শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালী দখলে ট্রাম্পের ‘মিত্র জোট’ আহ্বান, সরাসরি প্রত্যাখ্যান ফ্রান্সের ◈ প্রচুর টাকা ঢেলেও প‌য়েন্ট টে‌বি‌লের তলানীতে লিভারপুল  ◈ প্রবাসীদের জন্য বিশেষ সুবিধা ঘোষণা করলো আমিরাত সরকার ◈ ইরানের পাল্টা হামলায় প্রতিরক্ষা সংকটে ইসরায়েল ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অস্থির ডলারের বাজার, দুর্বল হচ্ছে টাকা ◈ মধ্যস্থতার চেষ্টা ব্যর্থ, ইরান যুদ্ধ থামাতে রাজি নয় ট্রাম্প ◈ বাংলাদেশে এসে বিশ্বকাপে ব্যর্থতার দায়ে বড় অঙ্কের জরিমানামুক্ত হওয়ার সুখবর পেলো পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ◈ আঙ্কারায় বাংলাদেশ–তুরস্ক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক, সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকার ◈ হাদির হত্যাকারীদের পালাতে ‘সহায়তাকারী’ ফিলিপ সাংমাও পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার ◈ পূর্বাচল প্লটের ৬ লাখ টাকার কাঠা এখন ৭৫ লাখ: নতুন দাম নির্ধারণ করলো রাজউক

প্রকাশিত : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত
আপডেট : ০৯ অক্টোবর, ২০২০, ০১:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কারাবাখ নিয়ে সংঘাতে জড়াবে না রাশিয়া, নেই আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা

সিরাজুল ইসলাম: [২] রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত পাঁচ দেশের সঙ্গে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তি কারাবাখের ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। এ কারণে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে চলমান যুদ্ধে তারা হস্তক্ষেপ করবে না।

[৩] তিনি বুধবার বলেন, আর্মেনিয়া রাশিয়ার নেতৃত্বাধীন সিএসটিও সামরিক জোটের সদস্য। এ জোট বাইরের আগ্রাসন থেকে সদস্য দেশগুলোর সুরক্ষা নিশ্চিত করে। কারাবাখের ক্ষেত্রে এ জোট বা চুক্তি কার্যকর নয়। কারণ নাগরনো-কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত। তারা আর্মেনিয়ার সঙ্গে কথা বলেছেন। এর আগে পুতিন বলেছেন, আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তা আর্মেনীয় ভূখণ্ডে নয়।

[৪] মুসলিম প্রধান দেশ আজারবাইজানকে জোরালো সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে তুরস্ক। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান ইরানের প্রতিবেশী। আজারবাইজানকে সমর্থন দিচ্ছে ইরান। ইরান আবার রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোও এতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন বিশ্লেষকরা।

[৫] কারাবাখ অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করছে জাতিগত আর্মেনিয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। দীর্ঘ বছরের উত্তেজনার পর ২৭ সেপ্টেম্বর কার্যত যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশ। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধে অন্তত ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। ১০ লাখের বেশি আজেরিয় এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়। বছরের পর বছর নতুন নতুন এলাকা দখল করে আসছিলো আর্মেনিয়রা। সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা, এএফপি

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়