শিরোনাম
◈ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে চার ফ্রন্টে কঠিন পরীক্ষা সরকারের ◈ হেটমায়ারের ঝড়ে রেকর্ড, বড় জয় নিয়ে সুপার এইটে ক্যারিবীয়রা ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর মাঠ প্রশাসনে বড় রদবদল, একযোগে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তা বদলি ◈ ন‌ভেম্ব‌রে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ  ◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৮ সকাল
আপডেট : ১৭ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৩৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ড. আতিউর রহমান: পাতাল রেল হতে পারে ঢাকার প্রাণভ্রোমরা

ড. আতিউর রহমান: শুনে খুশি হলাম যে পিপিপির আওতায় এক গুচ্ছ পাতাল রেলের প্রথম প্রকল্পটির জন্য কোরিয়ান অর্থায়নের জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ৫.২৭ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পটি টঙ্গি থেকে সদরঘাট পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার পাতাল রেল নির্মাণের জন্য। সব মিলে এগারোটি পাতাল রেলের মাধ্যমে ২৫০ কিলোমিটারের পাতাল রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে সরকার। তিরিশ বছরে এই অবকাঠামো মহাপরিকল্পনার পুরোটা সম্পন্ন করার আশা সরকারের। মেট্রো রেলের পর পাতাল রেল। এভাবেই স্বপ্নগুলো ডানা মেলছে। স্বপ্ন যতো বড় হবে স্বদেশের উন্নয়নের অভিযাত্রাও ততো গতিময় হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ বঙ্গবন্ধুর মতোই অনেক দূরে দেখার এই সাহসী দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। জাপান ও কোরিয়ার মতো পরিচ্ছন্ন উন্নয়ন সহযোগীকে সঙ্গে নেবার দূরদৃষ্টি দেখানোর জন্যও তাকে ফের ধন্যবাদ। তারা আমাদের পরীক্ষিত বন্ধু। ধারণা করছি যে মেট্রো ও পাতাল রেল চালু হলে ঢাকার চেহারাই বদলে যাবে। যানজট নেই।

সব শ্রেণির মানুষ নিরাপদে স্বল্প সময়ে নগরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে পারবেন অনায়াসে। টেকসই নগরায়নের জন্য এমন গণ-পরিবহন যে খুবই অপরিহার্য। হয়তো দেরিতে শুরু হচ্ছে এমন প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর কাজ। কিন্তু শুরু তো হচ্ছে। তাই-বা কম কী? প্রস্তাব করছি যে এই বিপুল নির্মাণযজ্ঞে যেন আমাদের প্রবাসী প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রথম থেকেই যুক্ত রাখা হয়।

উল্লেখ্য, জাপানের পাতাল রেলসহ দুনিয়ার অনেক বড় বড় সেতু ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে বাংলাদেশের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদরা দারুণ সুনামের সঙ্গে কাজ করে চলেছেন। যদ্দূর মনে পড়ছে, বছর দুই আগে এ বিষয়ে দৈনিক সমকালে এ বিষয়ে লিখেছিলাম। এবার তাদের দেশের অগ্রযাত্রায় যুক্ত হবার পালা। সবাই মিলেই আমরা উন্নত বাংলাদেশ গড়ার এই মহাকর্মযজ্ঞে শামিল হবার আশা রাখি। নিশ্চয়ই আমরা পারবো। পারতে যে আমাদের হবেই। চলমান ‘মুজিব বর্ষে’ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির প্রাক্কালে এই হোক আমাদের অঙ্গিকার। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়