শিরোনাম
◈ আগুনের সূত্রপাত কীভাবে হয়েছিল কক্সবাজারের টুপটুপ রিসোর্টে , জানা গেল কারণ ◈ ব্যাংকে আমানতের সুদ কমছে, সঞ্চয়ের টাকা কোথায় রাখলে নিরাপদ ও বেশি লাভ? ◈ সৌদি আরবে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি কারাগারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তালিকা যাচাই করছে সরকার ◈ সাজেকে অবরোধ-সহিংসতায় পর্যটন ব্যবসায় ধসের শঙ্কা, পর্যটকশূন্য ভ্যালিতে ৭৬ কোটি টাকার ব্যবসা নিয়ে শঙ্কা! ◈ মাতারবাড়ীতে কয়লার ছাই ফেলার জমিতে ৭০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ, অর্থায়ন করবে ইউরোপীয় বিনিয়োগ ব্যাংক ◈ আসামি নিয়ে ফেরার পথে কালীগঞ্জে কাভার্ডভ্যানের চাপায় এসআই ও বিএনপি নেতা নিহত ◈ আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে ২১৫৮ টাকা কমে নতুন দর যা হল ◈ ইউরোপের অস্থিরতায় নতুন সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প, রফতানি কমেছে ১১.৬৭ শতাংশ ◈ তিন দিন বন্ধ থাকবে থাইল্যান্ডের ই-ভিসা আবেদন, জানাল দূতাবাস ◈ স্থানীয় নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া বিএনপি

প্রকাশিত : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভোডাফোনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের রায় চ্যালেঞ্জ ভারতের

রাশিদ রিয়াজ : ভোডাফোনের কাছ থেকে ২০০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৫ হাজার কোটি রুপি কর চেয়েছিল ভারত সরকার। আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে জিতে যায় ভোডাফোন। কিন্তু সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে সেই রায় চ্যালেঞ্জ করেছে ভারত। বিচারক বলেন, ভারত ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে যে বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে, সেই অনুযায়ী ভোডাফোনের কাছে কর চাওয়া উচিত নয়। একইসঙ্গে মামলা চালাতে ভোডাফোনের যে খরচ হয়েছে, তার ৬০ শতাংশ ভারত সরকারকে দিতে বলা হয়েছে। এই মামলায় আরবিট্রেটর নিয়োগ করার জন্য ভোডাফোনের ৬ হাজার ইউরো খরচ হয়েছিল। তার অর্ধেকও দিতে বলা হয় ভারতকে। ইকোনোমিক টাইমস

২০০৭ সালে ভোডাফোন ১১০০ কোটি ডলার দিয়ে হাচিসন হোয়াম্পোয়া কোম্পানির মোবাইল ব্যবসা কিনে নেয়। ২০১২ সালে ভারতের সংসদে সংশোধন করা হয় ১৯৬১ সালের আয়কর আইন। সেই আইন অনুযায়ী ২০১৩ সালে ভোডাফোনের থেকে বকেয়া কর ও সুদ বাবদ বিপুল অর্থ দাবি করা হয়। ভোডাফোন ওই অর্থ দিতে অস্বীকার করে। প্রথমে চেষ্টা হয়েছিল যাতে আদালতের বাইরে বিরোধ মিটিয়ে নেওয়া যায়। তা সম্ভব না হওয়ায় ২০১৪ সালের এপ্রিলে আরবিট্রেটরের নোটিশ দেয় ভোডাফোন।

এছাড়া কেয়ার্ন এনার্জির সঙ্গে মামলাতেও হেরে গেছে ভারত। ২০০৬-০৭ সালে কেয়ার্ন এনার্জি নামে সংস্থাটি কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে তাদের সব সম্পত্তি বিক্রি করে দেয়। ২০১০-১১ সালে বেদান্তের কাছে কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে বিক্রি করে দেয় কেয়ার্ন এনার্জি। ২০১৫ সালে কেয়ার্ন এনার্জিকে ১০ হাজার কোটি টাকা কর দিতে বলে নোটিশ পাঠায় আয়কর দফতর। কারণ কেয়ার্ন এনার্জি সম্পত্তি বিক্রি করেছিল কেয়ার্ন ইন্ডিয়াকে। এই নোটিশ পেয়েই ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে আর্জি জানায় কেয়ার্ন এনার্জি। ২০১৬ সালে কেয়ার্ন এনার্জিকে ফের প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা কর মেটানোর আর্জি জানায় ভারেেতর কেন্দ্রীয় সরকার। কেয়ার্ন সেই কর না মিটিয়ে ৩৭ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করে। ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক আদালত বলে, ভারত কর চাইতে পারে না। কেয়ার্ন এনার্জিকে ফেরত দিতে হবে ১২০ কোটি ডলার। তার সঙ্গে ওই টাকার ওপরে সুদ ও মামলার খরচও দিতে হবে। সব মিলিয়ে ভারতের কাছে কেয়ার্নের প্রাপ্য হয় ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

  • সর্বশেষ