শিরোনাম
◈ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রভাব পাকিস্তান ক্রিকেট লিগে প‌ড়ে‌ছে ◈ যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানে হামলা করলে ভারতের দিল্লি-মুম্বাই গুঁড়িয়ে দেবে ইসলামাবাদ! ◈ জ্বালানি ঘাটতি ও নিরাপত্তা সংকটে দেশের পেট্রোল পাম্প বন্ধের শঙ্কা, মালিকদের সতর্কবার্তা ◈ যৌ.ন আকাঙ্ক্ষা বাড়াতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি: সমাধান নাকি লাভজনক ব্যবসা? ◈ ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে অর্থনীতির বড় ধাক্কা, ঝুঁকির তালিকায় শীর্ষে কারা ◈ শিশুসহ ৩৩ বাংলাদেশি বিভিন্ন মেয়াদে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন ◈ এবার বিশ্বনেতাদের কাছে ইরানকে রুখতে যে আহ্বান জানালেন নেতানিয়াহু ◈ ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শেষ করার জন্য অবশেষে যে পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে তুরস্ক ◈ কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে গোলাগুলি; গুলিবিদ্ধ ৪ ◈ ১৫ বছর বয়‌সে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করে ইতিহাস!

প্রকাশিত : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫২ সকাল
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৭:৫২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধ্বংসের ঝুঁকিতে থাকা উদ্ভিদ, প্রাণী ও পরিবেশের সুরক্ষায় পাল্টাতে হবে বৈশ্বিক খাদ্যাভাসের পদ্ধতি

লিহান লিমা: [২] বর্তমান বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থা প্রাণী ও প্রকৃতির জন্য ধ্বংস ডেকে আনছে। বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান খাদ্য ব্যবস্থার কারণে বিশ্বের ২৮ হাজার প্রজাতির ৮৬ শতাংশ বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

[৩]জাতিসংঘের পরিবেশ প্রকল্প (ইউএনইপি), ব্রিটিশ থিংক-ট্যাংক চাত্তাম হাউস ও প্রাণী সুরক্ষা সংস্থা ‘কমপ্যাশন ইন ওয়ার্ল্ড ফার্মিং’ যৌথভাবে এই প্রতিবেদন তৈরি করে। সংস্থাগুলো জানায়, গত এক কোটি বছরের ইতিহাসের চেয়ে দ্রতগতিতে উদ্ভিদ ও প্রাণী হ্রাস পাচ্ছে। ১৯৭০ সালের পর বিশ্ব তার প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রের অর্ধেক হারিয়েছে ও বন্যপ্রাণীর গড় হার ৬৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মানুষ শস্যক্ষেত ও চারণভূমি সৃষ্টির জন্য প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রকে ধ্বংস করছে।

[৪] বর্তমান বৈশ্বিক খাদ্য ব্যবস্থা ৩০ শতাংশ গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণের জন্য দায়ী। ভূমিকার সুরক্ষা, কম কীটনাশক ব্যবহার করে চাষ, মনোকালচার পদ্ধতি এবং মাংস থেকে সরে উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যাভাসে ফিরে যাওয়ার মাধ্যমে বিশ্বনেতারা বন্যপ্রাণী ও বিশ্বের এই ক্ষতি রোধ করতে পাারেন।

[৫]প্রতিবেদনের লেখকরা বলেন, তিনটি উপায় রয়েছে। প্রথমটি হলো, মাংস থেকে সরে গিয়ে উদ্ভিদ ভিত্তিক খাদ্যাভাসে ফিরে যাওয়া। কারণ বিশ্বের মোট কৃষিজমির ৮০ শতাংশেরও বেশি প্রাণী খামারে ব্যবহৃত হয়, যা কিনা মোট খাদ্যের মাত্র ১৮ শতাংশ ক্যালরি দেয়। মাংসের প্রতি চাহিদা হ্রাসের ফলে ভূমির ওপর চাপ রোধ সহ প্রাণীর ক্ষতি রোধ করা সম্ভব। এর ফলে দ্বিতীয় উপায় জীববৈচিত্র বৃদ্ধি করে প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনাটাও সহজ হয়ে যাবে। তৃতীয় উপায় হলো জৈব কৃষিচাষ পদ্ধতি। কমপ্যাশন ফর ওয়ার্ল্ড ফার্মিংয়ের ফিলিপ সিডনি বলেন, ‘ভবিষ্যত চাষ পদ্ধতি হতে হবে পরিবেশ-সুুলভ ও পুনরুৎপাদনশীল। আমাদের খাদ্যাভাস হতে হবে উদ্ভিজ-নির্ভর, স্বাস্থ্যকর ও স্থিতিশীল।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়