শিরোনাম
◈ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৩৪৩০ জন নিয়োগের অনুমোদন ◈ সরকার গঠনের লড়াইয়ে বিপাকে নেতানিয়াহু, জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থি ইহুদি দলের ◈ এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় পেল বাংলাদেশ, জাতিসংঘের অনুমোদন ◈ আয়ারল‌্যা‌ন্ডের ডাবলিন বিমানবন্দরে সাঙ্গাকারাকে হেনস্থা, পরিবারকে হুমকি ◈ মাও' মন্ত‌ব্যে ক্ষমা চেয়েও রেহাই নেই এমবাপের, চীনে হোর্ডিং থেকে সরছে ছবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর ◈ লন্ডনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে হুলিয়া, ধরিয়ে দিলে ১০ হাজার পাউন্ড পুরস্কার ◈ সেন্টমার্টিন ভ্রমণে নতুন সিদ্ধান্ত, ১ নভেম্বর ওয়েবসাইট নিবন্ধন শুরু হলেও জাহাজ চলবে ৩-৪ নভেম্বর থেকে ◈ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মির্জা ফয়সল বিজয়ী ◈ সরকারি কর্মচারীদের বাসা সাবলেট বন্ধের নির্দেশ, ভাড়াটিয়া সরানোর শেষ সময় ৩১ অক্টোবর

প্রকাশিত : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল
আপডেট : ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাঞ্ছারামপুরে প্রায় ৫০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, মা-ছেলের ১০ বছরের কারাদণ্ড

এএইচ রাফি: [২] ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় প্রায় ৫০ হাজার পিছ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মা-ছেলেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদেশে তাদের দুইজনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন। বুধবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অতিরিক্ত দায়রা জজ ১ম আদালতের হাকিম সাবেরা সুলতানা খানম এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

[৩] মামলায় দণ্ড প্রাপ্তরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দির কালা মিয়ার স্ত্রী ঝরনা বেগম (৫৪) ও তার ছেলে সুমন (২৮)। তবে রায় প্রদান কালে সুমন উপস্থিত থাকলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৪] আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মরিচাকান্দিতে র‌্যাব-১৪ ভৈরব ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার পিস ইয়াবাসহ ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমনকে আটক করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেক অভিযানে মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত দুইটি স্পীডবোর্ড আটক করা হয়।

[৫] এ সময় পলাতক ফরিদ মিয়া ও সবুজ মিয়া নামের দুইজন সহ মা- ছেলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। উক্ত মামলায় সবুজ মিয়ার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে বাদ দিয়ে ৩ আসামীকে অভিযুক্ত করে। চার্টশিট প্রদান করা হয়। এরই মাঝে ঝরনা বেগম ও তার ছেলে সুমন ছেলে জামিনে বের হয়। বুধবার রায় প্রদান কালে ছেলে সুমন মিয়া উপস্থিত হলেও মা ঝরনা বেগম পলাতক ছিলেন।

[৬] অপর আসামি ফরিদ মিয়াকে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় বেকসুর খালাস প্রদান করে আদালত।

[৭] এ মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ হোসেন বলেন, 'এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষ মনে করে রায়ে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞ বিচারক সঠিক ও যৌক্তিক ভাবে এই রায় প্রদান করেছেন'। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ