শিরোনাম
◈ যৌন হয়রানির অপরা‌ধে ৫ বছর নিষিদ্ধ গায়ানা ফুটবল কর্মকর্তা ইয়ান আলভেস ◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা ◈ হরমুজে আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা প্রায় ২০০০! ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: বাণিজ্যমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৯:৩০ সকাল
আপডেট : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৯:৩০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সাতক্ষীরা সড়কে দাহ্য পর্দাথ প্রয়োগে সরকারি বড় বড় গাছ হত্যার অভিযোগ

ফরিদ আহমেদ:[২] জমির মালিকের খায়েশ মেটাতে পরিকল্পিতভাবে সড়কের গাছ হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বেতলার মোড় এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের অন্তত ২০টি গাছ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। গাছগুলোর অপরাধ তারা সরকারি সড়কে জন্ম নিয়ে ছায়া দিয়ে পরিবেশ সুরক্ষায় ভূমিকা রেখে আসছিল।

[৩] গাছ ঘাতকের নাম পরিচয় না পাওয়া গেলেও পাওয়া গেছে একটি মোবাইল ফোন নাম্বার। ফোন নাম্বারটি পাওয়া হত্যাকৃত গাছগুলো যে জমিতে ছায়া দান করেছিল সেই জমিতে স্থাপন করা একটি সাইনবোর্ডে। প্যানা ব্যানার ও টিনের সাইনবোর্ডে পৃথকভাবে লেখা হয়েছে -এই জায়গা ভাড়া দেওয়া হইবে।

[৩] সেখানে বালু দ্বারা ভরাট করা হয়েছে। সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া এলকার বেতলার মোড়ের পূর্বপাশে এই গাছ হত্যার দৃশ্যটি সবার চোখে পড়ে। একটি নয়, দুটি নয়, হত্যা করা হয়েছে বড় বড় ২০টি গাছ। অথচ সড়ক বিভাগ এ ব্যাপারে কিছুই জানেনা। জানেনা বনবিভাগও।

[৪] স্থানীয়রা জানান, সড়কের দুই পাশের গাছগুলো জীবন্ত। সাইনবোর্ড স্থাপনকৃত ওই জমির সড়ক সীমানার উত্তর-দক্ষিণ পাশের গাছগুলোও জীবন্ত। শুধু মেরে ফেলা হয়েছে জমির সীমানা সংলগ্ন সড়ক বিভাগের ২০টি বড় গাছ। কোন দাহ্য পদার্থ ছাড়া এভাবে একসাথে ২০টি গাছ মরতে পারেনা বলে জানান স্থানীয়রা।

[৫] স্থানীয়দের মতে, গাছগুলো হত্যা করে সেখানে কোন স্থাপনা নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন জমির মালিক। যে কারণে প্রায় দশ লক্ষ টাকা মূল্যের সরকারি গাছের জীবন দিতে হলো জমির মালিকের খায়েশ পূরণ করতে।এব্যাপারে জমির মালিক শেখ আফজাল হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, জায়গাটি ছিল খানা-খন্দে ভরা। ওই জায়গায় সাতক্ষীরা পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা ফেলা হতো। পরে বালু দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। সম্পাদনা:অনন্যা আফরিন

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়