শিরোনাম
◈ অতিরিক্ত উৎপাদনে আলুর দরপতন, কেজিতে ১৪ টাকা পর্যন্ত লোকসানে কৃষক ◈ মব থামছে না, দিন‌কে দিন রাজ‌নৈ‌তিক চেহারা পা‌চ্ছে, নেপথ্যে কী? ◈ গ্যাস বরাদ্দে সার ও বিদ্যুত বে‌শি গুরুত্ব পাওয়ায় দে‌শের এক হাজার শিল্পকারখানা বন্ধের উপক্রম ◈ দুর্গাপূজার মহানবমীতে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে  প্রধানমন্ত্রী তারেক, রংপুর থেকে রাজশাহী, এরপর চট্টগ্রামে ◈ তাঁবু রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ, আয় ২৩ কোটি ডলারের বেশি ◈ জিম্বাবুয়ের কাছে হারের পর ক্রিকেটার‌দের তা‌মিম বল‌লেন, ক‌ঠোর প‌রিশ্রম চা‌লি‌য়ে যাও রেজাল্ট পা‌বে ◈ টানা পাঁচ দিনের ছুটিতে রাজধানী ছাড়ছেন নগরবাসী ◈ বৈধ অস্ত্র দিয়ে ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম ◈ ছবি চালিয়ে বিদ্যুৎ বিলের টাকাও উঠছে না, চিরতরে বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের ‘উল্কা’ সিনেমা হল ◈ কক্সবাজারের পাহাড়ি সড়কে দুই দফায় ডাকাতি, ১৫-১৬টি যানবাহনের যাত্রীদের মালামাল লুট

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:১৮ দুপুর
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:১৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে নিখোঁজ চেয়ারম্যান প্রার্থী

ডেস্ক রিপোর্ট : বগুড়ার ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ রানা নিখোঁজ হয়েছেন। উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে বুধবার মাসুদ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন বলে দাবি করেছে তার পরিবারের সদস্যরা। তিনি উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের রামনগর গ্রামের বাসিন্দা এবং বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) মাসুদ রানার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি তার বাবা ইয়াকুব আলী নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘মাসুদ রানা বুধবার সকালের দিকে ধুনট শহরে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু রাতে বাড়িতে ফিরে না আসায় তার সন্ধান করতে থাকি। বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনটিও বন্ধ রয়েছে। তাকে খুঁজে না পেলে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।’

জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল নির্বাচনে উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সাইফুল ইসলাম ফটিক নির্বাচিত হন। বার্ধক্যজনিত কারণে ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এ কারণে ১৬ ফেব্রুয়ারি কালেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। আগামী ২০ অক্টোবর ওই ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই নির্বাচনে মাসুদ রানা বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ২৩ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। বুধবার দুপুরের দিকে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে উপজেলা পরিষদ চত্বরেও আসেন। সেখানে অনেকেই তাকে মনোনয়নপত্র হাতে নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখেছেন। কিন্তু তিনি মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।

ধুনট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার মোকাদ্দেছ আলী বলেন, ‘চেয়ারম্যান পদে সাতজন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। এর মধ্যে পাঁচজন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। অবশিষ্ট দুজনের মধ্যে মাসুদ রানা বিএনপির প্রার্থী পরিচয় দিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু তিনি কেনো মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি।’

ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, ‘এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পূর্বপশ্চিমবিডি

 

  • সর্বশেষ