শিরোনাম
◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত ◈ অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানবান্ধব বাজেট দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকারি-বিরোধী সব সংসদ সদস্যের এলাকায় সমান উন্নয়ন হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ১৮ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৩৭ সকাল
আপডেট : ১৮ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৩৭ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিরাজগঞ্জের সেই কাউন্সিলরের মিছিল করা ঠিক হয়নি, বললেন ইসি সচিব

ডেস্ক রিপোর্ট : বিজয়ী কাউন্সিলর হত্যা ও গাইবান্ধায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর বলেছেন, নির্বাচনের সুনাম ক্ষুণœ করতে অপশক্তি এগুলো করে।

নির্বাচন ভবনে রোববার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এসব কথা বলেন। নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

উল্লে­খ্য, সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ডালিম প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থী তরিকুল ইসলামকে শনিবার হত্যা করা হয়। গাইবান্ধা পৌরসভার পূর্ব কোমরনই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট গণনা নিয়ে উত্তেজিত জনতার সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি গাড়িতে আগুন ধরানোসহ ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি ভাংচুর করা হয়।

এসব ঘটনা প্রসঙ্গে ইসির সিনিয়র সচিব বলেন, আচরণবিধি অনুযায়ী বিজয় মিছিল বের করা যাবে না। মিছিল করা ঠিক হয়নি। আর হত্যাকারীরা জঘন্য অপরাধ করেছে। এর কোনোটাই কাম্য নয়। ঘটনার তদন্ত হচ্ছে। রিপোর্ট এলে বলা যাবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটল। নির্বাচনপরবর্তী বিজয় মিছিল যেন না হয় তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে বলা হয়েছে।

কাউন্সিলর হত্যার দায় কার- এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, মিছিল যারা বের করেছেন, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে করেননি। আমি যদি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে না জানিয়ে রাত ১টায় যেখানে ছিনতাই হয় সেখানে টাকা-পয়সা নিয়ে ঘোরাফেরা করি, তাহলে তো ছিনতাই হবেই। এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কীভাবে কী করবে?

তিনি বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্ব নাগরিকের নিজেরও। প্রথম দায়িত্ব নিজের। শঙ্কা বোধ করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। তারা কিছু না করলে তখন তাদের দোষ দেওয়া যায়।

ইসির সচিব বলেন, ভোটে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়। ঘরে ঘরে গিয়ে নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। তবে কেউ চাইলে তাকে নিরাপত্তা দেওয়া হবে। পরাজয় মেনে হিংসার মানসিকতা পরিত্যাগ করতে হবে।
সূত্র- যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়