প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ডমিঙ্গো ঝামেলার জিনিস, তাকেই আমরা দলে ঢুকিয়েছি : মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্ক: [২] রাসেল ক্রেইগ ডমিঙ্গো। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হেড কোচ। পেশাদার ক্রিকেটার না হলেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে কোচিং করিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোচ হিসেবে তার সুনাম অনেক। দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেট, জাতীয় দলের হেড কোচ ছিলেন। গত বছরের ১৭ আগস্ট বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব নেন এই প্রোটিয়া কোচ।

[৩]তার অধীনে ২০১৯ সালে তিনটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ, যার মধ্যে দু’টি টেস্ট ভারতের কাছে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে। টাইগারদের কোচ হিসেবে নিজের অভিষেকেই আফগানিস্তানের কাছে হারের তিক্ততা হজম করতে হয়েছে ডমিঙ্গোকে। এছাড়া সাতটি টি-টোয়েন্টি খেলেছে বাংলাদেশ, জয় এসেছে চারটিতে। ঘরের মাঠে টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ।

[৪] বাংলাদেশের কোচিং ক্যারিয়ার শুরুর আগে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ছিলেন তিনি। মেয়াদ শেষে আবার দায়িত্ব বাড়ানোর জন্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট বোর্ডকে আবেদন করলেও দক্ষিণ আফ্রিকা নতুন কোচের দায়িত্ব দেয় ওটিস গিবসনকে।

[৫] সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মাশরাফি কাছে জানতে চাওয়া হয় জাতীয় দলের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোকে কেমন দেখছেন? জবাবে মাশরাফি বলেন, সে তো দক্ষিণ আফ্রিকাতেও বরখাস্ত হয়েছিল, তাই না? বাদ দিয়েছিল। ঝামেলার জিনিসকেই আমরা আমাদের এখানে ঢুকিয়ে রেখেছি!

[৬] বাংলাদেশ যদি সেমি-ফাইনাল খেলত (২০১৯ বিশ্বকাপে), মাশরাফিকে নিয়ে কোনো কথা হতো না। আর এই কোচ তুমি আফগানিস্তানের কাছে টেস্টে হেরেছো, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে দুটি টেস্টে হেরেছো সি গ্রেডের টিমের সঙ্গে, তোমাকে নিয়ে আদর করবে নাকি? আমার ক্ষেত্রে আমি সহজভাবে নিয়েছি, তাকেও নিতে হবে।

[৭] সমস্যা হলো, যে-ই বাংলাদেশের কোচ হয়ে আসে, তাকে আমরা এমন গ্রহণযোগ্যতা দিয়ে দেই, তার পা আর মাটিতে থাকে না। দেশি কোচের ক্ষেত্রে তা করি না। সুজন ভাই যখন কোচ হয়ে শ্রীলঙ্কায় গেলেন, তার সঙ্গে এখন পার্থক্য কোথায় হচ্ছে? তিনি তিন ম্যাচ হেরেছিলেন, এখানেও তো হারছেই। পার্থক্য কোথায়? এই কোচ কি করেছেন?

[৮] আমি শুনি যে কোচ নাকি বলছেন, ‘আমাকে স্যাক করুক, সমস্যা নেই।’ কারণ, সে তো জানেই, বরখাস্ত করলে পুরো এক বছরের টাকা নিয়ে চলে যাবে। চুক্তি তো ওরকমই। সে আবার সমানে ছুটি কাটাতে পারবে। ফ্ল্যাট সাজানো-গোছানো, সব সুযোগ-সুবিধা আছে। আমাদের দেশি কোচ না খেয়ে মরে যাচ্ছে। অথচ সারাটা বছর একজন কৃষকের মতো তারা মাঠে খাটেন। বাবুল ভাই, সালাউদ্দিন ভাই, সুজন ভাই, সোহেল ভাই, মুর্তজা ভাই, রাজিন সালেহ, আফতাবরা আসছে এখন, কারও দামই নাই। – বিডি নিউজ

সর্বাধিক পঠিত