শিরোনাম
◈ কর্মপরিকল্পনার ১৮০ দিন শেষ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন; হতে পারে দপ্তর রদবদল ◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ে মানবাধিকার ও আইনের লঙ্ঘন, আইন করে এই বিয়ে দেয়া বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন মানবাধিকার নেত্রীরা

তাপসী রাবেয়া: [২]দীর্ঘদিন ধরেই ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় ধর্ষকের। আর এই ঘটনাকেও নির্যাতনের চেয়ে অপমানজনক বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে যে ধর্ষক সে একজন অপরাধী। বিয়ে দিয়ে এই অপরাধ আড়াল করার চেষ্টাও অপরাধ।

[৩]সম্প্রতি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটা করে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।মহিলা পরিষদের পরিচালক আইনজীবী মাসুদা আক্তার বলেন, বেআইনি সালিশ, বেআইনি ফতোয়া, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তদারকিতে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে দেওয়ার ঘটনা আমাদের উদ্বেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ধর্ষকরা কোনো না কোনো অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত ও ক্ষমতার কাছাকাছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছরের ১০ মাসে নারী নির্যাতন বেড়েছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

[৪] তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মানবাধিকার কর্মী রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এটি মানবাধিকার, সংবিধান ও আইনের লংঘন।এই ঘটনা কোনো সুষ্ঠু সামাজিক বিকাশের পরিচয় না। এটি বন্ধ করা উচিত। ধর্ষকের দায় বিয়ে দিয়ে শেষ করা একটি পুরুষতান্ত্রিক চক্রান্ত।

[৫] মানবাধিকার কর্মী খুশি কবীর বলেন, সামজিক দায় সাড়ানোর কাজ হচ্ছে বিয়ে দেয়া। নারীকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার আরেকটি কৌশল এই বিয়ে। সামজিক বিচারের দোহাই দিয়ে নারীকে আবারো নির্যাতনের পথে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এই প্রক্রিয়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করাই হচ্ছে নারীদের সম্মান ফিরিয়ে আনার উপযুক্ত পথ। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়