প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনার নতুন ধরন নিয়ে বরিসের শঙ্কা
বাইডেনের শপথে অংশ নেওয়া ২০০ নিরাপত্তারক্ষী করোনায় আক্রান্ত

ডেস্ক রিপোর্ট : বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা হয়েছে ২১ লাখ ১৯ হাজার এবং আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯ কোটি ৮৯ লাখে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের শপথের দিন ন্যাশনাল গার্ডের দেড়শ’ থেকে ২০০ সদস্যের দেহে করোনা পজিটিভ ধরা পড়েছে। সূত্র : রয়টার্স।

গত ৬ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট ভবনে সহিংসতার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাইডেনের শপথ গ্রহণে যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন নিরাপত্তা জারি ছিল। ক্যাপিটল ভবনে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের হামলার ঘটনায় এক নিরাপত্তা সদস্যসহ ৫ জন নিহত হয়। সে কারণেই বাইডেনের শপথে যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে সেদিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ন্যাশনাল গার্ডে করোনায় আক্রান্ত সদস্যের সংখ্যা বাড়তে পারে। গত কয়েকদিনে রাজধানী ওয়াশিংটনে ২৫ হাজারের বেশি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ছিল। ন্যাশনাল গার্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা সেন্টার্স ফর ডিজেজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের নির্দেশনা অনুসরণ করছে। এর আওতায় প্রতিদিন তারা যখন বাড়ি থেকে বের হচ্ছে এবং বিভিন্ন শহরে যাচ্ছে তখন তাদের দেহের তাপমাত্রা মাপা হয় এবং অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

আগামী ৫ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই প্রায় ১৫ হাজার নিরাপত্তা সদস্য ওয়াশিংটন ছাড়বেন বলে জানানো হয়েছে। এছাড়া চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত ন্যাশনাল গার্ডের প্রায় ৭০ হাজার সদস্য ওয়াশিংটনেই অবস্থান করবেন।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে আক্রান্ত ও মৃত্যু লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছেই। বৃহস্পতিবার দেশটিতে দ্বিতীয় দিনের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়ে দৈনিক ৪ হাজারের বেশি মৃত্যু হয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে ওই দিন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৫৩ লাখ ৯০ হাজার ৪২। এর মধ্যে মারা যায় ৪ লাখ ২৪ হাজার ১৭৭ জন।

ব্রিটেনের করোনার নতুন ধরন অনেক বেশি প্রাণঘাতী : ব্রিটেনে সন্ধান মেলা করোনাভাইরাসের নতুন ধরন নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে আরও আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি গতকাল বলেছেন, আপাতত গবেষণায় যতটুকু দেখা গেছে, তা থেকে মনে করা হচ্ছে- এই নতুন ধরন করোনার আগের ধরনের থেকে অনেক বেশি প্রাণঘাতী। সূত্র : বিবিসি। তিনি আরও জানান, কেবল দ্রুত ছড়ানোই নয়, তার পাশাপাশি লন্ডন ও দক্ষিণ-পূর্ব ব্রিটেনে প্রথম দেখা মেলা এই ধরন থেকে মৃত্যুর হারও বেশি। এ ব্যাপারে বেশ কিছু প্রমাণ মিলেছে। নিউ অ্যান্ড এমার্জিং রেসপিরেটরি ভাইরাস থ্রেটস অ্যাডভাইসরি গ্রুপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ কথা জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। খবরে বলা হয়, এই প্রথম নতুন ধরন নিয়ে এমন দাবি করা হলো। এই ‘বহুরূপী’ ধরন যে অনেক তাড়াতাড়ি ছড়ায়, সেটা এরই মধ্যে প্রমাণিত। কিন্তু তা যে আরও বেশি বিপজ্জনক, এমন কথা এর আগে শোনা যায়নি। বরং মনে করা হচ্ছিল, তুলনামূলকভাবে এই ধরনের আক্রান্তদের মৃত্যুর সম্ভাবনা খানিকটা কমই। এমন কী, গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনাও কম। সেই ধারণার উল্টো কথা জানিয়েছেন বরিস জনসন। এদিকে ব্রিটেনে অব্যাহত করোনা আতঙ্কে গত সোমবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দেশটির সমস্ত সীমান্ত। যে করেই হোক নতুন ধরনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া বরিস প্রশাসন। কেবল ব্রিটেনের নিজস্ব ধরনই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার এক করোনা ধরন ও সংক্রমণ ছড়াচ্ছে সেদেশে। -বিডি প্রতিদিন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত