শিরোনাম
◈ দুই দশক পর তারেক রহমান চট্টগ্রামে: ভোর থেকে পলোগ্রাউন্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের ভিড় ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় চীনের অগ্রগতি, সমঝোতার পথে বাংলাদেশ ◈ আই‌সি‌সি থে‌কে জয় শাহকে ‘গদিচ্যুত’ করার সুবর্ণ সুযোগ! বাংলা‌দে‌শের সমর্থনে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ বয়কটের পরামর্শ সা‌বেক‌দের ◈ ‌বি‌পিএল চ্যাম্পিয়ন হয়ে শান্তরা পেলো ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ◈ যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় না থাকায় কতটা ক্ষতি হবে বাংলাদেশের ◈ সাকিব আল হাসানকে দলে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি ◈ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশকে ভারত সবসময় সমর্থন করবে: প্রণয় ভার্মা ◈ পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ-গণনা নিয়ে ইসির পরিপত্র জারি ◈ আইসিসি আমাদের অনুরোধে সাড়া দেয়নি, কিছু করার নেই: বিসিবি  ◈ আইসিসি প্রকাশ করল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নতুন সূচি, বাংলাদেশকে নিয়ে দিলো বার্তা

প্রকাশিত : ১৩ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৩ অক্টোবর, ২০২০, ১০:৪০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ট্রাফিক জ্যাম ছিন্নমূলদের কর্মসংস্থান তৈরির অবলম্বন, হকাররা বলছেন, জ্যাম নাই তো আয় নাই

শাহীন খন্দকার: [২] রাজধানীতে ট্রাফিক জ্যামে গাড়ির চাকা আটকে গেলেই, ছিন্নমূল মানুষদের জীবনের চাকা ঘুরতে শুরু করে। গাড়ি থামা মাত্রই বিভিন্ন খাদ্য ও পণ্যদ্রব্য নিয়ে যানবাহনের দিকে দৌড়াতে শুরু করেন তারা।

[৩] ঢাকার প্রতিটি সিগন্যালেই হকারদের উপস্থিতি দেখা যায়। কেউ শসা, বাদাম, আমড়া, পেয়ারা, কেউ পানি কিংবা চিপস বিক্রি করছেন। এর বাইরে নিত্যদিনের ব্যবহারযোগ্য কিছু চায়না পণ্য বিক্রি করেন তারা।

[৪] জ্যামে বসে সময় কাটানোর জন্য খাবারকেই বেছে নেন বেশিরভাগ যাত্রী।

[৫] হকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীর প্রায় একশত ট্র্যাফিক সিগন্যাল-পয়েন্টে এবং বাসস্ট্যাণ্ডে হকার হিসেবে যুক্ত রয়েছেন ১৫ থেকে ২০ হাজার।

[৬] পানি বিক্রেতা ফরিদ (২০)। গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ, থাকেন ঢাকার গুলিস্তানের ফুলবাড়িয়া এলাকায়। প্রতিদিন ঢাকার রাস্তায় পানি বিক্রি করে বোতল প্রতি ৫ টাকা লাভ করেন তিনি।

[৭] দৈনিক তার আয় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পানি বিক্রি করেন তিনি।

[৮] আমড়া বিক্রেতা আলাল (১৭) জানালেন, প্রতিদিন তিনশ থেকে ছয়শ আমড়া বিক্রে করেন। জ্যাম থাকলে বিক্রি বেশি হয়। তার সারাদিনের যে আয়, তাতে কোনও রকম ঘর ভাড়া দিয়ে পরিবারের খরচ চালান।

[৯] জামাল জানান, সকালের অফিস টাইম আর দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটে। কারণ, এই সময় গাড়ির চাপ থাকে অনেক। যখন রাস্তায় গাড়ি থাকে না, তখন একপাশে বসে থাকতে হয়। ট্র্যাফিক সিগন্যাল পড়ার সঙ্গে সঙ্গে গাড়ির কাছে দৌড়ে যান। এভাবেই চলে হকারদের প্রতিদিনের জীবন।সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়