শিরোনাম
◈ হাজারও মানুষ নির্বিচারে আটক, দেদারসে চলছে মামলা বাণিজ্য, অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ◈ নির্বাচনে জিততে উত্তরবঙ্গে চোখ জামায়াতের, রংপু‌রে লাঙলের দুর্গ ভাঙ‌তে চায় তারা ◈ বেনাপোল বন্দরে বাণিজ্য ও যাতায়াত: ৫৭৫ ট্রাক পণ্য, পাসপোর্টধারী ১,৩৯৮ জন ◈ পুরান ঢাকার রঙিন জীবনে ঘুরে চা-বিরিয়ানি খেলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ ১০টি আসনে জয়ের আশা করছে এনসিপি ◈ দুরন্তকে হা‌রি‌য়ে অদম্য টি-টোয়েন্টি ক্রিকে‌টে ধুমকেতুর সুন্দর সূচনা  ◈ বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান লড়াই নিয়ে আশাবাদী অ‌স্ট্রেলিয়ান ব্রেট লি  ◈ চট্টগ্রাম বন্দর অচল করার অভিযোগে ১৫ নেতার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা, সম্পদ তদন্তের নির্দেশ ◈ প্রক্টর অফিসের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসালেন ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র ◈ ভারতে অবৈধ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: ১৬ শ্রমিকের মৃত্যু

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:০৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বৃক্ষরোপণ নেশায় পরিণত হয়েছে প্রকৌশলী টুটুলের

ইবি প্রতিনিধি: [২] আমাদের সমাজে কিছু ব্যতিক্রমধর্মী মানুষ আছেন, যারা সবসময় সবার অগোচরে পরিবেশকে সুন্দর ও দূষণমুক্ত রাখতে নিস্বার্থভাবে কাজ করে চলছেন। ঠিক এমনই একজন পরিবেশবান্ধব বৃক্ষপ্রেমী হলেন কুষ্টিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান প্রকৌশলী (ভারঃ) আলিমুজ্জামান টুটুল।

[৩] স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান, ক্যাম্পাসসহ বিভিন্ন জায়গায় নিজ খরচে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করে যাচ্ছেন তিনি।

[৪] প্রতিটি মানুষেরই কিছু ভালো মন্দ নেশা থাকে। আর প্রকৌশলী টুটুলের নেশা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ করা। পেশায় প্রকৌশলী হলেও, নেশায় তিনি বৃক্ষ প্রেমিক ও পুরোদস্তুর সমাজসেবক। যিনি গত দুই দশক ধরে কুষ্টিয়ায় বনায়ন ও সমাজসেবা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সদা পরোপকারী এই মানুষটির সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় প্রকৌশলী টুটুল জানান, বস্তুত বৃক্ষের সাথে আমার সখ্যতা অনেক বছরের। সেই ১৯৯৩ সালের ঘটনা, হঠাৎ একদিন ভ্যান ভর্তি গাছের চারা নিয়ে আমার গ্রাম কুষ্টিয়ার হাটশ হরিপুরের এক স্কুলে গেলাম। সেখানে শিক্ষার্থীদের প্রকৃতিতে গাছের গুরুত্ব ও অপরিহার্যতা সম্পর্কে বোঝালাম। আমার কথায় শিক্ষার্থীরা দারুণ ভাবে উদ্বুদ্ধ হলো। ফলে আমিও উৎসাহ পেলাম। সেখান থেকেই শুরু। এরপর গত দুই দশকে প্রায় ১০ লাখ বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ করেছি।

[৬] এছাড়া ২০০৬ সালে ইবিতে যোগদানের পর থেকে এ পর্যন্ত তিনি নিজ অর্থায়নে ক্যাম্পাসে প্রায় ২০ হাজার বৃক্ষরোপণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্য বর্ধনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ নিয়ে গড়ে তুলেছেন ফুল বাগান। চাকরি থেকে সঞ্চিত অর্থ ও রাত জেগে বাড়ির ডিজাইন করে প্রাপ্ত আয় থেকে করেন সমাজ সেবাও। বছরজুড়ে তিনি নানাভাবে দরিদ্রদের সহযোগিতা করে থাকেন। করোনাকালে প্রায় ৫০০০ হাজার কর্মহীন মানুষকে খাদ্য ও অর্থ দিয়ে সহায়তা করছেন। সবুজ বনায়নের লক্ষ্যে তিনি গড়ে তুলেছেন গ্রিন চাইল্ড নামক সংগঠন। নিজ এলাকায় তার তত্ত্বাবধানে তৈরী করেছেন মসজিদ। এসব কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১২ সালে মনোনীত হয়েছেন খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ সমাজসেবক।

[৭] এবিষয়ে প্রকৌশলী আলিমুজ্জামান টুটুল বলেন, বৃক্ষরোপণ ও বিতরণের এ ধারা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি আমি ভবিষ্যতে বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করতে চাই, সেজন্য ইতিমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছি। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়