শিরোনাম
◈ সরকারের নতুন পরিকল্পনা: সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে ১০ হাজার মেগাওয়াটে ◈ লেবানন–ইসরায়েল সীমান্তে সাময়িক শান্তি, ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা ◈ জাতীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর: প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ ◈ কুষ্টিয়ায় 'পীর' হত্যার ঘটনায় নেই কোনো গ্রেফতার, পু‌লিশ বল‌ছে আসামী খু‌ঁজে পা‌চ্ছি না ◈ নিউজিল্যান্ডের বিরু‌দ্ধে সিরিজে শুভ সূচনা আমার প্রথম উদ্দেশ‌্য : মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ বার কাউন্সিল নির্বাচন : পেছানো হয়েছে আইনজীবীদের অনুরোধে: সংসদে আইনমন্ত্রী ◈ হাম ও উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু ◈ স্বর্ণের দামে বিয়ের ঐতিহ্যে ধাক্কা, দক্ষিণ এশিয়ায় গয়নার বদলে কৃত্রিম বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন মানুষ! ◈ এসএসসি পরীক্ষায় ফের আসছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয় ◈ ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে যাচ্ছে সোনা, আসছে মাদক!

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২১, ০১:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনটি উপকারী ঘি না মাখন?

আতাউর অপু: ঘি ও মাখন দুটিই জনপ্রিয়। তবে অনেকেই স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে ঘিয়ের চেয়ে মাখন খেতে বেশি পছন্দ করেন। তবে দুটি খাবারে পুষ্টি ও খাদ্যগুণের সমান সংমিশ্রণ রয়েছে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এই দুগ্ধজাত পণ্য দুটি একটি অন্যটির চেয়ে আলাদা। ঘি হচ্ছে অপ্রক্রিয়াজাত ফ্যাট। এতে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন এ পাওয়া যায়। মাখনেও ভিটামিন এ থাকে। দুগ্ধজাত এই পণ্য দুটি থেকে যেসব উপকারিতা পাওয়া যায়-

১. রান্নায় অনেকেই ঘি ব্যবহার করেন। এছাড়া নানা ধরনের মিষ্টি তৈরিতেও এটি ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে মাখন ফ্রাই, মাংস রান্না এবং বিভিন্ন ধরনের ডিপস তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

২. দুগ্ধজাত পণ্য দুটির মধ্যে ঘি দুই থেকে তিন মাস ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা যেতে পারে। তবে মাখন অবশ্যই ফ্রিজে রাখতে হয় এবং বাটার পেপারে ঢেকে রাখতে হয়।

৩. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে বেশি ফ্যাট জমা থাকে। এতে প্রায় ৬০ শতাংশ স্যাচুরেটেডে ফ্যাট রয়েছে এবং ১০০ গ্রামে ৯০০ ক্যালরির মতো পাওয়া যায়। অন্যদিকে, মাখনে ট্রান্স ফ্যাট থাকে তিন গ্রাম, স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে ৫১ শতাংশ  এবং ১০০ গ্রাম মাখনে ৭১৭ কিলো ক্যালরি থাকে।

৪. ঘিয়ে মাখনের চেয়ে কম পরিমাণে দুগ্ধজাত প্রোটিন থাকে। বাটারে ল্যাকটোজ সুগার এবং প্রোটিন কেসিনও থাকে।

৫. ঘি এবং মাখন উভয়েরই একই রকম পুষ্টিকর সংমিশ্রণ এবং ফ্যাটযুক্ত উপাদান রয়েছে। তবে ঘিয়ে ল্যাকটোজ চিনি এবং প্রোটিন কেসিন থাকে না বললেই চলে।

যেহেতু এসব দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে ল্যাকটোজ চিনির উপস্থিতি থাকে, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমাণমতো ঘি বা মাখন জাতীয় খাবার গ্রহণ করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়