শিরোনাম
◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ ◈ আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ ◈ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বৃক্ষরোপণ নেশায় পরিণত হয়েছে প্রকৌশলী টুটুলের

ইবি প্রতিনিধি: [২] আমাদের সমাজে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ আছেন, যারা সবসময় সবার অগোচরে পরিবেশকে সুন্দর ও দূষণমুক্ত রাখতে নিস্বার্থভাবে কাজ করে চলছেন। ঠিক এমনই একজন পরিবেশবান্ধব বৃক্ষপ্রেমী হলেন কুষ্টিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান প্রকৌশলী (ভারঃ) আলিমুজ্জামান টুটুল।

[৩] স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন জায়গায় নিজ খরচে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করে যাচ্ছেন তিনি।

[৪] প্রতিটি মানুষেরই কিছু ভালো মন্দ নেশা থাকে। আর প্রকৌশলী টুটুলের নেশা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ করা। পেশায় প্রকৌশলী হলেও, নেশায় তিনি বৃক্ষ প্রেমিক ও পুরোদস্তুর সমাজসেবক। যিনি গত দুই দশক ধরে কুষ্টিয়ায় বনায়ন ও সমাজসেবা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সদা পরোপকারী এই মানুষটির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় প্রকৌশলী টুটুল জানান, বস্তুত বৃক্ষের সাথে আমার সখ্যতা অনেক বছরের। সেই ১৯৯৩ সালের ঘটনা, হঠাৎ একদিন ভ্যান ভর্তি গাছের চারা নিয়ে আমার গ্রাম কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরের এক স্কুলে গেলাম। সেখানে শিক্ষার্থীদের প্রকৃতিতে গাছের গুরুত্ব ও অপরিহার্যতা সম্পর্কে বোঝালাম। আমার কথায় শিক্ষার্থীরা দারুণ ভাবে উদ্বুদ্ধ হলো। ফলে আমিও উৎসাহ পেলাম। সেখান থেকেই শুরু। এরপর গত দুই দশকে প্রায় ১০ লাখ বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ করেছি।

[৬] এছাড়া ২০০৬ সালে ইবিতে যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি নিজ অর্থায়নে ক্যাম্পাসে প্রায় ২০ হাজার বৃক্ষরোপণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে গড়ে তুলেছেন ফুল বাগান। চাকরি থেকে সঞ্চিত অর্থ ও রাত জেগে বাড়ির ডিজাইন করে প্রাপ্ত আয় থেকে করেন সমাজ সেবাও। বছরজুড়ে তিনি নানাভাবে দরিদ্রদের সহযোগিতা করে থাকেন। করোনাকালে প্রায় ৫০০০ হাজার কর্মহীন মানুষকে খাদ্য ও অর্থ দিয়ে সহায়তা করছেন। সবুজ বনায়নের লক্ষ্যে তিনি গড়ে তুলেছেন গ্রিন চাইল্ড নামক সংগঠন। নিজ এলাকায় তার তত্ত্বাবধানে তৈরী করেছেন মসজিদ। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে মনোনীত হয়েছেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ সমাজসেবক।

[৭] এবিষয়ে প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণের এ ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আমি ভবিষ্যতে বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে চাই, সেজন্য ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়