শিরোনাম
◈ যে কারণে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানালেন ফারুকী ◈ ১০ জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা, বিপৎসীমা ছুঁতে পারে কয়েকটি নদী ◈ গুলশান থেকে গাজীপুরের সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার ◈ ভারতে হাসিনাকে সংবাদমাধ্যমে কথা বলার সুযোগ, ঢাকার তীব্র ক্ষোভ ◈ বিদ্যালয় থেকে ফেরার পথে শিশুকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ছড়িয়ে অভিযুক্তদের নৃশংসতা ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নয়: মালয়েশিয়া ◈ মাগুরায় সাকিবের বাড়িতে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ, বিস্ফোরিত দুটি পেট্রলবোমা (ভিডিও) ◈ তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন ইনফান্তিনো, ফিফার বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ এশিয়ার দেশের ◈ দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে সু‌যোগ পে‌লেন বাংলা‌দে‌শের রিশাদ হো‌সেন ◈ দুর্বল চুক্তিতেই বাড়ছে ইরান যুদ্ধের নতুন সংঘর্ষের আশঙ্কা: বিশ্লেষক

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কারাবাখ নিয়ে সংঘাতে জড়াবে না রাশিয়া, নেই আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা

সিরাজুল ইসলাম: [২] রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত পাঁচ দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি কারাবাখের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এ কারণে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে তারা হস্তক্ষেপ করবে না।

[৩] তিনি বুধবার বলেন, আর্মেনিয়া রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও সামরিক জোটের সদস্য। এ জোট বাইরের আগ্রাসন থেকে সদস্য দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কারাবাখের ক্ষেত্রে এ জোট বা চুক্তি কার্যকর নয়। কারণ নাগরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে পুতিন বলেছেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা আর্মেনীয় ভূখণ্ডে নয়।

[৪] মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ইরানের প্রতিবেশী। আজারবাইজানকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ইরান আবার রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।

[৫] কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতিগত আর্মেনিয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। দীর্ঘ বছরের উত্তেজনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর কার্যত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১০ লাখের বেশি আজেরিয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বছরের পর বছর নতুন নতুন এলাকা দখল করে আসছিলো আর্মেনিয়রা। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা, এএফপি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়