শিরোনাম
◈ মানব পাচারের অন্যতম রুট হয়ে উঠছে পঞ্চগড় সীমান্ত ◈ সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা: সংসদে বিল পাস ◈ সৌদিতে এক সপ্তাহে ১৪ হাজারের বেশি আটক, ফেরত পাঠানো হলো ১২ হাজার ◈ মালয়েশিয়ায় ভিসাবিহীনদের দেশে ফেরার আহ্বান বাংলাদেশ হাইকমিশনের ◈ জ‌য়ের সম্ভাবনা জাগিয়েও হে‌রে গে‌লো বাংলাদেশ ◈ জু‌নিয়র নারী এশিয়া কাপ হ‌কি‌তে পাকিস্তানকে ৫-১ গো‌লে হারা‌লো বাংলাদেশ ◈ ভারতের কাছেও হার, এশিয়ান কাপের মূলপ‌র্বে খেলার স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ ফেব্রিক্স আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা, উদ্বেগে পোশাক খাত ◈ ইয়েমেনে ফের তীব্র লড়াই, সরকারি বাহিনী-হুথি সংঘর্ষে নিহত ১৪১ ◈ কারাগার ভেঙে পালানো ৫২ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির হদিস নেই

প্রকাশিত : ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৯:২৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] নোয়াখালী ভাসানচরে নিরাপদ আবাসন ও সরকারের আন্তরিকতায় মুগ্ধ রোহিঙ্গারা

মাহবুবুর রহমান: [২] চট্টগ্রাম থেকে ভাসানচরের উদ্দেশ্যে নৌবাহিনীর পাঁচটি জাহাজে করে ২য় দাপে রোহিঙ্গাদের একটি দলে ৪২৮ পরিবারের মোট ১৮০৫ জন পৌঁছায়। এ সময় ঘাটে নৌ-বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তাদের রিসিভ করেন। রোহিঙ্গাদের স্বাগত জানাতে ভাসানচর বিভিন্ন রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়

[৩] বুধবার সকালে নৌবাহিনীর পরিচালক কমোডর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী জানান, কক্সবাজারের উখিয়া থেকে আসা রোহিঙ্গারা নিরাপদ আবাসন দেখে খুশি রোহিঙ্গারা। তাদের দূর থেকে ভাসানচর সম্পর্কে যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছিল গতকাল ভাসানচরে এসে সে ধারণাটি ভেঙ্গে যায়।

[৪] তিনি আরো জানান, রোহিঙ্গাদের সকল বিষয়ে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে শুরু করে আমাদের বিভিন্ন প্রকল্প কর্মকর্তা রয়েছে তারা তাদের সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন। আমরা পর্যায়ক্রমে এক লাখ রোহিঙ্গাদের এখানে আনার চেষ্টা করব।

[৫] রোহিঙ্গাদের সূত্রে জানা যায়,নিরাপদ আবাসন, রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও সাজসজ্জা দেখে খুশি রোহিঙ্গারা। তারা মনে করেন সরকার আমাদের উখিয়া ক্যাম্পে থেকে বাস অঞ্চলের নিরাপদ আবাসন পর্যন্ত পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে সকল ধরনের সার্বিক সহযোগিতায় আমরা খুবই আনন্দিত হয়েছি।

[৬] দ্বিতীয় ধাপে ৪২৮ পরিবারেরে এক হাজার ৮০৪ জন রোহিঙ্গাদের মধ্যে ৪৩৩ জন পুরুষ, ৫২৩ জন মহিলা ও ৮৪৮ শিশু রয়েছে। ভাসানচরে পৌঁছানোর পর স্বাস্থ্য কর্মীরা তাদের পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত ওয়্যার হাউজে নৌ-বাহিনীর সদস্যরা কিছু দিক নির্দেশনা দেন।

[৭] এ দিকে তাদের নিরাপত্তার বিষয়ে কাজ করেছে পুলিশ, প্রশাসন থেকে শুরু করে নৌবাহিনী বিভিন্ন নিরাপত্তাকর্মীরা। আর স্বাস্থ্য সেবার জন্য রয়েছে জেলা সিভিল সার্জনের তত্ত্বাবধানে একটি হাসপাতালের ডাক্তারগণ।

[৮] এর আগে ৭টি জাহাজে করে নারী-পুরুষ,শিশুসহ ভাসান চরে এসে পৌঁছায়। এর আগে, কক্সবাজারের উখিয়া থেকে যাত্রা করে ১ হাজার ৬৫২ জন রোহিঙ্গাকে নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর ভাসানচরের উদ্দেশ্যে আনা হয় ৮ টি জাহাজ করে ।

[৯] উল্লেখ্য প্রায় ১ লাখ রোহিঙ্গা জীবন ও জীবিকার জন্য শতভাগ প্রস্তুত করা হয়েছিল ভাসানচর। নিরাপদ আবাসন ও জীবনযাপনের জন্য প্রায় সব উপাদানই রাখা হয়েছে এখানে। তৈরি করা হয়েছে আবাসিক ভবন, বাজার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, থানা, অফিস সেন্টার। জীবিকা নির্বাহের জন্য রয়েছে পশুপালন, হাঁস-মুরগী পালন সহ বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ