শিরোনাম
◈ বিএনপির সরকারকে ইতিবাচকভাবে দেখছে ভারত, তবে কৌশলগত উদ্বেগ চীনকে ঘিরে ◈ প্রশাসককে সঙ্গে নিয়ে রাতের ঢাকায় পরিচ্ছন্নতা ও নগরসেবা ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ জিয়াউর রহমানের নামে কোনো ব্যবসা হতে দেবো না: নাহিদ ইসলাম (ভিডিও) ◈ এনআইডি সংশোধনসহ বিভিন্ন সেবার ফি বাড়াল ইসি ◈ বিশ্বকাপ চলাকালীন আর্জেন্টিনাবিরোধী প্রচারণায় টাকা খরচ ক‌রে‌ছে ব্রাজিলসহ ৩ দেশ: রাস্ট্রপ‌তি হাভিয়ের মিলেই ◈ প্রশাসনে বড় রদবদল, সচিবালয়ে নতুন মুখের অপেক্ষা ◈ সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে ‘মোদির পদত্যাগপত্র’, যা জানা যাচ্ছে ◈ রাবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর: জিএস আম্মারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ◈ খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক ফলপ্রসূ, ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’র কথা জানালেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর ◈ টেকসই কৃষি-সবুজ শিল্পে ঋণ কমেছে, বেড়েছে টেকসই অর্থায়ন

প্রকাশিত : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:২২ দুপুর
আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:২২ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ’এর হত্যার অভিযোগ তদন্ত ও বিচার করতে বললো হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

লিহান লিমা: [২] আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এইচআরডব্লিউ এর মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারত সরকারের বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের নির্যাতনের নতুন অভিযোগের ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। এইচআরডব্লিউওয়েব

[২]সংস্থাটি জানায়, ১০ বছর আগে এইচআরডব্লিউয়ের ‘ট্রিগার হ্যাপি’ প্রতিবেদন প্রকাশের পর ভারত সরকার বিএসএফকে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারকারীদের বিরুদ্ধে কিছুটা নমনীয় হতে এবং প্রাণঘাতি গুলির পরিবর্তে রাবার বুলেট ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছিল।২০২০ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার সময় ভারত সীমান্ত হত্যা বন্ধের আশ্বাসও দিয়েছিল।

[৩]তবে ভারতীয় এবং বাংলাদেশের বেসরকারি সংস্থাগুলোর বরাত দিয়ে এইচআরডব্লিউ বলছে, দুই দেশের সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের ওপর বিএসএফ এখনো নিপীড়ন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন এবং দুর্ব্যবহার অব্যাহত রেখেছে।

[৪]বেসরকারি সংস্থা ‘অধিকার’ এর প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, গত ১০ বছরে বিএসএফ ৩৩৪ জন বাংলাদেশিকে হত্যা করেছে। এর মধ্যে ৫১ জনকেই হত্যা করা হয়েছে ২০২০ সালে।

[৫]এইচআরডব্লিউ’র দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক পরিচালক মিনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, ‘বিএসএফকে দেয়া ভারত সরকারের গুলি ব্যবহারে নমনীয়তা প্রদর্শনের নির্দেশ কোনো কাজে আসে নি। নতুন করে হত্যা ও চরম নির্যাতন বন্ধ হয় নি।’ গাঙ্গুলি অভিযোগ করেন, ‘সরকার নিরাপত্তা বাহিনীকে জবাবদিহি করতে না পারার কারণেই দরিদ্র ও অসহায় জনগোষ্ঠীর ওপর নির্যাতন ও নিপীড়ন অব্যাহত রয়েছে।’

[৬] এইচআরডব্লিউ জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হত্যকাণ্ডে বিএসএফএর কোনো সদস্যকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয় নি। এমনকি বহুল আলোচিত কিশোরী ফেলানি হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত কনস্টেবলকে বিশেষ আদালতে দুই দফা বিচারের পর খালাস দেয়া হয়েছে। বিচারও ভারতের সুপ্রিমকোর্টে ঝুলে রয়েছে। এ মামলায় নতুন করে বিচারের আবেদনটি এখন ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ঝুলে আছে।

[৭]এইচআরডব্লিউ বলেছে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহাওে জাতিসংঘের মূলনীতিগুলো ভারত সরকারের মেনে চলা উচিত। গাঙ্গুলি বলেন, ‘নিজেদের সীমান্ত রক্ষীদের হাতে বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যার সংস্কৃতি বন্ধে ভারত সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতিতে প্রতিশ্রুতবদ্ধ হতে হবে। অপরাধী সদস্যকে বিচারের আওতায় এনে ভারত এই অঞ্চলে আইনের প্রতি নিজেদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধতা দেখাতে পারে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়