শিরোনাম
◈ এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি ◈ সিম বদল, বাসা বদল, চেহারা পরিবর্তন: আট মাস যেভাবে পালিয়ে ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন ◈ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে বিদেশিদের ভিসা প্রদানে বিশেষ নির্দেশনা জারি ◈ মানিকগঞ্জে হাসপাতালে গৃহবধূকে ধর্ষণ, কারাগারে ২ আনসার সদস্য (ভিডিও) ◈ মৃত্যুদণ্ডাদেশের রায়ে ট্রাইব্যুনাল: শেখ হাসিনা খুব সহজেই আন্দোলনের অবসান ঘটাতে পারতেন  ◈ পুলিশকে কুপিয়ে আসামি ছিনিয়ে নিল হামলাকারীরা, আহত ৫ পুলিশ সদস্য ◈ রিকশা–ভ্যান–অটোচালকদের কষ্টের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ ‘সহায়তা আসছে, বিক্ষোভ চালিয়ে যান,’ ইরানিদের উদ্দেশ্যে বললেন ট্রাম্প ◈ নির্বাচন ও গুম তদন্ত ইস্যুতে জাতিসংঘের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার আলোচনা, চাইলেন সহায়তা ◈ বুধবার ঢাকায় আসছে ফিফা বিশ্বকাপের মূল ট্রফি

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৭:০৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] শিশু সামিউল হত্যা মামলায় মা এশা ও তার কথিত প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

মহসীন কবির : [২] রোববার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন— শিশু সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও এশার প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩)। এছাড়া, দুজনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। ডিবিসি ও যমুনা টিভি

[৩] এর আগে, গত ৮ ডিসেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ ধার্য ছিল। গত ২৩ নভেম্বর আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন। সেদিন রায় প্রস্তুত না হওয়ায় আদালত রায়ের দিন পিছিয়ে ২০ ডিসেম্বর ধার্য করেন। এ মামলার দুই আসামি হলেন সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও মায়ের পরোকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু।

[৪] মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও মায়ের পরকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তার আগে মামলাটিতে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলার বিচার চলাকালে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

[৫] মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালের ২৩ জুন পরকীয়া প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর সঙ্গে মায়ের অনৈতিক কোনো ঘটনা দেখে ফেলায় সামিউলকে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে ফ্রিজে ঢোকানো হয়। পরে লাশটি বস্তায় ঢুকিয়ে ২০১০ সালের ২৪ জুন রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। একইদিন ঢাকার আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সামিউলের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়।

[৬] ওই ঘটনায় নিহত শিশুর পিতা কে এ আজম বাদী হয়ে ওইদিন আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় এশা এবং বাক্কু উভয়েই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়