শিরোনাম
◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা

প্রকাশিত : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর
আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:১৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অজয় দাশগুপ্ত: বরিষ ধরা মাঝে শান্তির বারি

অজয় দাশগুপ্ত: এমন বড়দিন আগে কখনো দেখেনি মানুষ। সভ্যতার এমন বিপর্যয় এমন মড়ক অবিশ্বাস্য। ঈদ, পূজা, বড়দিন কোনটিই এবার পারছে না আপন রূপে জাগতে বা জাগাতে। এমন দুঃসহ করোনা কালে বড়দিন এসেছে দুনিয়ায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি যে কোনো মতবাদের চাইতে ধর্মের যেটুকু অবিশিষ্ট কল্যাণকর স্বরূপ তার প্রতি মনোযোগী। আজকাল ধর্মের নামে যে সব অনাচার আর অশান্তি তাতে মানুষজন মূলত বিরক্ত। বিশেষত আমাদের মতো দেশ ও সমাজে ধর্ম সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মরিয়া। ধর্মতো না আসলে কথিত ধার্মিকেরা তাই চায়। কিন্তু মুশকিল এই তাদের যে পাঠ, যে জ্ঞান আর বিদ্যা থাকা দরকার তা নেই। তারা সেসবের ধার ধারেন না। যে কারণে বিজ্ঞান ও ধর্ম এখন সাংঘর্ষিক।

খৃষ্টধর্মের এই দিকটি আমাকে টানে, যখন তারা দেখলো যে পুরনো ভার্সনের সঙ্গে সভ্যতা সংস্কৃতির মতভেদ লড়াইতে পরিণত হচ্ছে গ্যালিলিও থকে জোয়ান অব আর্ক পর্যন্ত যাবতীয় ঘটনা বলছে ভিন্ন কথা তখন তারা নতুন টেষ্টামেন্ট লিখে ধর্মকে আধুনিক রাখার কাজ শেষ করলেন। এ ছাড়া ও দুনিয়ার সবদেশে এই ধর্মাবলম্বী মানুষেরা পোশাক, খাবার খাওয়ার রীতি ও আচরণে সভ্য। সবাই বা সব ধর্মের ভেতরেই তা আছে। কিন্তু বাই নেচার এরা আধুনিক। বাঙালি খৃষ্টান এবং আমাদের উপজাতিরাও এর বাইরে না। তাদের কাছে আমাদের কাঁটা চামচ ছুরি ও টেবিলে বসে খাবার গ্রহণের রীতি এখনো শেখার বাকী।

আমাদের জীবনে যীশুর ভূমিকাও গৌরবময়। আপনি বাংলা ভাষায় নীরেন চক্রবর্তীর কলকাতার যীশু’র মতো কবিতা দুটো খুঁজে পাবেন না। যে অর্থেই তা লেখে থাকা হোক শেষ অবদি তা যীশুতেই সমর্পিত। আমি জানি এখন দেশ ও সমাজ মূর্তি না ভাস্কর্য এ নিয়ে বেশ ঝামেলায় আছে। চারদিকে ভাঙাভাঙি এর দু’দিকে অবস্থানরত মানুষেরা লড়ছেন। একদল ভাঙবেই আর একদল রাখবে। আমি বিনয়ের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত মত দিতে গিয়ে বলি দুনিয়ায় চোখ জুড়ানো তিনটি ভাস্কর্য বা মূর্তি মানুষকে প্রেরণা শান্তি ও কল্যাণের পথ দেখিয়ে এসেছে দেখাবেও। একটি দশভূজা একা দুর্গা, একটি ধ্যানী বুদ্ধ আরেকটি দু হাত প্রসারিত ক্রুশবিদ্ধ যীশু। তার জন্মদিন আমরা ছেলেবেলা থেকে সানন্দে গানে সুরে আবহে পালিত হতে দেখেছি। আশাকরি এবারও তাই হবে। আর মানুষ সব দুঃখ, কষ্ট ,শোক-পরিতাপ ভোলার আশ্রয় খুঁজবে অনন্তে অদৃশ্যে। যীশুর জন্মদিনে সবাইকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা।

সিডনি,২৪/১২/২০

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়