শিরোনাম
◈ প্রটোকল ভেঙে ৬ কিলোমিটার হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, জনতার কাতারে ‘সার্বভৌমত্ব’ র‌্যালি  ◈ সি‌লেট টে‌স্টে তাও‌হিদ হৃদয়ের মহাকাব্যিক ইনিংসে লিড পে‌লো বাংলাদেশ ◈ সামিটের এলএনজি টার্মিনালে গ্যাস সরবরাহ শুরু, স্বাভাবিক হচ্ছে জাতীয় গ্রিডের কার্যক্রম ◈ ক্রেতা সংকটে আবাসন ব্যবসা, এক বছরে ফ্ল্যাট বিক্রি কমেছে ৩৫ শতাংশ (ভিডিও) ◈ সৌদি আরবে মদিনা-জেদ্দা সড়কে ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নারী-শিশুসহ ৭ বাংলাদেশি নিহত ◈ মুশফিকের রেকর্ড ভেঙে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে সর্বোচ্চ ইনিংস তাওহিদ হৃদয়ের ◈ দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের জবাব ঐক্যবদ্ধভাবেই দেওয়া হবে: তারেক রহমান ◈ কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়ি কেটে ৬৩ কোটি টাকার সড়ক, পরিবেশ বিপর্যয়ের শঙ্ক ◈ গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়াল সরকার, সর্বোচ্চ ১১ হাজার টাকা ও ১৫০ টাকা মোবাইল ভাতা ঘোষণা ◈ বাংলাদেশের বিদেশি ঋণ ১১ হাজার ৩৪৩ কোটি ডলার, ১০ বছরে বেড়েছে তিন গুণ: বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নাটোরের সিংড়ায় নকল স্বর্ণের মূর্তি প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোর প্রতিনিধি: [২] নাটোর জেলার সিংড়া থানাধীন পিপুলসন গুচ্ছ গ্রাম হতে নকল মূর্তি ক্রয় -বিক্রয় প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২।

[৩] মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারী) তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার, সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজের নেতৃত্বে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দলটি তাদের গ্রেপ্তার করে।

[৪] এসময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৭টি নকল মূর্তি, স্বাক্ষরকৃত স্ট্যাম্প, ৩টি চাকু, ১টি চাপাতি এবং ১ টাকা মূল্যের ৪৭০টি কয়েন উদ্ধার করা হয়।

[৫] গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। মোঃ শাহীন আলী (৩৩), পিতা-মৃত রুস্তম সরকার, ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ জোরাব, ৩। মোছাঃ সুফিয়া বেগম (৫২), স্বামীঃ মান্নান সরকার, সর্ব সাং-পিপুল সন, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোর।

[৬] গ্রেফতারকৃত অসামীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদেরকে উক্ত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

[৭] উল্লেখ্য, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ মানুষকে ব্রোঞ্জের মূর্তিকে স্বর্ণের মূর্তি বলে প্রলুদ্ধ করতো। তারা ব্রোঞ্জের মূর্তির নিদিষ্ট অংশে সামান্য স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে সেই অংশ ভেঙে প্রতারিত ব্যাক্তিকে তা পরীক্ষা করার জন্য দিত। এ পর্যায়ে প্রতারিত ব্যক্তি সম্পূর্ণভাবে প্রতারকের ফাঁদে পা দিত এবং প্রতারিত ব্যক্তি মোটা অংকের টাকা নিয়ে যখন প্রতারকের বাসায় স্বর্ণের মূর্তি কিনতে যেত তখন প্রতারকগণ প্রতারিত ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে রাখতো এবং টাকা আত্মসাৎ করে ছেড়ে দিত। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ