শিরোনাম
◈ পাঁচ সিটিতে এনসিপির প্রার্থী হলেন যারা ◈ ইরানের হামলায় দাউ দাউ করে জ্বলছে ইসরাইলি শিল্পাঞ্চল ◈ বিসিবিতে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত হ‌বে: সংস‌দে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ◈ হামে শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুই মন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ দীর্ঘ ছু‌টি কা‌টি‌য়ে দেশে ফিরেই মিরপুরে হাজির বি‌সি‌বি সভাপ‌তি বুলবুল ◈ পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের দাপট, বিশ্বসেরার তালিকায় ৫২ কারখানা ◈ গত ৮ বছর দেশে হামের কোনো টিকা দেওয়াই হয়নি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটে ৪০ শয্যার আইসিইউ দ্রুত চালুর নির্দেশ ◈ রাতেই ১৩৩ অধ্যাদেশে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

প্রকাশিত : ০৫ জানুয়ারী, ২০২১, ০২:৫৮ রাত
আপডেট : ০৫ জানুয়ারী, ২০২১, ০২:৫৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ড. আরমান রহমান: ভ্যাকসিন জাতীয়তাবাদ এবং ইন্ডিয়া

ড. আরমান রহমান: এক বিলিয়ন অক্সফোর্ড-এস্ট্রাজেনেকা ভ্যাক্সিন নিম্নআয়ের দেশকে দেয়ার জন্যে কোভ্যাক্স উদ্যোগ ইন্ডিয়ার সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছিল। কিন্তু গতকাল ভারত সরকার জানিয়ে দিয়েছে তারা ভ্যাকসিন রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করছে, এই ভ্যাকসিন তারা এখন আগে নিজেদের দেশে ব্যবহার করবে, এর পরে চুক্তি মোতাবেক অন্যান্য দেশে পাঠাবে।

এই রপ্তানি চুক্তিটি হয়েছিল কোভ্যাক্সের সাথে, কোভ্যাক্স হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ যেটা সমন্বয় করছে ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, গাভি (GAVI), ভ্যাক্সিন এলায়েন্স) এবং সিপি (The Coalition for Epidemic Preparedness Innovations (CEPI). এই চুক্তির আওতায় যেই ভ্যাকসিন এখনই সরবরাহ করার কথা ছিল, ইন্ডিয়া বলছে তারা এখন সেটা মার্চ এপ্রিলের আগে দিতে পারবে না।

কোভ্যাক্সের জয়েন্ট চেয়ারপারসন জেইন হালটন বলেছেন, এই ভ্যাক্সিন জাতীয়াতাবাদ যা অনাকাক্সিক্ষত, তা তারা আগেই ধারণা করতে পেরেছিলেন এমনটা হতে পারে। তাই তারা একাধিক দেশকে এই ভ্যাকসিন বানানোর জন্যে নিযুক্ত করেছেন। তারা ২ বিলিয়ন ডোজ অন্যান্য দেশ থেকে বানানোর জন্যে চুক্তি করে রেখেছেন, কাজেই স্বল্পোন্নত দেশের জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর জন্যে ইন্ডিয়া চুক্তি ভঙ্গ করলেও তাদের অন্য উপায় খোলা আছে।

এখানে উল্লেখ্য যে অক্সফোর্ড-এস্ট্রজেনেকা ভ্যাকসিন একটি 'মুনাফার জন্যে নয় ' ভিত্তিতে তৈরী করা ভ্যাকসিন। শুধুমাত্র গরীব এবং স্বল্পউন্নত দেশে দ্রুত পৌঁছে দেয়ার জন্যে তারা মুনাফা ছাড়াই এই ভ্যাকসিন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ইন্ডিয়ার সেরাম ইন্সিটিউট এই চুক্তি মোতাবেক সস্তায় এই ভ্যাক্সিনটি তৈরির ঠিকাদার নিযুক্ত হয়। ভ্যাকসিনন তৈরী হয়ে যাবার পরে এখন তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা এই ভ্যাকসিন অন্য কোন দেশে দিতে পারেব না।

বাংলাদেশের উচিত 'ভ্যাকসিন ডিপ্লোম্যাসি' শুরু করার জন্যে আশু উদ্যোগ নেয়া। সেই সব দেশ অথবা কোম্পানি অন্যান্য ভ্যাকসিন তৈরী করছে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করা , তাদেরকে বাংলাদেশে ফেইজ ৩ এর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল তৈরির সুযোগ করা দেয়া। যেই সব দেশ 'টেকনলজি ট্রান্সফার' করতে আগ্রহী তাদের অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশে সব ধরনের সুযোগ উন্মুক্ত করে দেশে ভ্যাক্সিন তৈরীর সক্ষমতা অর্জনের এটাই শ্রেষ্ঠ সময়।
ড. আরমান রহমান, ডাবলিন আয়ারল্যান্ড থেকে চিকিৎসা বিজ্ঞানী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়