শিরোনাম
◈ প্রবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার আগে 'ওয়ার্নিং সিস্টেম' বন্ধ রেখেছিল সৌদি আরব, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা অভিযোগ, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা কাগজে সীমাবদ্ধ না রাখার তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী ◈ অন্ধকারেও সীমান্তে নজরদারি বাড়াচ্ছে বিজিবি, ব্যবহৃত হচ্ছে থার্মাল ও নাইট ভিশন প্রযুক্তি ◈ ভোলায় এক নারীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতার আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি ◈ ৬ লাখ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও সংকটের অন্তরালে: যেভাবে ডুবল ব্যাংক খাত

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ০৮:২৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নাটোরের সিংড়ায় নকল স্বর্ণের মূর্তি প্রতারক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোর প্রতিনিধি: [২] নাটোর জেলার সিংড়া থানাধীন পিপুলসন গুচ্ছ গ্রাম হতে নকল মূর্তি ক্রয় -বিক্রয় প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১২।

[৩] মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারী) তারিখ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্পেশাল কোম্পানীর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার, সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজের নেতৃত্বে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দলটি তাদের গ্রেপ্তার করে।

[৪] এসময় তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৭টি নকল মূর্তি, স্বাক্ষরকৃত স্ট্যাম্প, ৩টি চাকু, ১টি চাপাতি এবং ১ টাকা মূল্যের ৪৭০টি কয়েন উদ্ধার করা হয়।

[৫] গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১। মোঃ শাহীন আলী (৩৩), পিতা-মৃত রুস্তম সরকার, ২। মোঃ রাশেদুল ইসলাম (২৬), পিতা- মোঃ জোরাব, ৩। মোছাঃ সুফিয়া বেগম (৫২), স্বামীঃ মান্নান সরকার, সর্ব সাং-পিপুল সন, থানা-সিংড়া, জেলা-নাটোর।

[৬] গ্রেফতারকৃত অসামীদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানায় মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদেরকে উক্ত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

[৭] উল্লেখ্য, এই সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ সাধারণ মানুষকে ব্রোঞ্জের মূর্তিকে স্বর্ণের মূর্তি বলে প্রলুদ্ধ করতো। তারা ব্রোঞ্জের মূর্তির নিদিষ্ট অংশে সামান্য স্বর্ণের প্রলেপ দিয়ে সেই অংশ ভেঙে প্রতারিত ব্যাক্তিকে তা পরীক্ষা করার জন্য দিত। এ পর্যায়ে প্রতারিত ব্যক্তি সম্পূর্ণভাবে প্রতারকের ফাঁদে পা দিত এবং প্রতারিত ব্যক্তি মোটা অংকের টাকা নিয়ে যখন প্রতারকের বাসায় স্বর্ণের মূর্তি কিনতে যেত তখন প্রতারকগণ প্রতারিত ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে রাখতো এবং টাকা আত্মসাৎ করে ছেড়ে দিত। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ