প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ড. আতিউর রহমান: সামাজিক শান্তি টেকসই উন্নয়নের পূর্বশর্ত

ড. আতিউর রহমান: সমাজে শান্তি বিরাজ করলে ব্যবসা-বাণিজ্যে আস্থার পরিবেশ বজায় থাকে। উদ্যোক্তা, কর্মী এবং সাপ্লাই চেইনের সাথে জড়িত সকল অংশীজনের নিরাপত্তা বজায় থাকে। তাই অর্থনীতির সাথে সমাজের নিরাপত্তার একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। বিশেষ করে চলমান করোনাকালে এই সম্পর্কের বিষয়টি বাড়তি গুরুত্ব দাবি করছে। আর সেজন্যেই গতিময় অর্থনীতির ধারা বজায় রাখতে পুলিশ-প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। চারদিকে সমাজে অনাচার বেড়ে গেছে। ভূক্তভোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যও আজ অনেকটাই বিপন্ন। তাই পুলিশের কাছে এখন সমাজের প্রত্যাশাও বেড়ে গেছে। এমন সংকট কালে তাদের মানুষের বন্ধু হিসেবে দাঁড়াতে হবে।

মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেছি। করোনা মহামারি থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়া বিষয় নিয়ে তাদের সাথে মতবিনিময় করার সময় আমি আরও বলেছি যে নানা বাধা পেরিয়ে বাংলাদেশর অর্থনীতি ভালোভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব ব্যাংক প্রবৃদ্ধি প্রক্ষপণের নামে যে হতাশার চিত্র আঁকছে বাংলাদেশের অর্থনীতি তা থেকে অনেক অনেক দূরে অবস্থান করছে। সময়মতো কুশলি প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষনা করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের সঠিক পথে পরিচালিত করার সুযোগ করে দিয়েছেন। চাঙ্গা কৃষি, প্রবাস আয় এবং রেজিলিয়েন্ট পোষাক শিল্প আমাদের অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়াবার পথকে প্রশস্ত করেছে। পুনরুদ্ধারের এই ধারাকে আরো বেগবান করেছে মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিংসহ ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি। আগামীদিনে আমাদের অর্থনীতিকে আরো সবুজ এবং অংশগ্রহনমূলক করে যেতে হবে। কৃষি ও ক্ষুদে খাতের জন্য দেয়া প্রণোদনার সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রবসীদের কল্যণে আরও যত্নবান হতে হবে। সমাজ ও অর্থনীতিতে ভরসার পরিবেশ বজায় রাখা গেলে নিশ্চয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার আরো গতিময় হবে। ফেসবুক থেকে

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত