প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোহাম্মেদ শরীফ: দেশি পাকি-প্রেমী, ভারতীয়দের টিজ এবং আমাদের এগিয়ে যাওয়া

মোহাম্মেদ শরীফ: বহু বছর আগে অমর্ত সেন বলেছিলেন ‘মোদী ম্যাজিক’ গুজরাটে কাজ করলেও গোটা ভারতে কাজ করবে না। ছিট মহল বিনিময়ে যখন দেখা গেলো যে, অধিকাংশ মহল ভারতে না থেকে বাংলাদেশের পক্ষে মত দিয়েছেন তখন আমি বলেছিলাম যে, কাঁটা তারের বেড়া নিয়ে এমন নাভিশ্বাস উঠাচ্ছেন তা ভারত এক সময় নিজেই উঠিয়ে দিতে চাইবে, বাংলাদেশ দেবে না। দিন দিন বিষয়টা সেদিকেই গড়াচ্ছে। ছিট মহল ছাড়াও আমি দুইদেশে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোর উন্নয়নের ওপর নজর দিয়েছিলাম। সেই হিসেবেও কিন্তু অর্থনৈতিক কারণে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে গমনের যে যুক্তি বিজেপি সরকার দেখিয়ে থাকেন তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না বলে অভিমত দিয়েছিলাম। ওদের অর্থনৈতিক দিকের বাইরে কূটনীতি-পররাষ্ট্রনীতিতেও যে এই কাঁচা মোদী সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিবে সেই আশঙ্কাও করা হয়েছিলো। অতি সম্প্রতি শ্রিংলার তড়িঘড়ি করে বাংলাদেশে সফরও সেই নাদানীপনাই প্রকটভাবে ধরা পড়েছে। তা নিয়েও একটা স্টাট্যাস দিয়েছিলাম। তাই সেই দিকে আর গেলাম না।

আমার বক্তব্য পরিষ্কার পাকিস্তান কিংবা ভারতকে টপকে যাওয়াই মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নয়। কারণ তাদের জীবন যাত্রার মানও ততোটা বিশ্বমানের নয়। ধনী-গরিবের ব্যবধান কমিয়ে সর্ব সাধারণের জীবন-যাত্রার মানের অগ্রগতিই হলো উন্নয়নের মূল চাবি-কাঠি। আসল মাপ-কাঠি। রাশিয়া, চায়না, ভারত গণহারে বেসরকারিকরণ করেছে। এক সময় রতন টাটারা সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে যতোটুকু ভূমিকা রাখতে পেরেছিলেন মানবিক হওয়ার কারণে মিত্তেল আমবানীরা তা পারেননি। তাই গুটি কয়েক লোকের পাহাড় সমান জৌলুস দিয়ে সেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন বিচার্য নয়। আমাদের সরকারের প্রয়োজন এইদিকে কঠোর নজরদারি বাড়ানো। এই দেশি পাকি-প্রেমীরা কী বললো কিংবা ভারতীয়রা আমাদের টিজ করলে সেইগুলোর জবাব দিতে গিয়ে আমরা ওই দুই দেশের চেয়ে এগিয়ে গেলাম বলে জবাব দেওয়া গেল তা নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নেই, তৃপ্ত হওয়ারও প্রশ্ন উঠে না তাই। ৯৯ ভাগ মার্কিনি কানাডা সম্পর্কে কোনো খোঁজখবর রাখেন না বিধায় অনেকটা অবজ্ঞার সুরেই কথা বলেন। তা নিয়ে মাথা ঘামাতে কোনোদিন দেখিনি কানাডিয়ানদের। রাজস্বের মূল উৎ…ট্যোবাকো-বেভারেজ-এলকোহল, এখন মারিজুয়ানা। কানাডিয়ানরা কোনোদিনই নিজ দেশেরগুলো ছেড়ে আমেরিকানগুলোর দিকে নজর দেয় না। এটাই হলো খাঁটি দেশ প্রেম। তাই বিশ্বের দীর্ঘতম সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দূরে থাক, কোনো পাহারাই নেই! ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত