প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বই লেখার কারণে মোর্শেদ হাসান খানকে চাকুরিচ্যুত করা বাকস্বাধীনতা হরণের সামিল : ড. আলী রিয়াজ

দেবদুলাল মুন্না: [২] ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় গত বুধবার মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খানকে চাকুরিচ্যুত করা হয়। তার অপরাধ, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে একটি বই লিখেছেন। এ বিষয়ে আমেরিকার ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইশড্ অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ এ মন্তব্য করেন।

[৩] আলী রীয়াজ বলেন, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক মো. মোর্শেদ হাসান খানের রচনার সাথে যে কারো ভিন্নমত থাকতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারে কিনা সেটি একটি বিবেচ্য বিষয়। পরিহাসের বিষয় এই যে, বিশ্ববিদ্যালয় যে আইনের ধারায় তাকে চাকুরিচ্যুত করেছে। সেটি তৈরি হয়েছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্ত্বশাসন নিশ্চিত করতে। এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করতে।

[৪] তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই আদেশের ৫৬ ধারার ২ উপধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তার রাজনীতি করার তথা স্বাধীনভাবে মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে। ওই আইনে একজন শিক্ষককে চাকুরিচ্যুত করার বিধানও আছে। তাতে বলা হয়েছে- একজন শিক্ষককে চাকুরিচ্যুত করা যাবে। যদি তিনি নৈতিক স্খলনের (মোরাল টার্পিচ্যুড) কিংবা দায়িত্ব পালনে অপরাগতার (ইনএফিসিয়েন্সি) অভিযোগে অভিযুক্ত হন (ধারা ৫৬, উপধারা ৩)।

[৪] আলী রীয়াজের মতে, মোর্শেদ হাসান খান এই দুই অভিযোগের কোনোটাতেই অভিযুক্ত হননি। ফলে এই চাকুরিচ্যুতি মতপ্রকাশের জন্যেই সেটা স্পষ্ট। আলী রীয়াজ এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও তার মতামত প্রচার করেন।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত