শিরোনাম
◈ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা হিমাংশু পাল ◈ পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়নের অভিযোগ: সাবেক মন্ত্রী, এমপিসহ ২০ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ হচ্ছে ◈ আ‌মে‌রিকার মানুষ বিরক্ত হলে ইসরায়েলে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী হবো: ট্রাম্পের মন্তব্যে তোলপাড়  ◈ ইরা‌নের প্রতিটি মুহূর্তই ‘মহাশয়তান’এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সংগ্রামের সময়: সর্বোচ্চ নেতা  ◈ গাজীপুরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিতি, খুলেছে অধিকাংশ পোশাক কারখানা ও কাজে ফিরছেন শ্রমিকরা ◈ অ‌নেক লড়াই ক‌রে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে জয়ে ফিরলো আর্সেনাল ◈ হলান্ডের গোলে লাইপজিগের মাঠে ম‌্যান‌চেস্টার সিটির কষ্টার্জিত জয় ◈ মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী, বন্দরে দুটি কনটেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন ◈ ভালভের্দের অবিশ্বাস্য গোলে শেষ মুহূর্তে রিয়ালের জয় ◈ আজ শুরু সাফ চ‌্যা‌ম্পিয়ন‌শিপ, প্রথম দিনেই ভারত-পাকিস্তান মহারণ, রা‌তে বাংলা‌দেশ-ভুটান ম‌্যাচ

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কারাবাখ নিয়ে সংঘাতে জড়াবে না রাশিয়া, নেই আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা

সিরাজুল ইসলাম: [২] রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত পাঁচ দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি কারাবাখের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এ কারণে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে তারা হস্তক্ষেপ করবে না।

[৩] তিনি বুধবার বলেন, আর্মেনিয়া রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও সামরিক জোটের সদস্য। এ জোট বাইরের আগ্রাসন থেকে সদস্য দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কারাবাখের ক্ষেত্রে এ জোট বা চুক্তি কার্যকর নয়। কারণ নাগরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে পুতিন বলেছেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা আর্মেনীয় ভূখণ্ডে নয়।

[৪] মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ইরানের প্রতিবেশী। আজারবাইজানকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ইরান আবার রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।

[৫] কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতিগত আর্মেনিয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। দীর্ঘ বছরের উত্তেজনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর কার্যত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১০ লাখের বেশি আজেরিয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বছরের পর বছর নতুন নতুন এলাকা দখল করে আসছিলো আর্মেনিয়রা। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা, এএফপি

 

  • সর্বশেষ