প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্যারিস্টার রফিক-উল হক শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার দু:সময়ে আইনজীবী ছিলেন : মওদুদ আহমেদ

দেবদুলাল মুন্না: [২] এ কথা শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ প্রতিবেদককে তিনি বলেন। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সব সরকারের আমলে তাকে অ্যার্টনি জেনারেল হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু‘ তিনি আমাকে বলেছিলেন, তুমি যদি কখনো প্রধানমন্ত্রী হও তবে অ্যার্টনি জেনারেল হওয়ার অফার দিলে বিবেচনা করব। পরে ৮৮ সালে আমি প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি অ্যার্টনি জেনারেল হয়েছিলেন এবং কখনোই রানৈতিকভাবে প্রভাবিত ছিলেন না।

[৩] মওদুদ বলেন, তিনি আইনের শাসন চাইতেন বলেই সব রাজনৈতিক দলই তাকে পছন্দ করত। উনার সঙ্গে আমার পরিচয় ৬৬ সালে। আমি উনার ৬ বছরের জুনিয়র হলেও আমাদের সম্পর্ক ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ।

[৪] তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্ট বা বার অ্যাসোসিয়েশনের রাজনীতির সাথেও রফিকুল কখনো জড়িত হননি বলেই যে কোনো রাজনৈতিক দলের লোকই আইনি সমস্যা নিয়ে তার দ্বারস্থ হতে পারতেন।

[৫] মওদুদ জানান, তিনি হাসপাতাল করেছেন, আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতাল, বারডেম হাসপাতাল, আদ দ্বীন হাসপাতালের জন্য আমার জানামতে দুই কোটি টাকার ওপরে দান করেছেন। তিনি একজন দানশীল ছিলেন।

[৬] মওদুদ বলেন, রফিক ভাই, খুব নিয়মতান্ত্রিক জীবনযাপন করতেন। রবীন্দ্রসঙ্গীত উনার প্রিয় ছিল। সাহিত্য নিয়েও তার আগ্রহ ছিল।

[৭]রফিক-উল হক শনিবার সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছির ৮৫ বছর।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত