শিরোনাম
◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর ◈ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব ◈ ঢাকাসহ ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাঞ্ছারামপুরে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মা-ছেলের ১০ বছরের কারাদণ্ড

এএইচ রাফি: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদেশে তাদের দুইজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের হাকিম সাবেরা সুলতানা খানম এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

[৩] মামলায় দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দির কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)। তবে রায় প্রদান কালে সুমন উপস্থিত থাকলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৪] আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পীডবোর্ড আটক করা হয়।

[৫] এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুইজন সহ মা- ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামীকে অভিযুক্ত করে। চার্টশিট প্রদান করা হয়। এরই মাঝে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদান কালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৬] অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

[৭] এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, 'এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিক ভাবে এই রায় প্রদান করেছেন'। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়