শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে মাইন শনাক্তে ইরান বিপাকে, সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের ◈ অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এনডিটিভিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বার্তা ◈ কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয়, অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের! (ভিডিও) ◈ দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ১০ ◈ ১৪ এপ্রিল ১০ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি: কার কী শর্ত, কোথায় অনিশ্চয়তা? ◈ বাগেরহাটে দিঘিতে কুমিরের শিকার কুকুর, প্রত্যক্ষদর্শীরা যা জানালেন ◈ চাকরি প্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর আসছে! ◈ এক মাসে ৫৩২ মৃত্যু, থামছে না সড়ক দুর্ঘটনার মিছিল ◈ যেসব শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সহায়তা পাবেন ৬ হাজার টাকা, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:৩১ দুপুর
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ১২:৩১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সাতক্ষীরার চাঞ্চল্যকর জগদীশ হত্যা মামলা: পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : [২] মামলা পূণঃতদন্ত করে আগামি ১৮ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[৩] সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মোঃ হুমায়ুন কবীর বৃহষ্পতিবার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের আদেশ পর্যালোচনা শেষে এ আদেশ দেন।

[৪] ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের বিষ্ণুপদ গোস্বামীর ছেলে জগদীশ গোস্বামীকে ২৬ সেপ্টেম্বর ছয়ঘরিয়া সীমান্তে নির্মম নির্যাতন চালিয়ে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায় তারই প্রতিবেশী শুকপদ গাইন, দূঃখীরাম গাইন, ছাতিয়ানতলা গ্রামের জামায়াত কর্মী রবিউল ইসলাম, তার ভাই রফিকুল ইসলাম ও গোবিন্দকাটি গ্রামের চোরাচালানি রানা। পরদিন দুপুর দু’টোর দিকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জগদীশকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

[৫] এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মঞ্জু গোস্বামী বাদি হয়ে ১৩ অক্টোবর উপরোক্ত পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ২২ অক্টোবর মামলা রেকর্ড করে। আদালতের আদেশ সংক্রান্ত মামলা নথি থানায় পাঠানোর আগেই বাদি পক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. শেখ আজহারুল ইসলাম ও মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের এক কর্মচারির সহায়তায় বিচারকের আদেশ ও নথি কাটা ছেঁড়া করে কালীগঞ্জ থানার নলতা গ্রামের এশার আলী ও টাউ দাসের নাম মামলায় সম্পৃক্ত করেন বলে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বরাবর অভিযোগ করেন মঞ্জু গোস্বামী। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক আবুল কালাম আজাদ ২০১৪ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে সকল আসামীর বিরুদ্ধে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ৩০ ডিসেম্বর বাদি আদালতে নারাজির আবেদন দাখিল করলে ২০১৫ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি মুখ্য বিচারিক হাকিম নিতাই চন্দ্র সাহা মামলার পূণঃতদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত করেন।

[৬] বাদি পক্ষের আইনজীবী অ্যাড. বিবেকানন্দ রায়, অ্যাড. সেলিনা আক্তার শেলি ও অ্যাড. জিয়াউর রহমান মামলাটি পিবিআই তদন্তে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়