শিরোনাম
◈ সরকার বল‌ছে দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ ইতিহাসের সর্বোচ্চ, অথচ দেশজু‌ড়ে সংকট, এতো তেল যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকায় ১৮ পাম্পে ‘ফুয়েল পাশ’ পাইলটিং কার্যক্রম শুরু, আরও যেসব জেলায় চালু হচ্ছে দেখুন তালিকা ◈ ইরান যু‌দ্ধের কার‌ণে তীব্র সংক‌টে বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ব তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি! ◈ ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক এখন খুবই ভালো: ট্রাম্প ◈ ৩ মে ঢাকায় আস‌ছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল, বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে সি‌রি‌জের প্রথম টেস্ট ৮ মে ◈ দুর্নীতি, কানাডার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ নিয়ে তদন্তে আইসিসি  ◈ হরমুজ প্রণালিতে আবারও আটকে গেল ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ◈ নতুন শত্রুর হিসাব কষছে ইসরায়েল, আলোচনায় উঠে আসছে পাকিস্তান ও তুরস্ক ◈ উপসাগরীয় বন্দরে অবরোধ না তুললে হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের ◈ ইসরায়েলকে এবার সতর্ক করেছেন ট্রাম্প

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনটি উপকারী ঘি না মাখন?

আতাউর অপু: ঘি ও মাখন দুটিই জনপ্রিয়। তবে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে ঘিয়ের চেয়ে মাখন খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে দুটি খাবারে পুষ্টি ও খাদ্যগুণের সমান সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই দুগ্ধজাত পণ্য দুটি একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা। ঘি হচ্ছে অপ্রক্রিয়াজাত ফ্যাট। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। মাখনেও ভিটামিন এ থাকে। দুগ্ধজাত এই পণ্য দুটি থেকে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. রান্নায় অনেকেই ঘি ব্যবহার করেন। এছাড়া নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে মাখন ফ্রাই, মাংস রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের ডিপস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

২. দুগ্ধজাত পণ্য দুটির মধ্যে ঘি দুই থেকে তিন মাস ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে মাখন অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হয় এবং বাটার পেপারে ঢেকে রাখতে হয়।

৩. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে বেশি ফ্যাট জমা থাকে। এতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্যাচুরেটেডে ফ্যাট রয়েছে এবং ১০০ গ্রামে ৯০০ ক্যালরির মতো পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মাখনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে তিন গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ৫১ শতাংশ  এবং ১০০ গ্রাম মাখনে ৭১৭ কিলো ক্যালরি থাকে।

৪. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে কম পরিমাণে দুগ্ধজাত প্রোটিন থাকে। বাটারে ল্যাকটোজ সুগার এবং প্রোটিন কেসিনও থাকে।

৫. ঘি এবং মাখন উভয়েরই একই রকম পুষ্টিকর সংমিশ্রণ এবং ফ্যাটযুক্ত উপাদান রয়েছে। তবে ঘিয়ে ল্যাকটোজ চিনি এবং প্রোটিন কেসিন থাকে না বললেই চলে।

যেহেতু এসব দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ল্যাকটোজ চিনির উপস্থিতি থাকে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণমতো ঘি বা মাখন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়