শিরোনাম
◈ তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বি মাওলানা ফারুকের ইন্তেকাল ◈ আরও ১৭১ খেলোয়াড় ক্রীড়া কার্ড পেলেন ◈ ওয়াশিংটনের দাবিকে ‘অবাস্তব’ আখ্যা, আলোচনায় না যাওয়ার ঘোষণা ইরানের ◈ যে জেলায় আগের দামেই মিলছে জ্বালানি তেল! ◈ ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন শেয়ার করায় গ্রেফতারের পর কারাগারে, সংসদে হাসনাত ও চিফ হুইপের মধ্যে বিতর্ক ◈ জোট শরিকরা সংরক্ষিত নারী আসনে কে কতটি পেল জামায়াত থেকে ◈ বিদ্যুৎ খাতে ৫২ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, ঋণের বোঝা দেড় লাখ কোটি: সংসদে জ্বালানিমন্ত্রী ◈ বাসে ৬৪ শতাংশ, লঞ্চ ভাড়া দেড়গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব ◈ ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছাল মার্কিন দল ◈ সোমবার বগুড়ায় যাত্রা, ‘ই-বেইল বন্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনটি উপকারী ঘি না মাখন?

আতাউর অপু: ঘি ও মাখন দুটিই জনপ্রিয়। তবে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে ঘিয়ের চেয়ে মাখন খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে দুটি খাবারে পুষ্টি ও খাদ্যগুণের সমান সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই দুগ্ধজাত পণ্য দুটি একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা। ঘি হচ্ছে অপ্রক্রিয়াজাত ফ্যাট। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। মাখনেও ভিটামিন এ থাকে। দুগ্ধজাত এই পণ্য দুটি থেকে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. রান্নায় অনেকেই ঘি ব্যবহার করেন। এছাড়া নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে মাখন ফ্রাই, মাংস রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের ডিপস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

২. দুগ্ধজাত পণ্য দুটির মধ্যে ঘি দুই থেকে তিন মাস ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে মাখন অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হয় এবং বাটার পেপারে ঢেকে রাখতে হয়।

৩. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে বেশি ফ্যাট জমা থাকে। এতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্যাচুরেটেডে ফ্যাট রয়েছে এবং ১০০ গ্রামে ৯০০ ক্যালরির মতো পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মাখনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে তিন গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ৫১ শতাংশ  এবং ১০০ গ্রাম মাখনে ৭১৭ কিলো ক্যালরি থাকে।

৪. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে কম পরিমাণে দুগ্ধজাত প্রোটিন থাকে। বাটারে ল্যাকটোজ সুগার এবং প্রোটিন কেসিনও থাকে।

৫. ঘি এবং মাখন উভয়েরই একই রকম পুষ্টিকর সংমিশ্রণ এবং ফ্যাটযুক্ত উপাদান রয়েছে। তবে ঘিয়ে ল্যাকটোজ চিনি এবং প্রোটিন কেসিন থাকে না বললেই চলে।

যেহেতু এসব দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ল্যাকটোজ চিনির উপস্থিতি থাকে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণমতো ঘি বা মাখন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়