প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস প্রতিরোধ এবং চিকিৎসা

অধ্যাপক ডা. হারাধন দেবনাথ:  অনেকে স্ট্রোক বলতে হার্ট অ্যাটাক মনে করেন। আসলে স্ট্রোক হলো ব্রেইনের অসুখ। মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় কারণ হলো স্ট্রোক। প্রথম কারণ ক্যানসার, দ্বিতীয় কারণ হ্যার্ট অ্যাটাক। প্রতিবছর ১ লাখ মানুষের মধ্যে ১৮০ থেকে ৩০০ মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়। স্ট্রোক তিন ধরনের- TIA, (২) progressing stroke ও complete stroke, TIA হলে রোগী ২৪ ঘণ্টায় মধ্যে Recovery হয়। progressing stroke এ রোগীর অবস্থা ক্রমাগত অবনতি হতে থাকে। complete stroke এ রোগীর অবস্থা আগের মতো থাকে বা অবনতি হয় না। আবার স্ট্রোক অন্যভাবেও classified করা যায়। এর একটি হলো- রক্তনালি ব্লক হয়ে স্ট্রোক বা intracerebral infraction. অন্যটা হলো ব্রেইনের রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে Brain এ রক্তক্ষরণ হওয়া। শতকরা ৮৫ ভাগ স্ট্রোক হয় রক্তনালি ব্লক হওয়ার কারণে এবং মাত্র শতকরা ১৫ ভাগ স্ট্রোক হয় রক্তনালি ছিঁড়ে গিয়ে ব্রেইনে রক্তক্ষরণের কারণে। আমাদের সময়

স্ট্রোকের কারণ : Ischeemic stroke-এর কারণ রক্তে কোলেস্টেরল বা খারাপ চর্বির আধিক্য। diabetis, sedentary worker এবং স্ট্র্রেসফুল job. তা ছাড়া হার্টের অসুখ থেকেও stroke হতে পারে। Haemorrhagic stroke বা Brain-এ রক্ত ক্ষরণ হয় High blood pressure বা উচ্চ রক্তচাপের জন্য।

Ischeemic stroke প্রতিরোধ করতে হলে রক্তের চর্বি কমাতে হবে। সেই জন্য ভাত কম খেতে হবে। শাকসবজি, সালাদ বেশি খেতে হবে। বয়স্ক মানুষের গরু, খাসির মাংস বর্জন করা ভালো। প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ মিনিট দ্রুতপায়ে হাঁটতে হবে। তা ছাড়া ধূমপান, মদ্যপান বর্জন করতে হবে।

আর Haemorrhagic stroke প্রতিরোধ করতে নিয়মিত High blood pressure এর ওষুধ খেতে হবে। একবেলায় যেন ওষুধ বাদ পড়ে না যায়। প্রয়োজনে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ পকেটে বা ব্যক্তিগত ব্যাগে বা অফিসের কর্মস্থলে রাখতে হবে। কথায় বলে, একবেলা ভাত না খেলে অসুবিধা নেই। কিন্তু একবেলা ওষুধ না খেলে চলবে না। stroke হয়ে গেলে কোনো নিউরোসার্জন বা নিউরোলজিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত অথবা বিশেষায়িত হাসপতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে।

লেখক : অধ্যাপক, নিউরোসার্জারি বিভাগ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

চেম্বার : ধানমন্ডি ল্যাবএইড হসপিটাল

০১৭১১৩৫৪১২০

সর্বাধিক পঠিত