প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] তালতলীতে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ফেঁসে গেলো প্রতিপক্ষ

কাওসার হামিদ: [২] বরগুনার তালতলীতে জমিজমার বিরোধের জের ধরে অটো চালককে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে প্রতিপক্ষই ফেঁসে গেলো। ইয়াবা চক্রের আবুল হোসেন নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকি দুইজন পলাতক রয়েছেন।

[৩] শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বিষয়টি নিশ্চত করেন। এ ঘটনার জড়িত আবুল হোসেন (২৭), নিজাম জোমাদ্দারসহ তিন জনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন (২৭) উপজেলার ঠং পাড়া এলাকার মো. ইউসুফ আলীর পুত্র ।

[৪] পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মৌরুবী এলাকার জহিরুলের পরিবারের সাথে একই এলাকার জাহাঙ্গীর জোমাদ্দার ও ফারুক জোমাদ্দারসহ তাদের পরিবারের সাথে জমিজমার বিরোধ চলে আসছিলো। এইর জের ধরে ফারুক জোমাদ্দারের ছেলে নিজাম জোমাদ্দার তাদের প্রতিপক্ষ খলিল মুন্সীর ছেলে জহিরুলকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করেন।

[৫] নিজাম জোমাদ্দার আবুলসহ ও তার সহযোগিদের চার হাজার টাকার চুক্তি করেন। এর পরে শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে উপজেলার সদর রোডের বাসস্টান এলাকায় জহিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি অটো- বোরাক থামিয়ে একটি দোকান থেকে মালামাল ক্রয়ের জন্য যায়।

[৬] এই সুযোগে ৩ পিস ইয়াবা ও ৫ গ্রাম গাঁজা জহিরুলের অটো-বোরাকের সিটের নিচে রাখেন আবুল হোসেন ও তার তিন সহযোগী। এরপরে পুলিশকে খবর দেয় আবুল। পুলিশ গিয়ে সিটের নিচ থেকে ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার করে ও জহিরুল কে আটক করেন।

[৭] এদিকে জহিরুল কে আটকের পরে বিষয়টি পুলিশের সন্দেহ হলে তথ্যদাতা আবুল হোসেনকে শুক্রবার রাতেই আটক করে প্রাথমিভাবে জিজ্ঞাসা করেন। পরে তিনি বলেন জহিরুলের পরিবারের সাথে জমিজমার বিরোধের জেরে তাদের প্রতিপক্ষরা নিজাম জোমাদ্দার ৪ হাজার টাকা দেয়। ঐ টাকা দিয়ে ইয়াবা ও গাঁজা কিনে গাড়িতে রেখে তাকে ফাঁসানো হয়েছে।

[৮] তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান মিয়া বলেন, জহিরুল ইসলাম নামের একজনকে ৩ পিস ইয়াবা ও ৫ গাঁজাসহ আটক করা হয়। পরে খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় জহিরুল জীবনেও কোনোদিন মাদকের সাথে জড়িত না। যারা মাদকের তথ্য দিয়ে তারাই গাড়িতে মাদক রেখে জহিরুল কে ফাঁসিয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত