শিরোনাম
◈ এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ ◈ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের পাল্টাপাল্টি সন্দেহ, নেপথ্যে কী? ◈ আলিম পরীক্ষার ফল জানবেন যেভাবে ◈ ফুটবল বিশ্বকা‌পের টিকিট বিক্রি থেকেই ৪৮ হাজার কোটি টাকা আয় ফিফার ◈ ইরানের সঙ্গে বড় যুদ্ধের শঙ্কা, গণকবরের প্রস্তুতি মার্কিন বাহিনীর ◈ সৌদি আরবে যৌথভাবে সার কারখানা গড়বে বাংলাদেশ ◈ প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বিশ্বজুড়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে, শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি! ◈ তাহসিফের মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড়, ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর ◈ হাতিয়ায় হত্যা মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ছিনিয়ে নিলেন স্বজনেরা

প্রকাশিত : ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৬:০১ সকাল
আপডেট : ২৬ মার্চ, ২০২১, ০৬:৩৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অনলাইনে পরিচয়, কোটি টাকা ধার দিয়ে প্রবাসীর আত্মহত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট : গত ১০ মার্চ সকাল এগারোটায় দেশটির তেতে প্রদেশে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিজানুর। তাকে মোজাম্বিকে দাফন করা হয়েছে। নিহত মিজানুর চট্টগ্রামের বাঁশখালি উপজেলার পূর্ব কাহারঘোনার হাজি সিদ্দীক আহমেদের ছেলে। তিনি আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকে থাকতেন।

মোজাম্বিক থেকে মিজানুরের বড় ভাই মুহাম্মদ ওমর কাজী বলেন, আমরা চার ভাই মোজাম্বিকের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসা করি। ২০১৪ সালে ছোট ভাই মিজানকে মোজাম্বিকে আনি। এরপর থেকে ব্যবসার হিসাব-নিকাশ, টাকা-পয়সা মিজানের কাছে ছিল। তাকে আমরা সবাই আদর করতাম। টাকা গেছে সেটা বিষয় না। কিন্তু ভাই হারানোর বেদনা সহ্য করা যায় না। ঢাকা পোষ্ট

ভাইদের অভিযোগ, লাইকি অ্যাপের সূত্রে চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকার কলেজছাত্রী ফৌজিয়া আনোয়ারের (২২) সঙ্গে মিজানুরের পরিচয়। এরপর পতেঙ্গার পার্লার ব্যবসায়ী ঐশী মির্জার (২১) সঙ্গেও অনলাইনে সম্পর্ক গড়ে ওঠে মিজানুরের। বিকাশ ও ব্যাংকের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ফৌজিয়া ও ঐশীকে টাকা ধার দেন মিজান। কিন্তু টাকা ফেরত চাইলে সম্পর্কের অবনতি হয়। এ ঘটনায় ঐশীকে লাইকিতে লাইভে রেখে কীটনাশক (ইঁদুরের বিষ) খান মিজানুর। মোজাম্বিকের একটি হাসপাতালে নেওয়ার দশ মিনিট পর মৃত্যু হয় মিজানুরের।

এ বিষয়ে ঐশী মির্জার মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফৌজিয়া আনোয়ারের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেন। পরে এ বিষয়ে কিছু বলতে হলে আদালতে বলবেন বলে জানান।

মিজানুরের ভাই ওমর কাজী বলেন, কী পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়েছে এখনই সঠিক বলতে পারছি না। টাকার পরিমাণ নিশ্চিত হতে মোজাম্বিক পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে ব্যাংক হিসাব তদন্ত করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ টাকা মিজানুর ধার দিয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত দুই তরুণীকে আইনের আওতায় আনতে বাংলাদেশ ও মোজাম্বিক থেকে কাজ চলছে বলে জানান ওমর। মিজানুরের মোবাইল ফোন ইতোমধ্যে বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে।

  • সর্বশেষ