প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিউজিল্যান্ডে সারা রাত কেঁদেছিলেন তামিম

স্পোর্টস ডেস্ক: ২০১৫ বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগের রাতে ঘুমাতে পারেননি তামিম ইকবাল। সারা রাত ধরে কেঁদেছিলেন বাঁহাতি এই ওপেনার। দ্য বিজনেজ স্ট্যান্ডার্ডকে দেওয়া দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।

২০১৫ বিশ্বকাপ, তিন ম্যাচ খেলে ফেলেছে বাংলাদেশ। নিয়মিত ওপেনার হওয়ায় তামিম ইকবালের ম্যাচ সংখ্যাও তিন। কিন্তু ব্যাট হাতে নেই রানের দেখা। প্রথম ম্যাচে ১৯, এরপর টানা দুই ম্যাচে শূন্য। একে তো রানে ফিরতে মাথার ওপর চাপের পাহাড়, তার ওপর চারপাশে সমালোচনার ঝড়। দিক খুঁজে পাচ্ছিলেন না তামিম।

এমন সময়ে টিম ম্যানেজমেন্ট বা বিসিবির কেউ তামিমের পাশে দাঁড়াননি। উল্টো চাপের বোঝা বাড়ানো হয়েছে, চড়ানো হয়েছে সমালোচনার শূলে। মাঝ দরিয়ায় পড়ে যাওয়া তামিম স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগের রাতে ঘুমাতে পারেননি, সারা রাত কেঁদে গেছেন।

দীর্ঘ এক সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য দিয়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ঠিক কী কারণে তামিম কেঁদে রাত পার করেছিলেন, তা না বললেও, বাংলাদেশের ওয়ানডের সফলতম অধিনায়কের অভিযোগের আঙুল বিসিবি ও টিম ম্যানেজমেন্টর দিকেই।

বোর্ড পরিচালকরা বিভিন্ন সময়ে বড় টুর্নামেন্টে দলের সঙ্গে যান। এতে দলের লাভ-ক্ষতিটা কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে তামিমের বিষয়টি উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, ‘লাভ-লসের চিন্তা খেলোয়াড়রা করে না। লাভের লাভ হয় মাঝে মধ্যে আমাদের দুই-একটা ডিনার করায়। এর বাইরে খেলোয়াড়দের লাভ-লস নেই। খেলোয়াড়রা ভালো করেই জানে উনাকে দিয়ে আমার ক্রিকেট খেলা হবে না। আমাকেই আমার পারফর্ম করতে হবে।’

‘তবে এতটুকু জানে, পারফর্ম যদি না করতে পারে, এরা কী করতে পারে। উল্টো ভয়ের কিছু জায়গা থেকে যায়। তামিমের ক্ষেত্রে ২০১৫ বিশ্বকাপে একই হয়েছে। তামিম পুরো রাত ধরে কান্নাকাটি করেছে। এটা ওপেন সিক্রেট, অনেকেই জানে। আমি আজ বলছি। স্কটল্যান্ড ম্যাচের একদিন আগে তামিম সারা রাত ধরে কেঁদেছে। এমন ঘটনাই বরং আছে।’ যোগ করেন মাশরাফি।

বিসিবি কর্তাদের সমালোচনা করার অধিকার নেই জানিয়ে মাশরাফি বলেন, ‘আপনি এই কথা বলতে পারলে সামনেই বলেন। আর এসব সমালোচনা তো আপনি করতেই পারেন না। কারণ আপনাকে এটা ভাবতে হবে যে, এই খেলোয়াড়ের জন্যই আমরা ওখানে বসে আছি। এটাই বাস্তবতা। তারপরও বোর্ড পরিচালক তো অনেক উপরে, বিসিবিতে চাকরি করা কারও সাথেও আমাদের খেলোয়াড়দের কখনও খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি।’

তারপরও সব সময় ক্রিকেটারদেরেই কথা শুনতে হয়, এখানেই আপত্তি বাংলাদেশের সাবেক এই অধিনায়কের, ‘দেখে আসছি খেলোয়াড়রাই সব সময় কথা শোনে। আমি এখন দলে নেই একতরফাভাবে বলতে পারি, সিনিয়রদের নিয়েও বলতে পারি। কিন্তু বলতে পারছি না, কারণ আমি সত্য দেখে এসেছি। আমি নিজের চোখে দেখে এসেছি যে ঘটনা কী। আমাকে দলে নেওয়া হয়নি বলে বা আন্দোলনে আমাকে নেওয়া হয়নি বলে আমি ওদের বিরুদ্ধে কথা বলব, তা নয়। যেটা সত্য আমি সেটা বলার চেষ্টা করছি।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত