শিরোনাম
◈ রাজধানীতে মিরপুরে আতশবাজির ফুলকি থেকে ভবনে আগুন ◈ শোকের মাঝেও উৎসব: রাজধানীতে আতশবাজি–ফানুসে নববর্ষ বরণ ◈ যখন শেখ হাসিনার মুক্তি চেয়েছিলেন খালেদা জিয়া ◈ শুরু হলো ইংরেজি নতুন বর্ষ ২০২৬ ◈ নববর্ষের অঙ্গীকার হবে—অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে জবাবদিহিমূলক সরকার গঠন: তারেক রহমান ◈ খালেদা জিয়ার প্রয়াণে তারেক রহমানকে মোদির শোকবার্তা, যা লেখা আছে এতে ◈ বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারসহ ১৭ কমিশনার বদলি ◈ বেগম খালেদা জিয়ার কফিন বহন করলেন তিন আলেম: আজহারী, আহমাদুল্লা ও মামুনুল হক ◈ বেগম খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের জীবন ◈ রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকার: ভারতীয় কূটনীতিকের সঙ্গে ‘গোপন’ বৈঠকের কথা জানালেন জামায়াত আমীর

প্রকাশিত : ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল
আপডেট : ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সিনেমা হল: খবরে ‘খোলা’, বাস্তবে ‘বন্ধ’

ডেস্ক রিপোর্ট: সাত মাস পর চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় খবরটি আসে ১৪ অক্টোবর। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ১৬ অক্টোবর থেকে দেশের সব প্রেক্ষাগৃহ খুলতে পারবে। যা ঘোষণা দিয়ে একই মন্ত্রণালয় বন্ধ করেছিল গত ১৮ মার্চ।বাংলা ট্রিবিউন

খোলার খবরে হই হই রব পড়ে গেছে সংবাদমাধ্যম হয়ে সিনেমাপাড়ায়। যদিও আজ (১৬ অক্টোবর) দিনভর রাজধানী ঘুরে বাংলা ট্রিবিউন টিম দেখতে পায় শহরের বেশিরভাগ হলই বাস্তবে বন্ধ! বলাকা, মধুমিতা, জোনাকি, এশিয়া, স্টার সিনেপ্লেক্স, শ্যামলী সিনেপ্লেক্সের মতো জনপ্রিয় হলগুলোর সামনে ঝুলছে বন্ধের নোটিশ, মূল ফটকে তালা। তবে ফার্মগেটের ছন্দ-আনন্দ, ইংলিশ রোডের চিত্রামহল এবং ডেমরার রানিমহল খুলেছে। হলগুলোতে চলছে সমালোচিত নতুন ছবি ‘সাহসী হিরো আলম’।
বলাকা

শুধু রাজধানী নয়, প্রতিনিধি সূত্রে খোঁজ মিলেছে, গোটা দেশের চিত্র একই।
জানা গেছে, ঢাকাসহ সারাদেশে মোট ৬৬টি হল খুলেছে আজ (১৬ অক্টোবর)। এরমধ্যে ৩৯টিতে মুক্তি পেয়েছে ‌‘সাহসী হিরো আলম’। বাকি ২৭ হলে চলছে পুরনো ছবি। যার বেশিরভাগই শাকিব খানের। নতুন-পুরনো দুটো ক্ষেত্রেই এদিন হলগুলোতে দর্শক উপস্থিতি ছিল অনুল্লেখযোগ্য।
প্রদর্শক সমিতির সাবেক সভাপতি ও মধুমিতা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদের বক্তব্যে মিলেছে এমন চিত্রের যৌক্তিকতা। তিনি বলেন, ‘ভালো ছবি না আসলে হল খুলবো না। যেসব ছবির কোনও কোয়ালিটি নেই সেসব চালাতে চাই না। এতে লাভ তো দূরে থাক, খরচের টাকা ওঠে না। প্রয়োজনে বাইরে থেকে ছবি আনবো, তবু মানহীন কিছু চালাবো না।’

আনন্দএদিকে রাজধানীর অভিজাত দুই মাল্টিপ্লেক্সের মধ্যে যমুনা ব্লকবাস্টারের অর্ধেক খুলেছে। তাদের সাতটি স্ক্রিনের মধ্যে তিনটিতে ছবি চলছে। দর্শক বাড়লে বাকিগুলোও খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সংশ্লিষ্টদের। অন্যদিকে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় চেইন মাল্টিপ্লেক্স স্টার সিনেপ্লেক্সের সবক’টি হল বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির মিডিয়া অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে আমাদের কর্মীরা অনেকে ঢাকার বাইরে আছেন। দুই একদিনের মধ্যে ঢাকায় ফিরলেও তাদের করোনা টেস্ট করা এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে কোয়ারেন্টিনে রাখাসহ স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দুই সপ্তাহ সময় লাগছে। সে হিসেবে ২৩ অক্টোবর থেকে আমরা সব শাখা একসঙ্গে খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করে এটুকু নিশ্চিত, নতুন ও ভালো মানের সিনেমা না এলে সিনেমা হলগুলো সহসা খোলা হবে না।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়