার জনসংখ্যার দ্বীপ সেন্ট ভিনসেন্ট থেকে প্রায় ১৬ হাজার জনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং আরও ৩ হাজার অধিবাসীকে আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের কোনও অবস্থাতেই বাইরে বের না হতে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

[৭] অ্যানটিগুয়া এবং গুয়ানাসহ ক্যারিবিয়ার অন্যান্য দেশগুলো ইতোমধ্যে সাহায্যের প্রস্তাব করেছে। ভুক্তভোগীরা যাতে সহজে সেসব দেশে চলে যেতে পারেন এজন্য এসব দেশগুলো তাদের সীমান্ত খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। জরুরি সহায়তা পাঠাতেও আগ্রহী তারা। সম্পাদনা: আসিফুজ্জামান পৃথিল

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত