শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৩৫ সকাল
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৮:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে এইডস রোগী বাড়লেও শনাক্তের ব্যবস্থা নেই ৪১ জেলায়

ডেস্ক ডিপোর্ট: এইডস শনাক্ত করার ব্যবস্থা নেই দেশের ৪১ জেলায়। এতে আক্রান্তদের অনেকের শনাক্তের বাইরে থেকে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। বাড়ছে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করার চ্যালেঞ্জ। এখনো শনাক্ত করা যায়নি অন্তত সাত হাজার রোগী। ইনডিপেনডেন্ট টিভি

দেশে এ পর্যন্ত এইডস শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ৩৭৪ জনের। তবে, ধারণা করা হয় প্রকৃত রোগীর সংখ্যা এর চেয়ে দ্বিগুণ। সংক্রমিতদের একটা বড় অংশই থেকে যাচ্ছে শনাক্তের বাইরে।

এইডস শনাক্তদের ৪২ ভাগই ঢাকার। তবে, দেশের বেশির ভাগ জেলাতেই নেই শনাক্ত করার ব্যবস্থা। এই অবস্থায় আক্রান্তদের সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা নিশ্চিত করায় বড় চ্যালেঞ্জ দেখছেন চিকিৎসকেরা।

এইডস সংক্রমণের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী হিসেবে ধরা হয় যৌনকর্মী, হিজড়া ও শিরায় মাদক গ্রহণকারীদের। তবে, দেশে শনাক্ত রোগীদের বেশিরভাগই ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বাইরের।

সময়ের সঙ্গে অনেক পরিবর্তন এসেছে এইডসের চিকিৎসায়। সময়মতো রোগ শনাক্ত হলে অন্যদের সংক্রমিত করার ঝুঁকি কমার পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ বাড়ে। সারা দেশে ১১টি কেন্দ্র থেকে দেয়া হচ্ছে বিনামূল্যে ওষুধ।

দেশে প্রথম এইচআইভি শনাক্ত হয় ১৯৮৯ সালে। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১২৪২ জন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়