শিরোনাম
◈ পর্যটকশূন্য সেন্টমার্টিনে নীরব দুর্ভিক্ষ, আয়-রোজগার হারাচ্ছেন দ্বীপবাসী ◈ হৃদয়ের ট্রিপল শত‌কে ভর ক‌রে দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার স‌ঙ্গে ড্র করলো বাংলাদেশ এ' দল ◈ লিড টাইমে পিছিয়ে বাংলাদেশ, পোশাকের কার্যাদেশে এগিয়ে যাচ্ছে ভারত ◈ এশিয়ান গেমসের বাংলা‌দেশ দল ঘোষণা, নেই নাহিদ রানা ও তাসকিন আহ‌মেদ ◈ সাত পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত ◈ গুম প্রতিরোধ আইন ২০২৫-এর অধ্যাদেশের চেয়ে শক্তিশালী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ নতুন দায়িত্ব পেলেন আমানউল্লাহ আমান ◈ যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির, বাড়াতে চান বাণিজ্য-সহযোগিতা ◈ শরীর-মন সতেজ করতে ইউরোপের ১১ স্পা শহর ও বিলাসবহুল ওয়েলনেস গন্তব্য: কী আছে, কেন এত আকর্ষণীয় ◈ স্ক্যাবিসের সংক্রমণ বাড়ছে দেশজুড়ে, সবচেয়ে ঝুঁকিতে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা

প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:১৬ সকাল
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:১৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সিরাজগঞ্জে খাস জমিতে আপেল চাষ করে তাক লাগিয়ে দিলেন বোরহান উদ্দিন (ভিডিও)

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ: [২] আপেল বাংলাদেশ সম্পূর্ণ আমদানি নির্ভর ফল হলেও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার জামালপুর গ্রামে প্রত্যন্ত অঞ্চলে খাস জমিতে আপেল চাষ করছেন নতুন উদ্যোক্তা বোরহান উদ্দিন। ডেইলি স্টার

[৩] বাংলাদেশের আবহাওয়া ও ভূখণ্ড আপেল চাষের জন্য খুবই চ্যালেঞ্জের। এটা জেনেও বহুজাতিক কোম্পানির নির্বাহী বোরহান উদ্দিন মাঠে আপেল চাষ শুরু করেন। অবশ্য তিনি আপেল চাষ শুরু করার দুই বছর আগে প্রশিক্ষণের জন্য ভারতে বেশ কয়েকটি আপেল বাগানে গিয়েছিলেন।

[৪] বোরহান উদ্দিন বলেছেন, অন্যান্য দেশে যারা আপেল চাষ করছেন তারা আমাকে নিরুৎসাহিত করেছেন। তারা বারবার বলেছেন, বাংলাদেশের আবহাওয়া ও ভূখণ্ড আলেপ চাষের উপযোগী নয়। আমার অধিক আগ্রহ দেখে ভারতের হিমাচল প্রদেশের এক গবেষক কয়েকটি জাতের আপেলের চারা নিয়ে পরীক্ষা করতে বলেছিলেন। সেখান থেকে তিনি কিছু আপেলর চারা সংগ্রহ করে জামাল পুরের তিন বিঘা খাস জমিতে রোপন করেন। প্রথমবারের কিছু চারা মারা গেলেও বেশির ভাগই লেগে যায়। তাই বোরহান উদ্দিন আরো বেশি অনুপ্রেরণা পান। তিনি আবার ২০০ টির বেশি চারা রোপন করেন। চলতি বছরের জুন মাসে ৩৫টি গাছ থেকে তিনি আপেল সংগ্রহ করেন।

[৫] ৩৫টি গাছের আপেল বোরহানকে অবাক করে দিয়েছে। সাধারণত চারা লাগানোর দু’বছর পর ফল আসে। কিন্তু বোরহান উদ্দিনের চারা লাগানোর মাত্র ১৫ মাস পরই ফল আসে। কিছু গাছে ৫০-৬০ আপেল এসেছিলো। কয়েকটি গাছে অবশ্য ১০টির কম এসেছিলো। তিনি বলেন, এতো তাড়াতাড়ি আমি যে পরিমাণ ফল পেয়েছি তাতে সন্তুষ্ট। আমি আশা করছি আগামী গ্রীষ্মে ১০০টিরও বেশি গাছে ফল আসবে। ভারতীয় আপেল চাষীরা বোরহান উদ্দিনকে বলেছেন, এতো কম আপেল আসায় নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত এই আসা বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

[৬] বোরহান তার বাগানে যে জাতগুলি রোপণ করেছেন সেগুলো হচ্ছে, এইচআরএমএন -৯৯, ডরসেট গোল্ডেন, আনা, ট্রপিক মিষ্টি এবং গ্র্যানি স্মিথ। এইচআরএমএন -৯৯ সম্প্রতি হিমাচল প্রদেশের একজন কৃষক আবিষ্কার করেছেন। এই জাতগুলো সবই কম উচ্চতায় এবং উচ্চতর তাপমাত্রায় ফল দিতে সক্ষম।

[৭] উল্লাপাড়ার কৃষি অফিসের উপ-সহকারী বাগান সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আজমল হক বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া ও বোরহান উদ্দিনের উদ্যোগের নতুনত্বের কারণে সফল হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি আপেল চাষ করে আসলে অবসম্ভবকে সম্ভব করছেন। সম্পাদনা : রাশিদ

  • সর্বশেষ