প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শিশু হাসপাতাল এশিয়ার সেরা হাসপাতাল হবে : অধ্যাপক সৈয়দ সফি আহমেদ

শাহীন খন্দকার : [২] শিশু হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ সফি আহমেদ বলেন, বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৪টি আন্তবিভাগ ও ২৫টি বর্হিবিভাগের মাধ্যমে চলছে চিকিৎসাসেবা। তিনি বলেন, এখানে ইনকিউবেটর আছে। ভেন্টিলেটর মেশিন, শিশু সার্জারি ওয়ার্ড রয়েছে। আইসিইউ, ক্রিটিক্যাল কেয়ার সেন্টার, এমআইসি ইউ,পিআইসিইউসহ সিসিএনসি লিউকোমিয়া ক্রনিক, মাইলোসাইটিক,লিভার ডিজিজ,হৃদপিন্ডের জন্মগতত্রুটি,অটিজম,থ্যালসিমিয়া,জিনসিকোয়েন্সিং,হার্টের চিকিৎসহ সব ধরনের শিশু রোগের চিকিৎসায় শতাধিক শয্যা,আইসিইউ ইউনিটসহ শি কোভিড ইউনিটি রয়েছে। হাসপাতালে বিদেশি চিকিৎসকরা গবেষণা করছেন। এখান থেকে বিদেশি ডাক্তারা উন্নত শিশু চিকিৎসায় গবেষণা শেষে নিজ দেশে ফিরে চিকিৎসা পেশায় নিবেদিত হচ্ছে।

[৩] তিনি বলেন, হাসপাতালটির কয়েকটি ওয়ার্ডে রয়েছে শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা। বর্তমানে হাসপাতালটিতে সর্বমোট শয্যা রয়েছে ৬৬৪টি। হাসপাতালটির আঙিনায় ছোট পরিস্বরে শিশুদের বিনোদনের জন্য একটি পার্ক রয়েছে। সেখানে শিশুরা খেলাধূলা করে।
[৪] হাসপাতালটির কয়েকটি ওয়ার্ডে রয়েছে শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা।

[৫] হাসপাতালটির উপ-পরিচালক প্রবীর কুমার সরকার জানান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পরে শিশু হাসপাতালের জায়গা থেকে একটি অংশ শিশুমেলা নামে বিনোদন পার্ক তৈরির জন্যে দেন। প্রধানমন্ত্রী যদি শিশু মেলার জায়গাটিসহ শিশু হাসপাতালের ভিতরে পঙ্গু হাসপাতালের হোস্টেলের জায়গাটি দান করেন, তাহলে শিশু চিকিৎসা গবেষণায় আরো বৃদ্ধি পাবে। কারণ জায়গার অভাবে চিকিৎসায় যেমন ব্যহত হচ্ছে তেমনি গবেষণা সম্প্রসারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন ইতিমধ্যেই দেশে অনেক শিশুবিশেষজ্ঞ ও শিশুচিকিৎসক নার্সসহ গড়ে উঠেছে দক্ষ টেকনেশিয়ান।

[৬] পরিচালক সৈয়দ সফি আহমেদ বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র যেসব অভিবাবক তাদের শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আসেন, রাজধানীতে তাদের থাকার জায়গা করে দেওয়া সহজ হবে। অভিভাবকরা বলছেন,একটু স্বস্তিদায়ক জায়গা না হলে বাচ্চাদের নির্দিষ্টস্থানে রাখাটাই মুশকিল হয়ে যায়। ওরা হুট-হাট যেখানে সেখানে বসে পড়ে, এটা ওটা মুখে তোলে। এখানে বেশ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন থাকায় চিন্তামুক্ত থাকতে পারছি। তবে এর পরিধিবৃদ্ধি হলে শিশুদের জন্য আরো ভালো হতো।

[৬] হাসপাতালে অবকাঠামোগত সমস্যা আছে। পুরাতন ভবনেই চলছে চিকিৎসা, ঝড়বৃষ্টির সময়ে সমস্যা হচ্ছে। শিশু হাসপাতাল সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের প্রতিটি ফ্লোরই পরিষ্কার, করিডোরগুলোতে নেই কোনও ময়লা বা দুর্গন্ধ। দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসা রোগীদের কাছ থেকে তেমন কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

[৯] ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমে ঢাকা শিশু হাসপাতালের অবস্থান ছিল ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে। পরবর্তীতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৬ সালে এটি শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত করেন, শিশু হাসপাতালটি স্বায়ত্বশাসিত। সম্পাদনা : রাশিদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত