শিরোনাম
◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন  ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে দুই লাখ টন ডিজেল কিনছে বিপিসি ◈ ইরানের বর্তমান শাসন পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ আয় করতে পারবে: লিন্ডসে গ্রাহাম ◈ জ্বালানি তেল নিয়ে জরুরি নির্দেশনা, সব ডিসি অফিসে চিঠি ◈ নতুন নেতাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানে বিশাল শোভাযাত্রা ◈ তেলের প্রধান ডিপোগুলোতে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ ◈ ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশের জন্য অসহনীয় বোঝা, কমনওয়েলথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী   ◈ সিঙ্গাপুর থেকে এলো ২৭ হাজার টন ডিজেল, চট্টগ্রামে খালাস শুরু ◈ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বিবেচনা থাকবে না: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২১, ১০:৩২ দুপুর
আপডেট : ০৪ মার্চ, ২০২১, ১০:৩২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] আমি শিক্ষামন্ত্রীর ষড়যন্ত্র ও রাজনীতির শিকার: উপাচার্য কলিমুল্লাহ

শরীফ শাওন: [২] বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) রিপোর্টের দায় শিক্ষামন্ত্রীর।

[৩] বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের দেশে দুর্নীতি নিয়ে যে সমস্যা সেটা হচ্ছে ধামাচাপা দেওয়ার একটা সংস্কৃতি আছে। শিক্ষামন্ত্রীর অফিস থেকে কয়েক পৃষ্ঠার খণ্ডিত অংশ নিয়ে লিক করা হয়েছে। এটা ন্যাক্কারজনক রাজনীতির একটা অপকৌশল। বাংলাদেশ প্রতিদিন

[৪] এর আগে ড. কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নিতির অভিযোগের তদন্ত করে ইউজিসি। মঙ্গলবার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি পাঠায় কমিশন।

[৫] দীর্ঘদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিতি, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত ও একজন ব্যক্তি একাধিক পদ ও প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ জানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

[৬] সূত্র মতে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ২০১৫ সালের ১৩ জানুয়ারি একনেক সভায় ৯৭ দশমিক ৫০ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছাত্রীদের আবাসনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নামে শেখ হাসিনা হল এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বামীর নামে ড. ওয়াজেদ রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের জন্য একটি স্বতন্ত্র ভবন নির্মাণের জন্য ৭৮ কোটি ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

[৭] অভিযোগ ওঠে, উপাচার্য হিসেবে যোগদানের পর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। উন্নয়ন কাজ তদারকিতে নির্বাচিত প্রকৌশলীকে দ্বিতীয় পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ভবনের মূল নকশা পরিবর্তন করে অস্বাস্থ্যকর ও অনিরাপদ ভবন নির্মাণের চেষ্টা, নির্মান ব্যায় দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো, মূল ডিপিপিতে পরামর্শক ফি না থাকলেও এ খাতে ৪০ লাখ টাকা ব্যায় এবং অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কার্যাদেশ প্রদান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়