শিরোনাম
◈ ১.৯ বিলিয়ন ডলারের ঋণ অনুমোদন: বাজেট সহায়তায় জোর, বাড়ছে অনমনীয় ঋণের চাপ ◈ সমঝোতার নামে ডেকে নেয় পিচ্চি হেলাল, কিলিং মিশনে ‘কিলার বাদল’ ও ‘ডাগারি রনি’: বেরিয়ে আসছে আন্ডারওয়ার্ল্ড চক্র ◈ অনিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনে অভিযুক্ত ২৩১১ সার ডিলার: কৃষিমন্ত্রী ◈ বর্তমান সংসদ অতীতের ১২টি সংসদের তুলনায় বেশি বৈচিত্র্যময়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ◈ বজ্রপাতে মৃত্যু থামছেই না, আবারও ১৩ প্রাণহানি ◈ মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ: বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘মরণফাঁদ’ ◈ বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কে নতুন গতি: বিনিয়োগ ও জনশক্তি রফতানিতে জোর প্রধানমন্ত্রীর ◈ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কোন দেশ কবে উৎপাদন শুরু করে ◈ সংসদ সচিবালয় কমিশন বৈঠক: ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ২৯০ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন ◈ জুলাই সনদ উপেক্ষা করে সংস্কার প্রস্তাব ‘প্রতারণা’: আইন মন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৪ সকাল
আপডেট : ০৫ এপ্রিল, ২০২১, ০৪:৪৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আগামী সাত দিন যা যা নিষিদ্ধ

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আজ সোমবার সকাল ৬টা থেকে ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত চলাচল ও কাজে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ সময় জরুরি সেবা ছাড়া প্রায় সবকিছু বন্ধ থাকবে। গতকাল রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সারাদেশে জেলা ও মাঠ প্রশাসন বিধিনিষেধগুলো বাস্তবায়ন করবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত টহল দেবে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে এর আগে গত ২৯ মার্চ ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব ধরনের গণপরিবহন (সড়ক, নৌ, রেল ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে। তবে পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি সেবার ক্ষেত্রে এই আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এ ছাড়া বিদেশগামী বা বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জরুরি সেবাকাজে (ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট) নিয়োজিত ব্যক্তিরা কাজ করবেন। তাদের নিয়ে পরিবহন চলাচল করতে পারবে।

সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আদালত শুধু জরুরি কাজ করবে।

তাদের নিজস্ব পরিবহন চলবে। শিল্পকারখানা ও নির্মাণকাজ চলবে। শিল্পকারখানার শ্রমিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় আনা-নেওয়া করতে হবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর শ্রমিকদের জন্য ফিল্ড হাসপাতাল করতে হবে।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অতি জরুরি কাজ (ওষুধ ও নিত্যপণ্য কেনা, দাফন, সৎকার) ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কেনা ও সরবরাহ করা যাবে। দোকানে বসে খাওয়া যাবে না। শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে। তবে অনলাইনে কেনাকাটা করা যাবে। সেক্ষেত্রে কর্মচারীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং কোনো ক্রেতা সশরীরে যেতে পারবে না।

কাঁচাবাজার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংকিং ব্যবস্থা সীমিত পরিসরে চালু থাকবে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ঢাকায় সীমিত পরিসরে ফিল্ড হাসপাতাল করবে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - সমকাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়