শিরোনাম
◈ নির্বাচনী হলফনামায় এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলমের ৩১ লাখ টাকার সম্পদ ও ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার আছে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই ইরানের : ইসমাইল বাঘাই ◈ নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এক জনের মরদেহ উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ ◈ আকাশপথে শক্ত অবস্থান গড়তে বিমানের মহাপরিকল্পনা: বহরে ৪৭ উড়োজাহাজ, যুক্ত হচ্ছে নতুন গন্তব্য ◈ বিদ্যুৎ-গ্যাস ঘাটতিতে থমকে যাচ্ছে শিল্প উৎপাদন, চাপ বাড়ছে অর্থনীতিতে ◈ রামেক হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর রেকর্ড: তিন মাসে ৮৭১ জনের প্রাণহানি ◈ আমি আগে কইছিলাম, গরিবের কেউ নেই, অহন দেখি বিচার অইবো, দেখার অপেক্ষায় আছি: তনুর বাবা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজন একজন গ্রেপ্তার: ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাসের বিবৃতি ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ ভ্রমণ সতর্কতা জা‌রি ক‌রে‌ছে অ্যামনেস্টি ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ◈ রাজশাহীতে শিক্ষিকা বনাম বিএনপি নেতার কাণ্ড নেপথ্যের ঘটনা নিয়ে যা জানাগেল

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনটি উপকারী ঘি না মাখন?

আতাউর অপু: ঘি ও মাখন দুটিই জনপ্রিয়। তবে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে ঘিয়ের চেয়ে মাখন খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে দুটি খাবারে পুষ্টি ও খাদ্যগুণের সমান সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই দুগ্ধজাত পণ্য দুটি একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা। ঘি হচ্ছে অপ্রক্রিয়াজাত ফ্যাট। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। মাখনেও ভিটামিন এ থাকে। দুগ্ধজাত এই পণ্য দুটি থেকে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. রান্নায় অনেকেই ঘি ব্যবহার করেন। এছাড়া নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে মাখন ফ্রাই, মাংস রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের ডিপস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

২. দুগ্ধজাত পণ্য দুটির মধ্যে ঘি দুই থেকে তিন মাস ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে মাখন অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হয় এবং বাটার পেপারে ঢেকে রাখতে হয়।

৩. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে বেশি ফ্যাট জমা থাকে। এতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্যাচুরেটেডে ফ্যাট রয়েছে এবং ১০০ গ্রামে ৯০০ ক্যালরির মতো পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মাখনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে তিন গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ৫১ শতাংশ  এবং ১০০ গ্রাম মাখনে ৭১৭ কিলো ক্যালরি থাকে।

৪. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে কম পরিমাণে দুগ্ধজাত প্রোটিন থাকে। বাটারে ল্যাকটোজ সুগার এবং প্রোটিন কেসিনও থাকে।

৫. ঘি এবং মাখন উভয়েরই একই রকম পুষ্টিকর সংমিশ্রণ এবং ফ্যাটযুক্ত উপাদান রয়েছে। তবে ঘিয়ে ল্যাকটোজ চিনি এবং প্রোটিন কেসিন থাকে না বললেই চলে।

যেহেতু এসব দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ল্যাকটোজ চিনির উপস্থিতি থাকে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণমতো ঘি বা মাখন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়