প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় এ পর্যন্ত ভারত ও বাংলাদেশে একটি করে মামলায় ফাঁসির রায় কার্যকর

আসিফুজ্জামান পৃথিল : [২]দুটিই হয়েছে তীব্র গণআন্দোলনের মুখে, বাংলাদেশে পুলিশের গুলীতে প্রাণ দিয়েছিলেন ১৭ জন

[৩] ইয়াসমিন আক্তার ঢাকার একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করতেন। দিনাজপুর শহরের লালবাগ এলাকার এই কিশোরীর বয়স ছিলো ১৪। ১৯৯৫ সালের ২৪ আগস্ট নিয়োগকর্তারা তাকে ঢাকা থেকে দিনাজপুরের বদলে ঠাকুরগাঁও এর বাসে তুলে দেয় । বাস তাকে নামিয়ে দেয় ১০ মাইল মোড়ে। পরবর্তীতে কোতওয়ালী থানার টহল পুলিশের একটি দল মেয়েটিকে বাড়িতে পৌঁছে দেবার জন্য গাড়িতে তুলে নেয়। পরদিন সকালে মেয়েটির লাশ পাওয়া যায় রাস্তায়।

[৪] স্থানীয় এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ২৫ আগস্ট স্থানীয় দৈনিক উত্তরবাংলার সম্পাদক মতিউর রহমানকে জানান এই হত্যা ও ধর্ষণের কথা। সেদিনই মতিউর রহমানের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে পুলিশের ন্যাক্কারজনক ভুমিকা। রাতে পুলিশ তার পত্রিকা অফিসের বৈদ্যুতিক লাইন কেটে দেয়। তিনি প্রতিবেশির কাছ থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে প্রকাশ করেন ২৬ আগস্টের পত্রিকা। এরপরই দিনাজপুর হয়ে উঠে উত্তাল।

[৫] কারফিউ দিয়েও পুলিশ সে আন্দোলন দমাতে পারেনি। পুলিশের গুলিতে নিহত হন ১৭ জন, আহত শতাধিক। জনতার রোষে জেলার ১৩ থানা থেকে পালায় সকল পুলিশ সদস্য। আসামীদের মধ্যে ১৯৯৭ সালে ২ জন আর ২০০৫ সালে আরেকজন গ্রেপ্তার হন। ২০০৪ সালে ফাঁসির রায় ঘোষণার পর ২০০৬ সালে এসে কার্যকর হয় বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত ধর্ষণ মামলার রায়।

[৬] ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লির একটি বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হন দিল্লির মেডিক্যাল ছাত্রী নির্ভয়া। তার মৃত্যু হলে উত্তাল হয়ে পড়ে পুরো ভারত। প্রথমবারের মতো আইনে সংশোধন এনে কোনও ধর্ষণ মামলায় ফাঁসির রায় দিতে বাধ্য হন আদালত। এই মামলার ৫ আসামীর একজন বিচার চলাকালেই আত্মহত্যা করে। বাকি ৪ জনের ফাঁসির রায় চলতি বছরের ২০ মার্চ তিহার জেলে কার্যকর করা হয়। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত