প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিসিক শিল্পনগরী

তৌহিদুর রহমান : [২] শ্রমিক সংকট দূর হওয়ার পাশাপাশি কারখানাগুলোতে উৎপাদনও বেড়েছে আশানুরুপ হারে । শিল্পনগরীতে উৎপাদিত পণ্যগুলোর মধ্যে কয়েকটি ছাড়া সবকটিরই বাজারে চাহিদা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মহামারিতে হওয়া লোকসান কাটিয়ে উঠতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

[৩] জেলার সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকার ২১.৯৮ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত বিসিক শিল্পনগরীতে তেল, সাবান ও ওষুধসহ বিভিন্ন পণ্যের কারখানা রয়েছে। আর এসব কারখানায় কাজ করেন তিন হাজারেওর বেশি শ্রমিক। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ১৯৮৭-৯৮ সালে স্থাপিত বিসিক শিল্পনগরীতে অনুমোদিত ৭২টি কারখানার মধ্যে বর্তমানে ৬০টি সচল রয়েছে। এর মধ্যে আটটি আটা-ময়দা, চারটি সেমাই, তিনটি বেকারি, চারটি মুড়ি, চারটি তেল, তিনটি সাবান, চারটি মেটাল, পাঁচটি সিলভার, দুইটি পাইপ, দুইটি তারকাটা, দুইটি ওষুধ ও চারটি সিলিকেট কারখানা রয়েছে।

[৪] সরেজমিনে খোঁজ আর ও শিল্পনগরী মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, এখন সবকটি কারখানাতেই শতভাগ শ্রমিক কাজ করছেন। কারখানাগুলোতে এখন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত উৎপাদন হচ্ছে। এখন পরিস্থিতি আগের তুলনায় কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে। কিছু পণ্য ছাড়া সব পণ্যের কারখানায় উৎপাদন আশানুরূপ হারে বেড়েছে। শ্রমিকরাও ঠিকমতো কাজে আসছেন।

[৫] বিসিক শিল্পনগরীর শ্রমিক সর্দার মো. শাহীন আলম জানান, এখন করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় সব কারখানাতেই শতভাগ শ্রমিক কাজ করছে। কোনো শ্রমিকই বেকার বসে নেই, সবাই কাজ করছে।

[৬] মেসার্স আমানত মেজর ফ্লাওয়ার মিলের ব্যবস্থাপক আব্দুল হাফিজ মিয়া বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে দৈনিক ৪৫ থেকে ৫০ টন আটা-ময়দা ও ৩০-৩৫ টন ভূষি উৎপাদন হতো। এখন দৈনিক ২৫ থেকে ৩০ টন আটা-ময়দা ও ১০ ভূষি উৎপাদন হচ্ছে।

[৭] বিসিক শিল্পনগরী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের শিল্পনগরীরে আর্থিক ভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এখন পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক। কিছু পণ্য ছাড়া বাকিসব পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। গত এক মাস ধরে কারখানাগুলোতে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত উৎপাদন হচ্ছে। বাজারে চাহিদা বাড়তে থাকলে উৎপাদনও বাড়বে’। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত