শিরোনাম
◈ আজ বসছে জাতীয় সংসদ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান টানাপোড়েন: সমঝোতার পথ সংকীর্ণ, বাড়ছে ‘মৃত্যু ও ধ্বংসের’ আশঙ্কা ◈ এপ্রিলে ৩ দেশ সফর করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান: দ্য প্রিন্টের খবর ◈ মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পর কতটুকু কার্যকর? ◈ ব্যাংক ঋণে ব্যবসা করা হালাল হবে কিনা, এ নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ ◈ শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা পাওয়া নিয়ে স্বস্তির খবর, যা জানালেন মাউশি ◈ ফিফা র‍্যাঙ্কিং- আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের অবনতি, বাংলা‌দেশ ১৮২ নম্ব‌রে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি: শর্ত নিয়ে প্রশ্ন, পর্যালোচনায় সরকার ◈ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুতের তথ্য দিলে মিলবে পুরস্কার, সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযান শুরু ◈ ৭১-এর অপরাধ পাকিস্তান আজও অস্বীকার করে, বাংলাদেশের পাশে আছে ভারত: রণধীর জয়সওয়াল

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৫০ সকাল
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিল্পী সমিতির বঞ্চিত ১৮৪ শিল্পী ভোটাধিকার ফিরে পাচ্ছে!

ইমরুল শাহেদ : শিল্পী অধিকার ফোরামের মুখপাত্র অভিনেতা জামাল পাটোয়ারী কারো নাম উল্লেখ না করে বলেছেন, শিল্পী সমিতি থেকে তাদের বাদ পড়ার বিষয়টি বিভিন্ন কর্নার থেকেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করে জানান, অচিরেই তাদের এই সমস্যাটির সমাধান হয়ে যাবে। শিল্পী সমিতির নির্বাচনের আর বেশিদিন নেই।

পরবর্তী নির্বাচনে তারা ভোট দিতে পারবেন এবং নিজেদের পছন্দ মতো নেতা নির্বাচনের সুযোগ পাবেন। শিল্পী সমিতির বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে মুখরিত চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। এই সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান অনেকটা বেকায়দায় পড়লেও তার প্রভাব নেই তাদের অভিব্যক্তিতে। মিশা সওদাগর ইতোমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেছেন। যাওয়ার আগে প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সঙ্গে তার যা যা কথা হয়েছে, তার একটা লিখিত জবাব দিয়ে যাওয়ার কথা ছিল। সেটা তিনি করেননি।

তাতে প্রযোজকরা তার ওপর আরো ক্ষুব্ধ হয়েছেন। শিল্পী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, তিনি কাউকে দায়িত্বও বুঝিয়ে দিয়ে যাননি। জায়েদ খান গণমাধ্যমকে বলেছেন, আগে তিনি অভিনেতা, তারপর নেতা। কিন্তু মুখে এ কথা বললেও বাস্তবের সঙ্গে কোনো মিল নেই। তার নেতাসুলভ আচরণই বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রযোজক ও কলা-কুশলীরা মিশা-জায়েদের সঙ্গে কাজ করবেন না বলার পরেও তারা এই সমস্যা সমাধানে তারা এগুননি। তারা ইচ্ছে করলেই সকলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটির সমাধান করে নিতে পারতেন। সে উদ্যোগ তারা নেননি।

তাদের অভিব্যক্তিতে বরাবরই নেতাসুলভ আচরণ প্রকাশ পেয়েছে এবং এখনো পাচ্ছে। প্রযোজক ও কলা-কুশলীরা যদি তাদের সঙ্গে কাজ না করেন, তাহলে তারা অভিনেতা থাকবেন কিভাবে। মিশা সওদাগর ইতোমধ্যে আটটি ছবি থেকে বাদ পড়েছেন। পরিস্থিতি এমনটা হওয়া উচিত নয় চলচ্চিত্র শিল্পের স্বার্থেই। কারণ একজন মিশা সওদাগর তৈরি হতে চলচ্চিত্রের অনেক অর্থ ব্যয় হয়েছে। এসব দিক বিবেচনা করে হলেও সংকটের নিষ্পত্তি হওয়াটা জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়