শিরোনাম
◈ ‘মহাবিপদের’ আশঙ্কা করছে সৌদি আরব ◈ প্যারেডে হেলিকপ্টার থেকে এন্টি-ট্যাংক উইপন, নজর কেড়েছে কে-৯ ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড ◈ যে কারণে আবারও বাজারে ছাড়া হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট! ◈ ডিজিএফআই ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না: আদালতে মামুন খালেদের দাবি ◈ ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করতে চান ট্রাম্প, সহযোগীদের জানিয়েছেন ইচ্ছার কথা ◈ দেশে জ্বালানি মজুদ বাড়াতে ৩ লাখ টন ডিজেল কিনবে সরকার ◈ স্থল আক্রমণ ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি, ইরানে লাখো যোদ্ধার সমাবেশ ◈ ‘ডিপ স্টেট’ ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার প্রস্তাব দিয়েছিল: আসিফ মাহমুদ (ভিডিও) ◈ একুশে পদকপ্রাপ্ত কণ্ঠশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই ◈ ইরান সব ধরনের ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করেছে: জিসিসি মহাসচিব

প্রকাশিত : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ নভেম্বর, ২০২০, ১০:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীর বিয়ে মানবাধিকার ও আইনের লঙ্ঘন, আইন করে এই বিয়ে দেয়া বন্ধ করা উচিত বলে মনে করেন মানবাধিকার নেত্রীরা

তাপসী রাবেয়া: [২]দীর্ঘদিন ধরেই ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষিতার সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয় ধর্ষকের। আর এই ঘটনাকেও নির্যাতনের চেয়ে অপমানজনক বলে মনে করেন মানবাধিকার কর্মীরা। তাদের মতে যে ধর্ষক সে একজন অপরাধী। বিয়ে দিয়ে এই অপরাধ আড়াল করার চেষ্টাও অপরাধ।

[৩]সম্প্রতি ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ঘটা করে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষিতার বিয়ের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।মহিলা পরিষদের পরিচালক আইনজীবী মাসুদা আক্তার বলেন, বেআইনি সালিশ, বেআইনি ফতোয়া, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তদারকিতে ধর্ষকের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার নারীকে বিয়ে দেওয়ার ঘটনা আমাদের উদ্বেগ বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। ধর্ষকরা কোনো না কোনো অপরাধ চক্রের সঙ্গে জড়িত ও ক্ষমতার কাছাকাছি উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি বছরের ১০ মাসে নারী নির্যাতন বেড়েছে। নারী নির্যাতন প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

[৪] তত্ত¡াবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মানবাধিকার কর্মী রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ের ঘটনায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। এটি মানবাধিকার, সংবিধান ও আইনের লংঘন।এই ঘটনা কোনো সুষ্ঠু সামাজিক বিকাশের পরিচয় না। এটি বন্ধ করা উচিত। ধর্ষকের দায় বিয়ে দিয়ে শেষ করা একটি পুরুষতান্ত্রিক চক্রান্ত।

[৫] মানবাধিকার কর্মী খুশি কবীর বলেন, সামজিক দায় সাড়ানোর কাজ হচ্ছে বিয়ে দেয়া। নারীকে সামাজিকভাবে হেনস্তা করার আরেকটি কৌশল এই বিয়ে। সামজিক বিচারের দোহাই দিয়ে নারীকে আবারো নির্যাতনের পথে ঠেলে দেয়া হচ্ছে এই প্রক্রিয়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় মৃত্যুদন্ড কার্যকর করাই হচ্ছে নারীদের সম্মান ফিরিয়ে আনার উপযুক্ত পথ। সম্পাদনা: শাহানুজ্জামান টিটু

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়