প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একপায়ের শটে মাঠ ফাঁকা করে দেবো: মমতা

ডেস্ক রিপোর্ট : বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলেই এনআরসি, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) চালু হবে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের গোসাবায় ভোট প্রচারে এসে এ কথা বলে গেলেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশি শরণার্থী নির্ধারণ করতে পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করা হবে। ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখে এনআরসি-সিএএর কথা শুনে সুন্দরবনের শরণার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।

এদিকে পুরুলিয়ার কাশীপুরে জনসভায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, আদিবাসীদের জমি ও জঙ্গলের অধিকার কাউকে কাড়তে দেব না। বিজেপির উদ্দেশে তিনি বলেন, ওরা মেয়েদের কোনো সম্মান দেয় না। বিজেপি গাদ্দারের দল, দ’স্যুদের দল। এদের একটাও কেউ ভোট দেবেন না।

তিনি বলেন, ওরা ভেবেছিল আমি একপায়ে চলতে পারব না। একপায়ের শটে গোটা মাঠ ফাঁকা করে দেবো। দলের নেতাকর্মীদের বলেন, আপনারা সজাগ থাকবেন বিজেপি যাতে কোনোভাবে ভোট চুরি করতে না পারে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার হলেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না মিঠুন চক্রবর্তী। কয়েক দিন আগে তিনি কলকাতার কাশিপুর-বেলগাছিয়া এলাকায় ভোটার হন। কিন্তু বিজেপির বাকি ১৩ আসনের প্রার্থী তালিকায়ও মিঠুনের নাম নেই।

তাই বলে যে তিনি পরবর্তী সময়ে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদে মুখ দিতে পারবেন না, এরকম ভাবার কোনো কারণ নেই।

ভারতীয় নির্বাচনী আইন অনুযায়ী এমএলএ না হয়েও যে কেউ মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে তাকে উপনির্বাচনে কোনো আসন থেকে জিতে আসতে হবে। ২০১১ সালে এমনটাই হয়েছিল মমতা ব্যানার্জির ক্ষেত্রে।

‘তিস্তা চুক্তির বাধা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ২০১১ সালে তৎকালীন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় তিস্তা চুক্তি সইয়ের বিষয়টি চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে তা আটকে যায়। সেই মমতাই এখনও বাধা হয়ে আছেন।

বুধবার (২৪ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ঢাকায় সফররত ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিং-এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, তিস্তা নিয়ে আমরা সব সময় আশায় বুক বেঁধে আছি, ইনশাহআল্লাহ কোনো একসময় তিস্তা চুক্তি হবে। তিস্তা খসড়া চুক্তির প্রতিটি পাতায় সই করা আছে। কিন্তু এখনও বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে সমাধান হয়নি। বাস্তবায়ন হয়নি। কেন হয়নি- কারণটা আপনারা জানেন, আমিও জানি।

ড. মোমেন জানান, ভুটানে আমরা কম মূল্যে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করবো। এছাড়া ভুটানের সঙ্গে সড়ক, আকাশ, নৌ, রেলপথে কানেক্টিভিটি বাড়াতে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি আরো জানান, ভুটানের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে ভিসার মেয়াদ এককালীন বাড়ানোর জন্য ভুটানের প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন। তার এই প্রস্তাবে আমরা সম্মতি দিয়েছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুটানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত একেএম শহীদুল করিম। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মঙ্গলবার তিনদিনের সফরে ঢাকায় আসেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং।
সূত্র- সময়এখন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত