শিরোনাম
◈ সুখবর পেলেন দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় ২০ প্রার্থী, কোন দলের কত জন? ◈ সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে আসামি ধরতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব কর্মকর্তা নিহত, আহত ৪ ◈ উইজডেনের বর্ষসেরা টি-টোয়েন্টি একাদ‌শে মুস্তাফিজ ◈ ভিডিও বার্তায় ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইলেন প্রধান উপদেষ্টা, ব্যাখ্যা করলেন কারণ ◈ উড়‌তে থাকা বার্সেলোনা‌কে মা‌টি‌তে নামা‌লো রিয়াল সোসিয়েদাদ ◈ 'হ্যাঁ'র পক্ষে প্রচার চালানো সরকারি কর্মচারীদের নৈতিক দায়িত্বও বটে : আলী রীয়াজ ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যমুনায় বৈঠকে এনসিপি নেতা নাহিদ ও আসিফ ◈ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভিডিও-বার্তা দেবেন প্রধান উপদেষ্টা  ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব ◈ ঠিকানা খুঁজে না পাওয়ায় ফেরত এসেছে সাড়ে ৫ হাজার পোস্টাল ব্যালট

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:৪৩ সকাল
আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] উপমহাদেশ আজ আদর্শগত বিভ্রান্তির শিকার, এ থেকে উত্তরণে বঙ্গবন্ধুর পথনির্দেশনার প্রয়োজন: অমর্ত্য সেন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] বঙ্গবন্ধুকে আমাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিলো, কিন্তু তার পরিচ্ছন্ন চিন্তা কেউ আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না।

[৩] পশ্চিমবঙ্গের প্রথমসারির বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারে লেখা এক প্রবন্ধে এ কথা বলেন নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবীদ। অমর্ত্য লিখেছেন, ‘তিনি শুধু বাংলার বন্ধু ছিলেন না, তাঁর ভূমিকা ছিল আরও অনেক বড়, এবং অতুলনীয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশের মহান রাজনৈতিক নায়ক, বাংলার সবচেয়ে সমাদৃত মানুষ, স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার। বাংলাদেশের জনজীবনে তাঁর প্রভাব আজও বিপুল। তাঁকে বাংলাদেশের জনক বা বঙ্গবন্ধু বলাটা নিতান্তই কম বলা। তিনি যে এর চেয়ে বড় কোনও অভিধা চাননি, সেটা তাঁর সম্পর্কে আমাদের একটা সত্য জানায়— তিনি নাম কিনতে চাননি, মানুষ তাঁকে অন্তর থেকে ভালবাসত।’

[৪]অমর্ত্য মনে করেন, বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষ চিন্তা এখনও প্রাসঙ্গিক। ভারত যদি নিজেদের এই চরিত্র ধরে রাখতে চায়, অবশ্যই বঙ্গবন্ধুর কাছ থেকে শিখতে হবে। ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নে বাংলাদেশ অনেক উত্থানপতনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তিনি কেমন বাংলাদেশ চান, বঙ্গবন্ধু সে কথা পরিষ্কার করে বলেছিলেন। তাই আমরা খুব সহজেই ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাপারে তার অবস্থানটা বুঝে নিতে পারি।

[৫] ধর্মনিরপেক্ষতাকে ধর্ম-বিরোধিতা হিসেবে দেখবার চিন্তাধারাকে বঙ্গবন্ধু বিশেষ মূল্য দেননি। ধর্মীয় আচারকে এড়িয়ে চলার বা ‘ধর্মনিরপেক্ষ হওয়ার’ তাগিদে ধর্মাচরণের স্বক্ষমতাকে অস্বীকার করার কোনও প্রয়োজন তিনি বোধ করেননি।

[৬] রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মকে ব্যবহার না করার যে নীতিতে বঙ্গবন্ধু জোর দিয়েছিলেন, তা অতি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু বাংলা নয়, গোটা বিশ্বের পক্ষেই। বঙ্গবন্ধুকে তাই ‘বিশ্ববন্ধু’ হিসেবেও আমরা সম্মান জানাতে পারি।

[৭] শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক নেতারা শেখ মুজিবের ভাষা বিষয়ক চিন্তাভাবনার প্রতি মনোযোগী হলে এবং মাতৃভাষার প্রতি লোকের মমতা ও শ্রদ্ধাকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন স্বীকার করলে হয়তো সে দেশের যুদ্ধ এবং বিপুল রক্তক্ষয় অনেকটাই কম হতে পারত। ভাষা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সামাজিক বিশ্লেষণের যে প্রজ্ঞা, তার গুরুত্ব বাংলার সীমা ছাড়িয়ে বহু দূরে প্রসারিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়