শিরোনাম
◈ উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নিখুঁত হামলা, চাপে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধপরিকল্পনা ◈ গণপিটুনিতে ৯ মাসে ১৭১ মৃত্যু, ‘মব’ কি সংঘবদ্ধ অপরাধের নতুন কৌশল? ◈ প্রতিদ্বন্দ্বী তুরস্কের বাজারেও বাড়ছে বাংলাদেশের পোশাকের চাহিদা ◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ে মানবাধিকার ও আইনের লঙ্ঘন, আইন করে এই বিয়ে দেয়া বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন মানবাধিকার নেত্রীরা

তাপসী রাবেয়া: [২]দীর্ঘদিন ধরেই ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় ধর্ষকের। আর এই ঘটনাকেও নির্যাতনের চেয়ে অপমানজনক বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে যে ধর্ষক সে একজন অপরাধী। বিয়ে দিয়ে এই অপরাধ আড়াল করার চেষ্টাও অপরাধ।

[৩]সম্প্রতি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটা করে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।মহিলা পরিষদের পরিচালক আইনজীবী মাসুদা আক্তার বলেন, বেআইনি সালিশ, বেআইনি ফতোয়া, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তদারকিতে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে দেওয়ার ঘটনা আমাদের উদ্বেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ধর্ষকরা কোনো না কোনো অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত ও ক্ষমতার কাছাকাছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছরের ১০ মাসে নারী নির্যাতন বেড়েছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

[৪] তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মানবাধিকার কর্মী রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এটি মানবাধিকার, সংবিধান ও আইনের লংঘন।এই ঘটনা কোনো সুষ্ঠু সামাজিক বিকাশের পরিচয় না। এটি বন্ধ করা উচিত। ধর্ষকের দায় বিয়ে দিয়ে শেষ করা একটি পুরুষতান্ত্রিক চক্রান্ত।

[৫] মানবাধিকার কর্মী খুশি কবীর বলেন, সামজিক দায় সাড়ানোর কাজ হচ্ছে বিয়ে দেয়া। নারীকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার আরেকটি কৌশল এই বিয়ে। সামজিক বিচারের দোহাই দিয়ে নারীকে আবারো নির্যাতনের পথে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এই প্রক্রিয়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করাই হচ্ছে নারীদের সম্মান ফিরিয়ে আনার উপযুক্ত পথ। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু

 

  • সর্বশেষ