শিরোনাম
◈ মেধাভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিনামূল্যে ফেসবুক ভেরিফায়েড ব্যাজ, চালু হচ্ছে মেটার নতুন সুবিধা ◈ সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী ◈ রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি নিয়ে বিতর্ক, কী বলছে বাংলাদেশের সংবিধান ◈ নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ১০ লাখ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্যভাণ্ডার তৈরি করছে সরকার, আসছে নজরদারিতে ◈ ২৬ দিনের অনশন ভেঙে সমালোচনার মুখে সোনম ওয়াংচুক, ভিডিও বার্তায় দিলেন জবাব (ভিডিও) ◈ ‌ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদোর অবসর পর্তুগালকে কোটি কোটি টাকার ক্ষতির মুখে ফেলে দেবে, কেন এমন দাবি বিপণন বিশেষজ্ঞদের? ◈ মধ্যরাতে ফের ন‌রেন্দ্র মোদির ভিডিওবার্তা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ইস্যুতে সরকারের অবস্থান চূড়ান্ত?  ◈ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট নয়, বিদায় হবে স্মরণীয়, কবে আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানাবেন মেসি? ◈ সাহাবু‌দ্দিনসহ  কোন কোন রাষ্ট্রপতি তাদের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেননি

প্রকাশিত : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোডাফোনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় চ্যালেঞ্জ ভারতের

রাশিদ রিয়াজ : ভোডাফোনের কাছ থেকে ২০০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার কোটি রুপি কর চেয়েছিল ভারত সরকার। আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে জিতে যায় ভোডাফোন। কিন্তু সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করেছে ভারত। বিচারক বলেন, ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে যে বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে, সেই অনুযায়ী ভোডাফোনের কাছে কর চাওয়া উচিত নয়। একইসঙ্গে মামলা চালাতে ভোডাফোনের যে খরচ হয়েছে, তার ৬০ শতাংশ ভারত সরকারকে দিতে বলা হয়েছে। এই মামলায় আরবিট্রেটর নিয়োগ করার জন্য ভোডাফোনের ৬ হাজার ইউরো খরচ হয়েছিল। তার অর্ধেকও দিতে বলা হয় ভারতকে। ইকোনোমিক টাইমস

২০০৭ সালে ভোডাফোন ১১০০ কোটি ডলার দিয়ে হাচিসন হোয়াম্পোয়া কোম্পানির মোবাইল ব্যবসা কিনে নেয়। ২০১২ সালে ভারতের সংসদে সংশোধন করা হয় ১৯৬১ সালের আয়কর আইন। সেই আইন অনুযায়ী ২০১৩ সালে ভোডাফোনের থেকে বকেয়া কর ও সুদ বাবদ বিপুল অর্থ দাবি করা হয়। ভোডাফোন ওই অর্থ দিতে অস্বীকার করে। প্রথমে চেষ্টা হয়েছিল যাতে আদালতের বাইরে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়া যায়। তা সম্ভব না হওয়ায় ২০১৪ সালের এপ্রিলে আরবিট্রেটরের নোটিশ দেয় ভোডাফোন।

এছাড়া কেয়ার্ন এনার্জির সঙ্গে মামলাতেও হেরে গেছে ভারত। ২০০৬-০৭ সালে কেয়ার্ন এনার্জি নামে সংস্থাটি কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে তাদের সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়। ২০১০-১১ সালে বেদান্তের কাছে কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে বিক্রি করে দেয় কেয়ার্ন এনার্জি। ২০১৫ সালে কেয়ার্ন এনার্জিকে ১০ হাজার কোটি টাকা কর দিতে বলে নোটিশ পাঠায় আয়কর দফতর। কারণ কেয়ার্ন এনার্জি সম্পত্তি বিক্রি করেছিল কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে। এই নোটিশ পেয়েই ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে আর্জি জানায় কেয়ার্ন এনার্জি। ২০১৬ সালে কেয়ার্ন এনার্জিকে ফের প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা কর মেটানোর আর্জি জানায় ভারেেতর কেন্দ্রীয় সরকার। কেয়ার্ন সেই কর না মিটিয়ে ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করে। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক আদালত বলে, ভারত কর চাইতে পারে না। কেয়ার্ন এনার্জিকে ফেরত দিতে হবে ১২০ কোটি ডলার। তার সঙ্গে ওই টাকার ওপরে সুদ ও মামলার খরচও দিতে হবে। সব মিলিয়ে ভারতের কাছে কেয়ার্নের প্রাপ্য হয় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়