শিরোনাম
◈ মালয়েশিয়া যাত্রাকালে বিমানে যাত্রীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ সিজেপি’র এক মাস: ‘আমাদের কথা শুনছে মানুষ’ ◈ বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীসহ সারাদেশে নিহত ১১ ◈ প্রবাসীদের আইন মেনে চলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, বন্দিদের মুক্তিতে কূটনৈতিক তৎপরতার আশ্বাস ◈ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের এমপিপুত্র ও যুবদল নেতা সজীব ডিএমপির ডিবি হেফাজতে ◈ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিজেপির জয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ◈ মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, কুয়ালালামপুরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা শুরু ◈ ডিগ্রি আছে, চাকরি নেই: বাংলাদেশে কেন বাড়ছে শিক্ষিত বেকার ◈ কাতারে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৫ রাত
আপডেট : ০২ এপ্রিল, ২০২১, ১১:৩৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জগন্নাথপুরে নলজুর নদী খননের মাটি হরিলুট

সিলেট প্রতিনিধ: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নদী খননের মাটি হরিলুট চলছে। এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। জানাগেছে, গত কয়েক মাস ধরে চলছে নলজুর নদী খনন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে বাদাউড়া নদীর মুখ থেকে এরালিয়া বাজার পর্যন্ত ৫ কিলোমিটর নদী খনন কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে হাসিমাবাদ এলাকায় খননকালে উত্তোলনকৃত মাটি যে যেভাবে পারছে হরিলুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আবার এসব মাটি বিভিন্ন স্থানে বিক্রির অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

২ এপ্রিল শুক্রবার সরজমিনে দেখা যায়, নদী খননের স্তুপকৃত মাটি এক্সেভেটর মেশিন দিয়ে কেটে ট্রাক ও ড্রাম ট্রাকে ভর্তি করা হচ্ছে। ৭/৮টি ট্রাক এসব মাটি এনে ভরাট করছে স্লুইচ গেইট এলাকার আলী আহমদের মালিকানা জমি ও সড়কের সাথে থাকা সরকারি খাল। এ বিষয়ে আলী আহমদ বলেন, নদী খননের মাটি আমার ও আরো বিভিন্ন মালিকানা জমিতে রাখা হয়েছে। জমি আবাদের স্বার্থে এসব মাটি এনেছি। এতেও বিভিন্ন মানুষ জমির ভূয়া মালিক সেজে চাঁদা দাবি সহ আমাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি কারো কাছে মাটি বিক্রি করিনা। আমার জমি ভরাট করছি। অন্যরাও সরকারি খাল ভরাট করেছেন। তাই আমার জমির সামনে থাকা খাল আমিও ভরাট করছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জগন্নাথপুর উপজেলার দায়িত্বে থাকা উপ-সহকারি প্রকৌশলী হাসান গাজী বলেন, আলী আহমদকে কিছু মাটি নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, নদী খননের মাটি নদী পাড়ে স্তুপ করে রাখা আছে। বর্ষায় পানির ঢেউয়ে এসব মাটি আবার নদীতে পড়ে ভরাট হয়ে যাবে। তাই অতিরিক্ত মাটি সরানো প্রয়োজন। এ জন্য এসব মাটি সরিয়ে নিতে জমির মালিকদের বলা হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু আলী আহমদ নয়, আরো বিভিন্ন মানুষ মাটি নিচ্ছে। তবে কোথাও বিক্রি করা যাবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়