শিরোনাম
◈ মির্জা ফখরুলের ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে ◈ নৌশাদ মুসার কো‌চিং‌য়ে বাংলা‌দে‌শের সাফ ফুটব‌লে ভার‌তের অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নি‌বে ◈ এবার ব্যালন ডি’অরে মেসির পঞ্চম স্থান নিয়ে কটাক্ষ ◈ বছর শেষে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ◈ ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে গ্রেপ্তার হাওয়া নারীর জামিন ◈ জিন্সের প্যান্ট ও অন্তর্বাসে সেলাই করে ১২ কেজি স্বর্ণ পাচার, দুই চীনা যাত্রী আটক ◈ চীনে চাকরির প্রলোভনে ১২ নারীকে নির্যাতন, রাজধানীতে ৫ লাখ ইয়াবা ও বিদেশি মদ উদ্ধার ◈ ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত ◈ বাংলাদেশ-জাপানের ৬ সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কারাবাখ নিয়ে সংঘাতে জড়াবে না রাশিয়া, নেই আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা

সিরাজুল ইসলাম: [২] রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত পাঁচ দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি কারাবাখের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এ কারণে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে তারা হস্তক্ষেপ করবে না।

[৩] তিনি বুধবার বলেন, আর্মেনিয়া রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও সামরিক জোটের সদস্য। এ জোট বাইরের আগ্রাসন থেকে সদস্য দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কারাবাখের ক্ষেত্রে এ জোট বা চুক্তি কার্যকর নয়। কারণ নাগরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে পুতিন বলেছেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা আর্মেনীয় ভূখণ্ডে নয়।

[৪] মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ইরানের প্রতিবেশী। আজারবাইজানকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ইরান আবার রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।

[৫] কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতিগত আর্মেনিয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। দীর্ঘ বছরের উত্তেজনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর কার্যত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১০ লাখের বেশি আজেরিয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বছরের পর বছর নতুন নতুন এলাকা দখল করে আসছিলো আর্মেনিয়রা। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা, এএফপি

 

  • সর্বশেষ