শিরোনাম
◈ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন রোডম্যাপ, কী থাকছে পরিকল্পনায় ◈ ব্যয় সংকোচনে কঠোর সরকার : গাড়ি কেনা-ভবন নির্মাণ বন্ধ, সীমিত হচ্ছে বিদেশ সফর ◈ ভারী বৃষ্টি ও উজানের পানি বিপৎসীমার ওপরে, ১০ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা ◈ দুর্ঘটনা নাকি চুরির সময় বিস্ফোরণ? অগ্নিদগ্ধ সৌদিপ্রবাসী মীর ইব্রাহিমের ঘটনা ঘিরে নতুন প্রশ্ন, সামনে এলো ভিন্ন দাবি ◈ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের পরই বাংলাদেশ, খেলাপি ঋণে বিশ্বে দ্বিতীয়: ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছাড়াল ৬০ শতাংশ ◈ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা বিবেচনায়: প্রধানমন্ত্রী ◈ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, নিহত বেড়ে ৮; তিন দিনে প্রাণহানি ২১ ◈ সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে, নীতিগত অনুমোদন ◈ ঢামেকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রীর সফর, চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি ◈ ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান, সমঝোতা বাতিলের ঘোষণা

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কারাবাখ নিয়ে সংঘাতে জড়াবে না রাশিয়া, নেই আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা

সিরাজুল ইসলাম: [২] রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত পাঁচ দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি কারাবাখের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এ কারণে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে তারা হস্তক্ষেপ করবে না।

[৩] তিনি বুধবার বলেন, আর্মেনিয়া রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও সামরিক জোটের সদস্য। এ জোট বাইরের আগ্রাসন থেকে সদস্য দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কারাবাখের ক্ষেত্রে এ জোট বা চুক্তি কার্যকর নয়। কারণ নাগরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে পুতিন বলেছেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা আর্মেনীয় ভূখণ্ডে নয়।

[৪] মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ইরানের প্রতিবেশী। আজারবাইজানকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ইরান আবার রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।

[৫] কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতিগত আর্মেনিয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। দীর্ঘ বছরের উত্তেজনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর কার্যত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১০ লাখের বেশি আজেরিয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বছরের পর বছর নতুন নতুন এলাকা দখল করে আসছিলো আর্মেনিয়রা। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা, এএফপি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়