শিরোনাম
◈ অবৈধ ভবন রোধে কড়া বার্তা, কুমিল্লায় গণপূর্তমন্ত্রীর ঘোষণা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করতেই হবে তারেক রহমানকে ◈ বর্ণবি‌দ্বে‌ষি মন্তব‌্য বন্ধ কর‌তে ফুটবলে নতুন আইন করতে যাচ্ছে ফিফা ◈ ফুটবলার সামিত সোমের ছবি পোস্ট করে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানালো ফিফা  ◈ ক্ষমতা হস্তান্তরের পর কোথায় আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, কী করছেন এখন? ◈ ভয়ভীতি মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করবো: তথ্যমন্ত্রী ◈ মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল? ◈ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সভা ◈ প্রথমবার শহীদ মিনারে গিয়ে যা বললেন জামায়াত আমির

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২০, ১২:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] এবার মেঘালয়ের সব বাঙালি ‘বাংলাদেশি’ ঘোষণা খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়নের

মাছুম বিল্লাহ: [২] ভারতের মেঘালয়ে বাঙালি বিদ্বেষী আন্দোলন ভয়াবহ পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। গত বুধবার রাজধানী শিলঙে পোস্টারিং করে সব বাঙালিকে ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে মেঘালয়ের প্রভাবশালী ছাত্র সংগঠন খাসি স্টুডেন্ট ইউনিয়ন বা কেএসইউ। মেঘালয় পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে যে সব পোস্টার তারা সরিয়ে নিয়েছে ।

[৩] এ দিকে মেঘালয়ের সাবেক রাজ্যপাল, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রবীণ নেতা তথাগত রায় টুইট করে কেএসইউ-কে শীঘ্র নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন। তথাগতবাবু রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বলেছেন, এইচএনএলসি-র মতো কেএসইউ-ও একটি দেশদ্রোহী উগ্রপন্থী সংগঠন যারা ব্রিটিশ জমানা থেকে মেঘালয়ে বসবাসকারী মানুষদেরও তাড়াতে চাইছে।

[৪] এদিকে অল বেঙ্গলি স্টুডেন্ট অ্যান্ড ইউয়ুথ অর্গানাইজেশন নামে একটি সংগঠনের সভাপতি চন্দন চ্যাটার্জি ভোলাগঞ্জ, ইছামতি সহ বাংলাদেশ সংলগ্ন চারটি বাঙালি হিন্দু অধ্যুষিত চারটি গ্রাম সরেজমিনে পরিদর্শন করার যে আবেদন করেছিলেন তা খারিজ করে দিয়েছে মেঘালয় সরকার। রাজ্যের গৃহ দফতরের সচিব জানিয়ে দিয়েছেন, ভোলাগঞ্জ, ইছামতিতে কোনও ধরনের নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি।

[৫] ঠিক পরিস্থিতিতে কেএসইউ-র পোস্টারিং নতুন করে আরও আশঙ্কার জানান দিয়েছে বুধবার। খাসি ছাত্র সংস্থা সোজা ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, সব বাঙালিই বাংলাদেশি। একটি পোস্টারে তো এমনও বলা হয়েছে যে, ‘মেঘালয়, আসাম, মিজোরাম, ত্রিপুরায় বাঙালিরা যে অত্যাচার চালাচ্ছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।’ কেএসইউ-র এই অভিযান মারাত্মক চাপে ফেলে দিয়েছে মেঘালয়ের বাঙালিদের।

[৬] এদিকে আরও একটি উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে, গোটা ঘটনাটি বাঙালি বিরোধিতার গণ্ডি পেরিয়ে এবার হিন্দু-খ্রিস্টান বিদ্বেষের দিকেও গড়াতে শুরু করেছে।

[৭] কেএসইউ-র অভিযোগ, হিন্দু বাঙালিরা মেঘালয়ের ‘অসাম্প্রদায়িক’ ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইছে। অন্যদিকে পুজোর মুখে কেএসইউ দাবি জানিয়েছে, নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া চলবে না, এতে নদী দূষণ হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়