শিরোনাম
◈ কোনো দেশের মুখাপেক্ষী নয়, সমমর্যাদার অংশীদার হতে চায় বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ দিল্লিতে সিজেপি নেতাদের আটক, আগেই আন্দোলনের পরবর্তী নেতৃত্ব ঠিক করে রেখেছিলেন প্রতিষ্ঠাতা ◈ মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় যৌথ চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হিরা ◈ শেখ হাসিনার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়, তিনি দেশে ফিরতে চান: জি এম কাদের (ভিডিও) ◈ মানববর্জ্য ও কৃষিজ বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদন, গবেষকদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ◈ ‘ভোট চুরির প্রমাণ চেয়েছেন রাষ্ট্রপতি, আমাদের কাছে তা আছে’: রাহুল গান্ধী ◈ খুলনার চার থানায় বিশেষ অভিযান, পুলিশ সদস্যদের একা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ◈ দিল্লিতে ধর্না থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক, কারণ জানাল পুলিশ ◈ ২০২৭ সালের হজ মিশন ভিসা পেতে ২৭০ এজেন্সিকে জরুরি নির্দেশ, তথ্য জমার শেষ সময় রোববার ◈ চুরির অপরাধে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নাটোরের সিংড়ায় নকল স্বর্ণের মূর্তি প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোর প্রতিনিধি: [২] নাটোর জেলার সিংড়া থানাধীন পিপুলসন গুচ্ছ গ্রাম হতে নকল মূর্তি ক্রয় -বিক্রয় প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২।

[৩] মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারী) তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার, সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজের নেতৃত্বে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দলটি তাদের গ্রেপ্তার করে।

[৪] এসময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৭টি নকল মূর্তি, স্বাক্ষরকৃত স্ট্যাম্প, ৩টি চাকু, ১টি চাপাতি এবং ১ টাকা মূল্যের ৪৭০টি কয়েন উদ্ধার করা হয়।

[৫] গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। মোঃ শাহীন আলী (৩৩), পিতা-মৃত রুস্তম সরকার, ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ জোরাব, ৩। মোছাঃ সুফিয়া বেগম (৫২), স্বামীঃ মান্নান সরকার, সর্ব সাং-পিপুল সন, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোর।

[৬] গ্রেফতারকৃত অসামীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদেরকে উক্ত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

[৭] উল্লেখ্য, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ মানুষকে ব্রোঞ্জের মূর্তিকে স্বর্ণের মূর্তি বলে প্রলুদ্ধ করতো। তারা ব্রোঞ্জের মূর্তির নিদিষ্ট অংশে সামান্য স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে সেই অংশ ভেঙে প্রতারিত ব্যাক্তিকে তা পরীক্ষা করার জন্য দিত। এ পর্যায়ে প্রতারিত ব্যক্তি সম্পূর্ণভাবে প্রতারকের ফাঁদে পা দিত এবং প্রতারিত ব্যক্তি মোটা অংকের টাকা নিয়ে যখন প্রতারকের বাসায় স্বর্ণের মূর্তি কিনতে যেত তখন প্রতারকগণ প্রতারিত ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে রাখতো এবং টাকা আত্মসাৎ করে ছেড়ে দিত। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ