শিরোনাম
◈ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ২ বিএসএফ সদস্য নিহত ◈ গ্রেস মার্ক ছাড়াই এসএসসি মূল্যায়ন, শেষ পর্যায়ে ফল তৈরির কাজ ◈ ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে দ্বিমুখী ধাক্কা ◈ শুক্রবারই পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ সৌদিতে ওমরাহর পথে প্রাইভেট কারে দুর্ঘটনা, নিহত একই পরিবারের ৩ জন ◈ পাঁচ মাসেই উত্থান থেকে পতন: জাসদ-ছাত্রলীগ থেকে জামায়াত, এক ভিডিওতেই সব শেষ গাজী নজরুলের ◈ বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ, মে মাসের পর আবারও ১০০ ডলার ছাড়াল ◈ নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন: পরীক্ষাগার ছেড়ে পালাল ‘এআই’, ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটে বিশ্ব! ◈ জুলাইয়ের ২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২.১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ◈ যে দুই কারণে আটকে আছে নতুন পে স্কেল

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাঞ্ছারামপুরে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মা-ছেলের ১০ বছরের কারাদণ্ড

এএইচ রাফি: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদেশে তাদের দুইজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের হাকিম সাবেরা সুলতানা খানম এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

[৩] মামলায় দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দির কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)। তবে রায় প্রদান কালে সুমন উপস্থিত থাকলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৪] আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পীডবোর্ড আটক করা হয়।

[৫] এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুইজন সহ মা- ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামীকে অভিযুক্ত করে। চার্টশিট প্রদান করা হয়। এরই মাঝে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদান কালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৬] অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

[৭] এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, 'এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিক ভাবে এই রায় প্রদান করেছেন'। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়