প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

করোনায় ৪ মাস কম খেয়েছে দেশের অর্ধেকের বেশি পরিবার

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আঘাতে জর্জরিত পুরো বিশ্ব। বাংলাদেশেও পড়েছে এর নেতিবাচক প্রভাব।

দেশের খানাভিত্তিক (পরিবার) আর্থিক সমস্যার অভিঘাতের হার ৬৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। চলমান করোনার সময় ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ খানা (পরিবার) কোনো না কোনোভোবে খাদ্যদ্রব্য ভোগের পরিমাণ ২০২০ সালের মার্চের তুলনায় কমিয়েছে। এদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশ খানা মাসিক আয় কমার কারণে খাদ্যদ্রব্য ভোগের পরিমাণ কমিয়েছে বলে মত প্রকাশ করে। ফলে করোনার কারণে দেশে লকডাউন থাকায় এপ্রিল-জুলাইয়ে (চার মাস) দেশের অর্ধেকের বেশি পরিবার কম খেয়ে থেকেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) একনেক সভায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘কোভিড-১৯ বাংলাদেশ: জীবিকার ওপর অভিঘাত ধারণা জরিপ-২০২০’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। গণভবন থেকে একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।
একনেক শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ইয়ামিন চৌধুরী ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. তাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

জরিপের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ছিলেন বিবিএস-এর সেন্সাস উইংয়ের উপ-পরিচালক মহিউদ্দিন আহমেদ।

প্রকাশিত জরিপে দেখা গেছে, শতকরা প্রায় ৬৮ দশমিক ৩৯ ভাগ খানা কোনো না কোনোভাবে করোনার অভিঘাতে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বিশেষ করে রিকশা/ভ্যানচালক ও দিনমজুররা অধিক মাত্রায় আর্থিক সঙ্কটের সম্মুখীন হয়েছে।

কোভিড-১৯ আর্থিক সংকট মোকাবিলায় প্রায় ২১ দশমিক ৩৩ শতাংশ পরিবার সরকারি সহায়তা গ্রহণ করছে। আর সরকারি ত্রাণ গ্রহণকারী এ পরিবারগুলোর ৯৪ দশমিক ৪৪ শতাংশের ২০২০ সালের আগস্ট মাসের এবং ৮২ দশমিক ৬৪ শতাংশ ২০২০ সালের মার্চ মাসের আয় ছিল ২০ হাজার টাকা। সরকারি ত্রাণ বেশির ভাগ নিম্নআয়ের পরিবারগুলো পেয়েছে।

বিবিএস জরিপের পরিসংখ্যান থেকে এটি প্রতীয়মান হচ্ছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশে একটি গতিশীল শ্রমবাজার রয়েছে, যা অত্যন্ত ইতিবাচক। অর্থাৎ বর্তমানে কোভিড-১৯ মহামারির অভিঘাত ক্রমান্বয়ে কাটিয়ে উঠছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দৈব চয়নের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৪০টি মোবাইল ফোন নম্বর নির্বাচন করে। বিটিআরসি থেকে একটি ফ্রেম সংগ্রহ করা হয়েছিল। উক্ত ফ্রেমে বাংলাদেশে বিদ্যমান চারটি মোবাইল অপারেটরের আনুপাতিক সংখ্যায় নম্বর পাওয়া যায়। জরিপের প্রকৃত উত্তরদাতা ৯৮৯ জন। উত্তর দেওয়ার হার ৪৮ দশমিক ৪৮ শতাংশ।বাংলানিউজ

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত