শিরোনাম
◈ আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা পুনঃতদন্ত করতে নতুন করে কমিশন গঠন করবে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকার ৪ ধরনের শিক্ষার্থীকে ভাতা দেবে: কারা পাবেন, কীভাবে আবেদন করবেন? ◈ সকাল ৯টার মধ্যে অফিসে প্রবেশের নির্দেশ, বিনা অনুমতিতে বাইরে নয়: আইন মন্ত্রণালয় ◈ ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ◈ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ পাচ্ছেন যাঁরা ◈ ঢাকা দক্ষিণ থেকে সিটি নির্বাচন করব : ইশরাক হোসেন ◈ সংস্কার, বাণিজ্য ও অভিবাসন: ইইউর সঙ্গে নতুন সম্পর্কের সুযোগ বাংলাদেশের ◈ বাংলাদেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে, অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাই না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশের কাজে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৪ দুপুর
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসাবে আবির্ভূত হচ্ছে বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম : [২] শুক্রবার সন্ধ্যায় ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সেক্রেটারি ড. মার্ক টি. এসপার প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক ও মহামারি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেছেন।

[৩] এ সময় বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়নসহ দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা অগ্রাধিকার বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।

[৪] সকল দেশের সার্বভৌমত্ব নিশ্চিতে অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের প্রতি তাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

[৫] সামুদ্রিক ও আঞ্চলিক সুরক্ষা, বৈশ্বিক শান্তিরক্ষা এবং বাংলাদেশের সামরিক সামর্থ্যকে আধুনিকীকরণের উদ্যোগসহ সুনির্দিষ্ট দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা বিষয়ক অগ্রাধিকারগুলো আলোচনায় স্থান পায়।

[৬] ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি ভিশন ঘোষণা করে।

[৭] ২০১৯ সালে ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশ কাজ করতে সম্মত হওয়ার পর থেকেই মূলত এ অঞ্চলে বাংলাদেশের আলাদা গুরুত্ব দেওয়া শুরু করেছে দেশটি।

[৮] পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সে সময় সম্মত হয় যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি এবং অবকাঠামো প্রকল্পে উভয় দেশ একসঙ্গে বাস্তবায়ন করবে।

[৯] ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি যুক্তরাষ্ট্রের একটি ভিশন যার লক্ষ্য হচ্ছে এই অঞ্চলে স্বচ্ছ ও সুশাসন-ভিত্তিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

[১০] ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবিরের মতে, ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজিতে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক কমপোনেন্ট আছে।

[১১] সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফায়েজ আহমেদ বলেন, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া সবগুলো দেশই যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধু কিন্তু তারা চীনের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখে চলে। ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি একটি ভিশন এবং সবাই নিজেদের জাতীয় স্বার্থ দিয়ে এটিকে বিবেচনা করে এবং এ কারণে এটি প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা অর্থ এবং গুরুত্ব রাখে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়