শিরোনাম
◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ ◈ বগুড়ায় ক্লাসে শাসন করায় শিক্ষককে লাঠিপেটা, সেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে স্থায়ী টিসি ◈ চকবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে, ভবনের ৬-৭ তলায় এখনও তীব্র তাপ: ধোঁয়ায় চেহারা কা‌লো হ‌য়ে গে‌ছে ফায়ার ফাইটার ও স্বেচ্ছা‌সেবক‌দের ◈ অনুমোদিত মাধ্যম ছাড়া ট্রেনের টিকিট কিনে প্রতারিত হলে দায় নেবে না রেলওয়ে ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাড়া-মহল্লায় মাইকিং ও জুমার খুতবায় সচেতনতার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ প্রবাসীদের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের: আইনমন্ত্রী ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার আগে 'ওয়ার্নিং সিস্টেম' বন্ধ রেখেছিল সৌদি আরব, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ◈ হাসপাতালে সাড়ে চারশ রোগী সামলানো একা ডিউটিরত নারী ডাক্তারকে স্থানীয় নেতার হ্যানস্তা অভিযোগ, ভিডিওতে যা বললেন ◈ খেলাপি ঋণ থাকা সত্ত্বেও বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সুবিধায় ছাড় দিল বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ নিউইয়র্কে ড. ইউনূসের সঙ্গে যা করেছে, তাতে রিকনসিলিয়েশনের সুযোগ দেখি না: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৪ দুপুর
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম : [২] শুক্রবার সন্ধ্যায় ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সেক্রেটারি ড. মার্ক টি. এসপার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও মহামারি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন।

[৩] এ সময় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নসহ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।

[৪] সকল দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতে অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের প্রতি তাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

[৫] সামুদ্রিক ও আঞ্চলিক সুরক্ষা, বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা এবং বাংলাদেশের সামরিক সামর্থ্যকে আধুনিকীকরণের উদ্যোগসহ সুনির্দিষ্ট দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা বিষয়ক অগ্রাধিকারগুলো আলোচনায় স্থান পায়।

[৬] ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি ভিশন ঘোষণা করে।

[৭] ২০১৯ সালে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হওয়ার পর থেকেই মূলত এ অঞ্চলে বাংলাদেশের আলাদা গুরুত্ব দেওয়া শুরু করেছে দেশটি।

[৮] পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সে সময় সম্মত হয় যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং অবকাঠামো প্রকল্পে উভয় দেশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করবে।

[৯] ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভিশন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে স্বচ্ছ ও সুশাসন-ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

[১০] ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কমপোনেন্ট আছে।

[১১] সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া সবগুলো দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু কিন্তু তারা চীনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলে। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একটি ভিশন এবং সবাই নিজেদের জাতীয় স্বার্থ দিয়ে এটিকে বিবেচনা করে এবং এ কারণে এটি প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা অর্থ এবং গুরুত্ব রাখে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

  • সর্বশেষ