প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মসজিদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে আন্দোলনকারীরা: পুলিশ

সুজন কৈরী: [২] বায়তুল মোকাররমে মোদিবিরোধী আন্দোলনে মুসল্লিদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মতিঝিল জোনের ডিসি সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেছেন, আন্দোলনকারীরা মূলত মসজিদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। মসজিদের পবিত্রতার কারণে পুলিশ ভেতরে প্রবেশ করেনি, অভিযান চালায়নি। যারা আন্দোলন করেছে তারা দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায়।

[৩] তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে এসেছেন এটি আমাদের জন্য মর্যাদার। সেই মর্যাদাকে নষ্ট করতে তারা এই সংঘর্ষ করেছে। সত্যিকার অর্থেই তারা রাষ্ট্রের মযার্দা চায় কি না এ বিষয়ে আমার মনে সন্দেহ আছে। বাংলাদেশের মযার্দা তারা চায় না। বাংলাদেশ একটি মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হতে চলছে এটা তারা চায় না। তারা চায় ভিন্ন কিছু।

[৪] পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, বায়তুল মোকাররমে প্রায় প্রতিদিনই এখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। তারা নানা ধরনের ব্যাঙ্গাত্মক আচরণ করে। এখান থেকে জুতা স্যান্ডেল দেখানো হয়, কালো পতাকা, ঝাড়ু দেখানো হয়। যেহেতু আজ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আমন্ত্রিত অতিথি, সুতরাং আজকে যেন কোনও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আমাদের নিরাপত্তা বেষ্টনি ছিল। ভেতরে যখন মুসল্লিরা নামাজ পড়ছিল তখন কিছু মুসল্লি মিছিল করছিল। জুতা স্যান্ডেল দেখাচ্ছিল। এতে অন্য মুসল্লিরা বাধা দেয়। এতে দুই দলের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এক পর্যায়ে যারা জুতা স্যান্ডেল দেখাচ্ছিল তারা মসজিদের ভেতরে অবস্থান নেয় এবং ভেতর থেকে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। অন্যান্য মুসল্লিরা ইটপাটকেলের আঘাতে আহত হয়। অনেকে আহত হয়ে চলে যায়। এমনকি পুলিশের ওপর তারা চড়াও হয়।

[৫] নুরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ আইনানুগভাবে তাদের প্রতিরোধ করতে, যাতে জানমালের ক্ষয়-ক্ষতি না হয় এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি না হয়, সেজন্য রাবার বুলেট, টিয়ার সেল ইত্যাদি ছুড়ে তাদের নিবৃত করার চেষ্টা করে। তবে সংঘর্ষে কতজন আহত হয়েছেন তা জানাতে পারেন নি তিনি।

[৬] তিনি বলেন, আন্দোলনকারীরা মসজিদকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে। আমরা যেহেতু সকলে মুসলিম এবং মুসলমানদের তীর্থস্থান এবং পবিত্র জায়গা হচ্ছে মসজিদ। আমরা মসজিদের পবিত্রতা রক্ষার্থে মসজিদের প্রবেশ করিনি। না হলে যে গুটি কয়েক মানুষ মসজিদের ভেতর থেকে ও মসজিদের ছাদ থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছিল, যদি এটা মসজিদ না হতো তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারতাম। আজকে যে পরিমাণ ইটপাটকেল করা হয়েছে তা কয়েক ট্রাক হবে। মসজিদের ভেতরে এতো ইট কীভাবে এলো সেটা তদন্ত করে দেখা হবে।

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত